তামিম ইসলাম, ডোমকল: সীমান্তজুড়ে চলছে দালাল সিন্ডিকেট। মাত্র চার হাজার টাকার বিনিময়ে দালালের সহায়তায় বিএসএফের নজর এড়িয়ে ভারতে ঢুকছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। দালালদের সহায়তায় বৈধ কাগজপত্র ছাড়া এদেশে প্রবেশ করেই তাদের গন্তব্য হয় দক্ষিণ ভারত। রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে মিশে তারা অনেকেই দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে শ্রমিকদের কাজে চলে যাচ্ছে। রানিতলা, রানিনগর, লালগোলা, সাগরপাড়া, জলঙ্গির ফেন্সিংহীন সীমান্ত ব্যবহার করে এভাবেই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকছে ভারতে। সম্প্রতি রানিনগরের বামনাবাদে চার বাংলাদেশি সহ এক ভারতীয় দালালকে পাকড়াও করার পর এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে বিএসএফ সূত্রে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, মুর্শিদাবাদের ১২৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকার অনেক অংশে কাঁটাতার নেই। বিশেষ করে রানিনগর, সাগরপাড়া, জলঙ্গির বিশাল অংশে কাঁটাতার নেই। ফেন্সিংহীন এইসব এলাকাগুলিকেই টার্গেট করছে অনুপ্রবেশকারীরা। এরপরে সে দেশের দালালদের মাধ্যমে ভারতীয় দালালদের খোঁজ পাচ্ছে তারা। চলছে দালালের সঙ্গে দর কষাকষি। রফা হলেই দালাল তার সমস্ত নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে কোন পথ দিয়ে তাদের আসতে হবে, কখন আসতে হবে, সমস্ত কিছু জানিয়ে দিচ্ছে। এমনকী দেশে ঢুকে প্রথমে কোথায় যাবে, দক্ষিণভারতে গিয়ে কীভাবে কাজ করবে সবটাই গাইড করছে।
গত ১৫ অক্টোবর ঠিক এই কায়দাতেই ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেছিল চার বাংলাদেশি। ভারতীয় দালালের সহায়তায় এদেশের সীমানাতে ঢুকেও গিয়েছিল তারা। কিন্তু বিএসএফের কড়া নজরদারিতে শেষ পর্যন্ত সাফল্য পায়নি তাদের পরিকল্পনা। সীমানা পার করলেও এদেশের মূল ভূখণ্ড পার করার আগেই তাদের পাকড়াও করেছে বিএসএফ। ওইদিন বিকেলে বিএসএফের ৭৩ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের অন্তর্গত রানিনগরের বামনাবাদ ক্যাম্পের জওয়ানরা তাদের পাকড়াও করে। ধৃতদের কাছে থেকে চারটি নকল আধার কার্ডও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। পাশাপাশি ভারতে অনুপ্রবেশে সহায়তা করার দায়ে তাদের সঙ্গে সাগরপাড়ার এক দালালকেও পাকড়াও করেছিল তারা। সেই সময়ে ধৃতরা জানায়, ভারতে ঢুকতে তারা মাথাপিছু ৪ হাজার টাকা করে দিয়েছিল ভারতীয় দালালকে। তারা দালালের মাধ্যমে এদেশে ঢুকে চেন্নাই যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। শুধু ওই ঘটনা নয়, সোমবার রাতে রানিতলা থানার পুলিস একসঙ্গে ৪১ জন বাংলাদেশিকে পাকড়াও করেছিল। জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা পুলিসকে জানিয়েছিল, তারা দালালদের সহায়তায় বছরখানেক আগে টাকার বিনিময়ে ভারতে ঢুকেছিল। তারা চেন্নাইয়ে রাজমিস্ত্রীর কাজ করত। ভারত থেকে বাড়ি ফেরার জন্যই তারা দালালের সহায়তায় রানিতলার একটি এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিল। মঙ্গলবার বাংলাদেশিদের গ্রেপ্তারির পরে সাংবাদিক সম্মেলন চলার সময় ভগবানগোলার এসডিপিও উত্তম গড়াইকে প্রশ্ন করে হলে তিনি বলেন, কিছু বাংলাদেশি ও কিছু ভারতীয় দালালের মাধ্যমে এরা সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ঢুকেছিল। কিন্তু এত গ্রেপ্তারির পরেও কেন রোখা যাচ্ছে অনুপ্রবেশকারীদের। বিভিন্ন জায়গা থেকে বারংবার বাংলাদেশি গ্রেপ্তারির ঘটনায় সীমান্তে টহলরত বিএসএফের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
গত ১৫ অক্টোবর ঠিক এই কায়দাতেই ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেছিল চার বাংলাদেশি। ভারতীয় দালালের সহায়তায় এদেশের সীমানাতে ঢুকেও গিয়েছিল তারা। কিন্তু বিএসএফের কড়া নজরদারিতে শেষ পর্যন্ত সাফল্য পায়নি তাদের পরিকল্পনা। সীমানা পার করলেও এদেশের মূল ভূখণ্ড পার করার আগেই তাদের পাকড়াও করেছে বিএসএফ। ওইদিন বিকেলে বিএসএফের ৭৩ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের অন্তর্গত রানিনগরের বামনাবাদ ক্যাম্পের জওয়ানরা তাদের পাকড়াও করে। ধৃতদের কাছে থেকে চারটি নকল আধার কার্ডও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। পাশাপাশি ভারতে অনুপ্রবেশে সহায়তা করার দায়ে তাদের সঙ্গে সাগরপাড়ার এক দালালকেও পাকড়াও করেছিল তারা। সেই সময়ে ধৃতরা জানায়, ভারতে ঢুকতে তারা মাথাপিছু ৪ হাজার টাকা করে দিয়েছিল ভারতীয় দালালকে। তারা দালালের মাধ্যমে এদেশে ঢুকে চেন্নাই যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। শুধু ওই ঘটনা নয়, সোমবার রাতে রানিতলা থানার পুলিস একসঙ্গে ৪১ জন বাংলাদেশিকে পাকড়াও করেছিল। জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা পুলিসকে জানিয়েছিল, তারা দালালদের সহায়তায় বছরখানেক আগে টাকার বিনিময়ে ভারতে ঢুকেছিল। তারা চেন্নাইয়ে রাজমিস্ত্রীর কাজ করত। ভারত থেকে বাড়ি ফেরার জন্যই তারা দালালের সহায়তায় রানিতলার একটি এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিল। মঙ্গলবার বাংলাদেশিদের গ্রেপ্তারির পরে সাংবাদিক সম্মেলন চলার সময় ভগবানগোলার এসডিপিও উত্তম গড়াইকে প্রশ্ন করে হলে তিনি বলেন, কিছু বাংলাদেশি ও কিছু ভারতীয় দালালের মাধ্যমে এরা সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ঢুকেছিল। কিন্তু এত গ্রেপ্তারির পরেও কেন রোখা যাচ্ছে অনুপ্রবেশকারীদের। বিভিন্ন জায়গা থেকে বারংবার বাংলাদেশি গ্রেপ্তারির ঘটনায় সীমান্তে টহলরত বিএসএফের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।



