সংবাদদাতা, তপন: চারদিন নিখোঁজ থাকার পর তপনের নয়াবাজার বজ্রাপুকুর এলাকায় পুনর্ভবা নদী থেকে উদ্ধার রাজমিস্ত্রির মৃতদেহ। বুধবার দুপুরে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় তপন থানার পুলিস। মৃতের নাম উৎপল দত্ত (৪২)। বাড়ি গঙ্গারামপুর থানার বেলবাড়ি লক্ষ্মীতলা এলাকায়।
Advertisement
পেশায় রাজমিস্ত্রি উৎপল। বছর পাঁচেক আগে ডিভোর্সের পর মায়ের সঙ্গে থাকতেন। শনিবার রাতে বাউল গান শুনতে গিয়েছিলেন পার্শ্ববর্তী বোরডাঙি গুড়িয়াপাড়া এলাকায়। তারপর থেকে আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের লোকজন রবিবার দিনভর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও কোনও খোঁজ পাননি। রবিবার গঙ্গারামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে মৃতের পরিবার। বুধবার দুপুরে পুনর্ভবা নদীতে ওই ব্যক্তির মৃতদেহ ভেসে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে। মৃতের শরীরে কোনও চিহ্ন বা দাগ ছিল না।
পরিবারের দাবি, জলে ডুবে উৎপলের মৃত্যু হয়নি। নদীতে জলও কম। ফলে কোনও ভাবেই দেহ ভেসে যেতে পারে না। ছেলের দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন বৃদ্ধা মা বাসনা। তিনি বলেন, ছেলের মৃত্যু স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না। নদীতে পড়ে আমার ছেলের মৃত্যু হতে পারে না। কারণ, ও সাঁতার জানত। পুলিসের কাছে অভিযোগ করব, যাতে সঠিক তদন্ত করে সত্য উঠে আসে। তপন থানার আইসি জনমেরি ভিয়ান্নে লেপচা বলেন, একজনের দেহ নদী থেকে উদ্ধার হয়েছে। কীভাবে মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের পরই বলা সম্ভব।
পরিবারের দাবি, জলে ডুবে উৎপলের মৃত্যু হয়নি। নদীতে জলও কম। ফলে কোনও ভাবেই দেহ ভেসে যেতে পারে না। ছেলের দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন বৃদ্ধা মা বাসনা। তিনি বলেন, ছেলের মৃত্যু স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না। নদীতে পড়ে আমার ছেলের মৃত্যু হতে পারে না। কারণ, ও সাঁতার জানত। পুলিসের কাছে অভিযোগ করব, যাতে সঠিক তদন্ত করে সত্য উঠে আসে। তপন থানার আইসি জনমেরি ভিয়ান্নে লেপচা বলেন, একজনের দেহ নদী থেকে উদ্ধার হয়েছে। কীভাবে মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের পরই বলা সম্ভব।



