সংবাদদাতা, চোপড়া: চোপড়া ব্লকের আটটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকার কোথাও আগুন লাগলে ইসলামপুর থেকে দমকলের ইঞ্জিন পৌঁছনোর আগেই সব পুড়ে শেষ হয়ে যাচ্ছে। এই সমস্যা দূর করতে কয়েক দশক ধরে এলাকায় একটি দমকল কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি উঠেছিল। অবশেষে চোপড়া কলেজ সংলগ্ন দিঘিটোলা এলাকায় জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার দমকল বিভাগের ডিভিশনাল আধিকারিক শিবানন্দ বর্মন, চোপড়ার বিডিও সমীর মণ্ডল, স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান জিয়ারুল রহমান সহ অন্যরা জায়গা পরিদর্শন করেন। শিবানন্দ বলেন, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল দমকল কেন্দ্রের। উচ্চ আধিকারিকদের নির্দেশে এদিন এলাকায় এসে জমি দেখা হয়েছে। ব্লক ভূমি দপ্তর জমি হস্তান্তর করলে দ্রুত কাজ শুরু হবে।
Advertisement
দাসপাড়া, ঘিরনিগাঁও, সোনাপুর, হাপতিয়াগছ, লক্ষ্মীপুর সহ আটটি গ্রাম পঞ্চায়েত অঞ্চলে কোথাও আগুন লাগলে ভরসা বলতে একমাত্র ইসলামপুর অগ্নিনির্বাপণ কেন্দ্র। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ইসলামপুর থেকে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরের কোনও গ্রামে আগুন লাগলে দমকলের গাড়ি পৌঁছনোর আগেই সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তাই যতদিন দমকল কেন্দ্র না হয়, আপাতত চোপড়ায় একটি ইঞ্জিন রাখার দাবি উঠেছে। বিডিও বলেন, দমকল কেন্দ্র হলে চোপড়াবাসী অনেক উপকৃত হবেন। দ্রুত কাজ শুরু হবে।
চোপড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি ফজলুল হক বলেন, কয়েক বছর আগে চোপড়া কলেজ সংলগ্ন দিঘিটোলা এলাকায় ও দাসপাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে জমি চিহ্নিত করা হয়েছিল। এদিন বিভাগীয় আধিকারিকরা দিঘিটোলা এলাকায় জমি পরিদর্শন করেছেন। আশা করছি দ্রুত কাজ শুরু হবে।
চোপড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি ফজলুল হক বলেন, কয়েক বছর আগে চোপড়া কলেজ সংলগ্ন দিঘিটোলা এলাকায় ও দাসপাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে জমি চিহ্নিত করা হয়েছিল। এদিন বিভাগীয় আধিকারিকরা দিঘিটোলা এলাকায় জমি পরিদর্শন করেছেন। আশা করছি দ্রুত কাজ শুরু হবে।



