সংবাদদাতা, চোপড়া: বালি পাচার রুখতে মরিয়া পুলিস ও প্রশাসন। গত এক সপ্তাহে বালির গাড়ি সহ সাতজন পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে চোপড়া থানার পুলিস। গত মঙ্গলবার রাতে ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে যৌথ অভিযানে নামে পুলিস। দু’টি বালি বোঝাই গাড়ি ও দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চোপড়া থানার আইসি সুরজ থাপা জানিয়েছেন, বালি পাচার রুখতে নিয়মিত অভিযান চলছে।
Advertisement
চোপড়া থানা এলাকায় ডোক, ভেরসা সহ বিভিন্ন নদীতে দীর্ঘদিন বালি তোলার অভিযোগ উঠছিল। মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের নারায়ণপুর সহ ব্লকের একাধিক ঘাটে অভিযান চালিয়ে বালি তোলার মেশিন সহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি বাজেয়াপ্ত করে পুলিস। প্রতিটি ঘাটে চলছে নিয়মিত নজরদারি। এলাকায় কোথাও বালি তোলার খবর পেলেই পুলিস অভিযানে যাচ্ছে। তবে, স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, পুলিস নিয়মিত অভিযান চালালে বালির অবৈধ কারবার বন্ধ করা যেত। কিন্তু উপরমহলের নির্দেশ না এলে হানা দেওয়া হয় না। চোপড়ার বিএলএলআরও ললিত রাজ থাপা বলছেন, ব্লকে বৈধ ঘাট রয়েছে মাত্র দু’টি। কিছু অবৈধ ঘাট থেকে বালি তোলার খবর আসছে। সেগুলিতে নিয়মিত অভিযান চলছে। এব্যাপারে পুলিসের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রের খবর, মাঝিয়ালি, নারায়ণপুর, ডাকুয়াগছ, বৈশাগুগছ ও বেরং ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে নদীর অস্তিত্বই সংকটে। পুলিস সতর্ক করে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করছে। পঞ্চায়েত ও গ্রামবাসীদের কাছ থেকেও সাহায্য চাইছে প্রশাসন। তাঁদের বারবার বলা হচ্ছে বালি চুরি হচ্ছে দেখলে দ্রুত যেন পুলিসকে খবর দেন।
স্থানীয় সূত্রের খবর, মাঝিয়ালি, নারায়ণপুর, ডাকুয়াগছ, বৈশাগুগছ ও বেরং ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে নদীর অস্তিত্বই সংকটে। পুলিস সতর্ক করে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করছে। পঞ্চায়েত ও গ্রামবাসীদের কাছ থেকেও সাহায্য চাইছে প্রশাসন। তাঁদের বারবার বলা হচ্ছে বালি চুরি হচ্ছে দেখলে দ্রুত যেন পুলিসকে খবর দেন।



