সংবাদদাতা, চোপড়া: সদর চোপড়ায় কো-অপারেটিভ সোসাইটির নির্দিষ্ট জায়গা থাকা সত্ত্বেও সদর চোপড়ার পাবলিক হলঘরে চলছে ধান কেনা। এতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের। শিবিরটি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার দাবি উঠছে এলাকায়। কারণ, পাবলিক হলঘরের পাশেই চোপড়া নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়। একই লাইনে রয়েছে চোপড়া নর্থ সার্কেলের স্কুল পরিদর্শক (প্রাইমারি) দপ্তর। স্কুল ও অফিস চত্বরে ধানভর্তি গাড়ির ভিড় থাকে দিনভর। এতে চলাফেরা করতে সমস্যা হয়। ধানবোঝাই গাড়ির লম্বা লাইন ও ধুলোর জন্য অতিষ্ট ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা। পাবলিক হলঘরের চারপাশ জনবসতি এলাকা। এলাকার বাসিন্দা বাসুদেব বসাক বলেন, সারাদিন ধানের গাড়ির লাইন পড়ে যায়। স্কুলের সামনেই দিনভর ধানবোঝাই গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকছে। যে কোনও সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা। স্কুল পরিদর্শকের দপ্তরের কর্মীরা বলছেন, সারাদিন অফিসের জানালা বন্ধ রাখতে হয়। শিক্ষকরা দপ্তরে এলে বাইক রাখার জায়গা পান না। চোপড়া পাবলিক হল পঞ্চায়েত সমিতির অধীনে রয়েছে। চোপড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি ফজলুল হক বলেন, সেখানে ধান ক্রয় কেন্দ্র নিয়ে কেউ সমস্যার কথা জানায়নি। অভিযোগ পেলে পরের বছর থেকে শিবির অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হবে।



