নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারের মহারাজা জিতেন্দ্রনারায়ণ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগ নিয়ে রীতিমতো সমস্যায় পড়েছে কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট বিভাগে মাত্র তিনজন চিকিৎসক। তারমধ্যে একজন অধ্যাপক চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার কারণে ছুটিতে। প্রতিদিন এই হাসপাতালের আউটডোরে প্রায় সাড়ে তিনশো থেকে চারশো রোগী চিকিৎসা করাতে আসেন। অনেকের আবার চোখে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। চিকিৎসক কম থাকার কারণে অস্ত্রোপচারের সংখ্যা কমছে।
Advertisement
এদিকে, ওই অধ্যাপক চিকিৎসক দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকায় মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ তাঁকে চিঠিও করেছে। মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে তাঁকে সেখানে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। কিন্তু উপস্থিত হননি বলে অভিযোগ। মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই চিকিৎসক মেডিক্যাল বোর্ড কলকাতায় করার জন্য বলেছেন। এদিকে, মেডিক্যাল কলেজের চক্ষু বিভাগে বর্তমানে একজন সিনিয়র রেসিডেন্ট ও একজন মেডিক্যাল অফিসার দিয়ে কাজ চালাতে হচ্ছে। ফলে কর্তৃপক্ষ পুরো বিষয়টি সামাল দিতে গিয়ে রীতিমতো সমস্যায় পড়েছে।
কোচবিহার এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডাঃ নির্মলকুমার মণ্ডল বলেন, চক্ষু বিভাগের একজন চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে ছুটি নিয়ে আছেন। তাঁকে একাধিকবার চিঠি করা হয়েছে। মেডিক্যাল বোর্ড করে তাঁকে সেখানে আসতে বলা হয়েছিল। তিনি আসেননি। স্বাস্থ্যভবনে জানিয়ে এসেছেন মেডিক্যাল বোর্ড যেন কলকাতায় করা হয়। স্বাস্থ্যভবন থেকে এখনও কিছু জানায়নি। রোগী, পড়ুয়া সকলেরই সমস্যা হচ্ছে।
মেডিক্যাল কলেজের সুপার ডাঃ সৌরদীপ রায় বলেন, সাড়ে চার মাস ধরে চক্ষু বিভাগের এক চিকিৎসক ছুটিতে রয়েছেন। প্রিন্সিপাল মেডিক্যাল বোর্ড করেছিলেন। তিনি সেখানেও আসেননি। আই আউটডোরে প্রতিদিন ৩৫০-৪০০ রোগী হয়। তিনদিন সংশ্লিষ্ট আউটডোর খোলা হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের পঠনপাঠন বন্ধ হয়ে আছে। চোখের অস্ত্রোপচারের তারিখ দেরিতে পড়ছে। এককথায় পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। উনি কবে কাজে যোগ দেবেন তা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে।
এ বিষয়ে জানার জন্য চক্ষু বিভাগের ওই চিকিৎসক অধ্যাপক অর্কেন্দু চট্টোপাধ্যায়কে টেলিফোন করা হলে বলেন, যা বলার কর্তৃপক্ষকে বলেছি। স্বাস্থ্যভবনকে জানিয়ে দিয়েছি।
মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, সপ্তাহে সোম, বুধ ও শুক্রবার চক্ষু বর্হিবিভাগ খোলা থাকে। সেখানে যে সংখ্যক রোগী আসেন তাঁদের দেখার জন্য দু’জন মাত্র চিকিৎসক যথেষ্ট কম। এদিকে, মেডিক্যাল কলেজে প্রচুর পড়ুয়া রয়েছেন। সামনেই তাঁদের পরীক্ষা। অধ্যাপক চিকিৎসকের অনুপস্থিতির কারণে সেখানেও সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
কোচবিহার এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডাঃ নির্মলকুমার মণ্ডল বলেন, চক্ষু বিভাগের একজন চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে ছুটি নিয়ে আছেন। তাঁকে একাধিকবার চিঠি করা হয়েছে। মেডিক্যাল বোর্ড করে তাঁকে সেখানে আসতে বলা হয়েছিল। তিনি আসেননি। স্বাস্থ্যভবনে জানিয়ে এসেছেন মেডিক্যাল বোর্ড যেন কলকাতায় করা হয়। স্বাস্থ্যভবন থেকে এখনও কিছু জানায়নি। রোগী, পড়ুয়া সকলেরই সমস্যা হচ্ছে।
মেডিক্যাল কলেজের সুপার ডাঃ সৌরদীপ রায় বলেন, সাড়ে চার মাস ধরে চক্ষু বিভাগের এক চিকিৎসক ছুটিতে রয়েছেন। প্রিন্সিপাল মেডিক্যাল বোর্ড করেছিলেন। তিনি সেখানেও আসেননি। আই আউটডোরে প্রতিদিন ৩৫০-৪০০ রোগী হয়। তিনদিন সংশ্লিষ্ট আউটডোর খোলা হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের পঠনপাঠন বন্ধ হয়ে আছে। চোখের অস্ত্রোপচারের তারিখ দেরিতে পড়ছে। এককথায় পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। উনি কবে কাজে যোগ দেবেন তা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে।
এ বিষয়ে জানার জন্য চক্ষু বিভাগের ওই চিকিৎসক অধ্যাপক অর্কেন্দু চট্টোপাধ্যায়কে টেলিফোন করা হলে বলেন, যা বলার কর্তৃপক্ষকে বলেছি। স্বাস্থ্যভবনকে জানিয়ে দিয়েছি।
মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, সপ্তাহে সোম, বুধ ও শুক্রবার চক্ষু বর্হিবিভাগ খোলা থাকে। সেখানে যে সংখ্যক রোগী আসেন তাঁদের দেখার জন্য দু’জন মাত্র চিকিৎসক যথেষ্ট কম। এদিকে, মেডিক্যাল কলেজে প্রচুর পড়ুয়া রয়েছেন। সামনেই তাঁদের পরীক্ষা। অধ্যাপক চিকিৎসকের অনুপস্থিতির কারণে সেখানেও সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।



