সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়, কোচবিহার: উত্তরবঙ্গে প্রথম কোচবিহার পুরসভার ২০টি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা পেতে চলেছেন প্রাকৃতিক গ্যাসের সুবিধা। আগামী চার মাসের মধ্যে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস কোম্পানির অধীনে বাড়ি বাড়ি পাইপে প্রাকৃতিক গ্যাস দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে যাবে। প্রথম ধাপে কোচবিহার শহরে প্রায় ১০ হাজার পরিবার এই সুবিধা পাবে। এরপর ধাপে ধাপে সকল বাসিন্দাই এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারবেন।
Advertisement
ওই রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস কোম্পানি কোচবিহার পুরসভা থেকে ২০০ কিমি পাইপ লাইন বসানোর অনুমোদন নিয়ে কাজ শুরু করেছিল। তারমধ্যে প্রায় ১০০ কিমি পাইপ বসানোর কাজ তারা শেষ করেছে। প্রায় সাত-আট হাজার বাড়িতে পাইপ বসিয়ে ওয়্যারিংয়ের কাজও হয়েছে। এখন বসানো হচ্ছে মিটার। এবার আরও কিছু কাজ শেষ করে তারা বাড়ি বাড়ি সংযোগ দেওয়া শুরু করবে বলে জানা গিয়েছে।
এখন এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বাড়িতে বা হোটেলে এনে রান্না করা হয়। কিন্তু এই প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপের মধ্যে দিয়ে সরাসরি উপভোক্তার হেঁসেলে পৌঁছে যাবে। এতে একদিকে দাম যেমন অনেকটাই কম পড়বে তেমনই দুর্ঘটনা এড়ানোও অনেক সহজ হবে। যে উপভোক্তা যতটা গ্যাস ব্যবহার করবেন মিটার অনুসারে তাঁকে ঠিক ততটাই টাকা মেটাতে হবে। কোচবিহার পুরসভা সহ প্রশাসনের সবস্তর থেকেই এই কাজের জন্য সহায়তা করা হচ্ছে বলে ওই তেল ও গ্যাস কোম্পানির এই অঞ্চলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। কোম্পানির টেরিটরি ম্যানেজার বিধান শিকদার বলেন, আগামী চার মাসের মধ্যে কোচবিহার পুর এলাকার হাজার দশেক বাড়িতে পাইপে প্রাকৃতিক গ্যাস পৌঁছে যাবে। আমাদের কাজ চলছে। উত্তরবঙ্গের মধ্যে এখানেই এটা প্রথম হবে। আলিপুরদুয়ার জেলায়ও হবে।
কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, একটি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস কোম্পানি বাড়ি বাড়ি রান্নার গ্যাস পৌঁছে দেওয়ার জন্য জোর কদমে কাজ করছে। মিটার বসানো হচ্ছে এখন। আশা করছি, তিন-চার মাসের মধ্যে বাড়ি বাড়ি সংযোগ দেওয়া শুরু হয়ে যাবে। এতে অনেক কম দামে গ্রাহকরা এই গ্যাস ব্যবহার করতে পারবেন। এলপিজি সিলিন্ডার বুক করা, নির্দিষ্ট সময়ে সিলিন্ডার সংগ্রহ করা সহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা এতে থাকবে না। বাড়িতে মিটার বসবে। যিনি যতটা গ্যাস ব্যবহার করবেন তাঁকে সেই অনুপাতে বিল মেটাতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের শুরুর দিকে কোচবিহার পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গ্যাস পৌঁছে দেওয়ার জন্য সচেতনতা, রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদির কাজ শুরু হয়েছিল। এরপর পড়ায় পাড়ায় পাইপ বসানোর কাজ শুরু হয়। সেই কাজই অনেকটা এগিয়ে এবার বাড়ির ভিতরে গ্যাসের লাইনের সংযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি বেশ কয়েকধাপ এগল।
এখন এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বাড়িতে বা হোটেলে এনে রান্না করা হয়। কিন্তু এই প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপের মধ্যে দিয়ে সরাসরি উপভোক্তার হেঁসেলে পৌঁছে যাবে। এতে একদিকে দাম যেমন অনেকটাই কম পড়বে তেমনই দুর্ঘটনা এড়ানোও অনেক সহজ হবে। যে উপভোক্তা যতটা গ্যাস ব্যবহার করবেন মিটার অনুসারে তাঁকে ঠিক ততটাই টাকা মেটাতে হবে। কোচবিহার পুরসভা সহ প্রশাসনের সবস্তর থেকেই এই কাজের জন্য সহায়তা করা হচ্ছে বলে ওই তেল ও গ্যাস কোম্পানির এই অঞ্চলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। কোম্পানির টেরিটরি ম্যানেজার বিধান শিকদার বলেন, আগামী চার মাসের মধ্যে কোচবিহার পুর এলাকার হাজার দশেক বাড়িতে পাইপে প্রাকৃতিক গ্যাস পৌঁছে যাবে। আমাদের কাজ চলছে। উত্তরবঙ্গের মধ্যে এখানেই এটা প্রথম হবে। আলিপুরদুয়ার জেলায়ও হবে।
কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, একটি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস কোম্পানি বাড়ি বাড়ি রান্নার গ্যাস পৌঁছে দেওয়ার জন্য জোর কদমে কাজ করছে। মিটার বসানো হচ্ছে এখন। আশা করছি, তিন-চার মাসের মধ্যে বাড়ি বাড়ি সংযোগ দেওয়া শুরু হয়ে যাবে। এতে অনেক কম দামে গ্রাহকরা এই গ্যাস ব্যবহার করতে পারবেন। এলপিজি সিলিন্ডার বুক করা, নির্দিষ্ট সময়ে সিলিন্ডার সংগ্রহ করা সহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা এতে থাকবে না। বাড়িতে মিটার বসবে। যিনি যতটা গ্যাস ব্যবহার করবেন তাঁকে সেই অনুপাতে বিল মেটাতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের শুরুর দিকে কোচবিহার পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গ্যাস পৌঁছে দেওয়ার জন্য সচেতনতা, রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদির কাজ শুরু হয়েছিল। এরপর পড়ায় পাড়ায় পাইপ বসানোর কাজ শুরু হয়। সেই কাজই অনেকটা এগিয়ে এবার বাড়ির ভিতরে গ্যাসের লাইনের সংযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি বেশ কয়েকধাপ এগল।



