নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সমাধান সূত্র অধরাই। কেন্দ্র-কৃষক দ্বিতীয় বৈঠকও নিষ্ফলাই রইল। আগামী ১৯ মার্চ ফের চণ্ডীগড়ে বৈঠক ডাকল কেন্দ্রীয় সরকার। এদিন তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে কৃষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। জানা গিয়েছে, বৈঠকে ‘ওয়ান পয়েন্ট এজেন্ডা’ নিয়েই আলোচনা চান আন্দোলনকারী কৃষক নেতারা। এমএসপি আইন। এমনকী এদিন বৈঠকের আগে নিজেদের মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠকও সারে কিষান সংগঠনগুলি। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় যে, এমএসপি আইন ছাড়া অন্য কোনও আলোচনাতেই সাড়া দেওয়া হবে না। সেইমতোই বৈঠকে চাপ বাড়ানো হয়। জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা জানান, একদিনে এই আলোচনার নিষ্পত্তি সম্ভব নয়। পরে বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজসিং চৌহান বলেন, কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষিত করাই মোদি সরকারের একমাত্র উদ্দেশ্য। দু’পক্ষই তাদের মতামত জানিয়েছে। আলোচনা চলবে।
Advertisement
এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি চণ্ডীগড়েই আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একপ্রস্থ বৈঠক সেরেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। যদিও সেই বৈঠকে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। শুধুমাত্র প্রহ্লাদ যোশি হাজির ছিলেন। তাঁকে কৃষক প্রতিনিধিরা স্পষ্টই জানিয়ে দেন যে, চাষিদের সঙ্গে বৈঠকে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীকে উপস্থিত থাকতেই হবে। নাহলে কোনও আলোচনা হবে না। আন্দোলনকারী কৃষকদের চাপের কাছেই একপ্রকার নতিস্বীকার করে শনিবারের বৈঠকে অংশ নেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজসিং চৌহান। আন্দোলন শুরুর এক বছর পর শনিবার দ্বিতীয়বারের জন্য কৃষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসল কেন্দ্রের মোদি সরকার। এদিন চণ্ডীগড়ের মহাত্মা গান্ধী স্টেট ইনস্টিটিউট অব পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে আন্দোলনকারী কৃষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজসিং চৌহান এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশি।
জানা যাচ্ছে যে, এদিন বৈঠক শুরুর আগে অনশনরত প্রবীণ কৃষক নেতা জগজিৎসিং দাল্লেওয়ালের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন শিবরাজ। তাঁকে অনশন তুলে নেওয়ার অনুরোধও জানান। শারীরিক অসুস্থতা নিয়েই শনিবারের বৈঠকে হাজির ছিলেন দাল্লেওয়াল।
জানা যাচ্ছে যে, এদিন বৈঠক শুরুর আগে অনশনরত প্রবীণ কৃষক নেতা জগজিৎসিং দাল্লেওয়ালের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন শিবরাজ। তাঁকে অনশন তুলে নেওয়ার অনুরোধও জানান। শারীরিক অসুস্থতা নিয়েই শনিবারের বৈঠকে হাজির ছিলেন দাল্লেওয়াল।



