নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: পাঁচিল টপকে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সরবরাহ। সেই মোবাইল দেখে উত্তর টুকেও হল না শেষরক্ষা। মঙ্গলবার মাধ্যমিকের ইংরেজি পরীক্ষার মাঝপথে অভিযুক্ত পরীক্ষার্থীদের পাকড়াও করেন ইনভিজিলেটররা। তাদের মোবাইল ফোন ও উত্তরপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পরীক্ষা বাতিলের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। উত্তর দিনাজপুর জেলার মাধ্যমিক পরীক্ষার কনভেনার বিকাশচন্দ্র দাস বলেন, গোয়ালপোখরের নন্দঝাড় আদিবাসী তফশিলি উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালীন চারজন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ। সেজন্য তাদের খাতা এবং চারটি মোবাইল ফোন সিজ করা হয়েছে। এরপর নিয়ম অনুযায়ী পর্ষদ পরবর্তী যা পদক্ষেপ নেওয়ার নেবে।
Advertisement
এদিন মাধ্যমিক পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন ছিল। পরীক্ষার্থীরা সুষ্ঠুভাবেই পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকে। সেসময় পরীক্ষা কেন্দ্রে গেটে চেকিংয়ের সময় কারও কাছে কিছু পাওয়া যায়নি। কিন্তু পরীক্ষা চলাকালীন অবস্থায় ইনভিজিলেটররা নজরদারি করছিলেন। তখনই লোধন হাইস্কুলের একজন পরীক্ষার্থীর থেকে প্রথমে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ওই স্কুলেরই আরও তিন ছাত্রের কাছ থেকে মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। সকলের মোবাইলেই প্রশ্নপত্র অনুযায়ী উত্তর পাওয়া গিয়েছে।
এদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, পরীক্ষা শুরুর আগেই স্কুলের সীমানা পাঁচিলের ওপার থেকে কেউ মোবাইল ছুড়ে দেয় ক্যাম্পাসে। সেই সময় মোবাইল পরীক্ষার্থীরা সংগ্রহ করে পরীক্ষা হলে প্রবেশ করে বলে অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর এদিন সন্ধ্যায় ওই পরীক্ষাকেন্দ্রের সুপারভাইসার রুমা দাস বলেন, আমরা পদ্ধতি মেনে ওই চার পরীক্ষার্থীর খাতা থানায় জমা দিয়েছি। গোয়ালপোখর থানার পুলিসকে ঘটনাটি জানিয়েছি।
এদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, পরীক্ষা শুরুর আগেই স্কুলের সীমানা পাঁচিলের ওপার থেকে কেউ মোবাইল ছুড়ে দেয় ক্যাম্পাসে। সেই সময় মোবাইল পরীক্ষার্থীরা সংগ্রহ করে পরীক্ষা হলে প্রবেশ করে বলে অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর এদিন সন্ধ্যায় ওই পরীক্ষাকেন্দ্রের সুপারভাইসার রুমা দাস বলেন, আমরা পদ্ধতি মেনে ওই চার পরীক্ষার্থীর খাতা থানায় জমা দিয়েছি। গোয়ালপোখর থানার পুলিসকে ঘটনাটি জানিয়েছি।



