Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

চন্দ্রপাড়া হাসপাতালে বেড সহ অন্তর্বিভাগ চালু করার দাবি

চন্দ্রপাড়া হাসপাতালে বেড সহ অন্তর্বিভাগ চালু করার দাবি
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, চাঁচল: আগে অন্তর্বিভাগ পরিষেবা চালু ছিল। দুই দশক ধরে সেই পরিষেবা বন্ধ চন্দ্রপাড়া হাসপাতালে। এখন মাত্র একজন ডাক্তার বর্হিবিভাগে রোগী দেখেন।  
Advertisement
হাসপাতালে বন্ধ হয়ে যাওয়া অন্তর্বিভাগ পরিষেবা চালুর দাবি উঠেছে মালদহের চাঁচল ২ ব্লকের মহানন্দা নদী তীরবর্তী চন্দ্রপাড়া অঞ্চলে। স্থানীয়রা জানান, একসময় সেখানে বেড ছিল। সেইমতো চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী ছিলেন। রাতদিন চিকিৎসা পরিষেবা পেতেন বাসিন্দারা। বহু বছর ধরে সেই পরিষেবা বন্ধ থাকায় বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে হাসপাতাল ভবন। খসে পড়েছে দেওয়ালের পলেস্তারা। ঝোপজঙ্গলে ঢেকেছে গোটা চত্বর। 
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চন্দ্রপাড়া বাঁধরোডের অদূরে সাতের দশকে হাসপাতালটি তৈরি হয়। সেখানে ৬ টি বেডে দিনরাত চিকিৎসা পরিষেবা পেতেন রামপুর, বলরামপুর, জানিপুর, বাহারাবাদ, খানপুর, যদুপুর ও নওদাপাড়ার মানুষ। মহানন্দা নদীর ওপারে উত্তর দিনাজপুর থেকেও কয়েকটি গ্রামের মানুষ চিকিৎসা করাতে আসতেন সেখানে। বহু আগে ভয়াবহ বন্যা হওয়ার পর হাসপাতালের অন্তর্বিভাগ পরিষেবা একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। যা এখনও চালু হয়নি।
এলাকার বাসিন্দা এমাদুর রহমান, আমির সোহেলরা বলেন, এখানে আগে জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা মিলত। এখন যেতে হয় অনেক দূরে, চাঁচল বা মালতীপুরে। চন্দ্রপাড়া হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান মহম্মদ জিন্নাহ আলি বলেন, এলাকাটি নদী তীরবর্তী। প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষকে উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা নিতে ছুটতে হয় বহুদূরে। হাসপাতালটি যাতে পুরনো ছন্দে ফিরে আসে, এনিয়ে প্রশাসনিক ও স্বাস্থ্য দপ্তরে জানিয়েছি। কিন্তু কোনও সদুত্তর মিলছে না। মালদহের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ্ত ভাদুড়ী বলেন, সেখানে বহির্বিভাগে একজন চিকিৎসক বসেন। বেড সহ অন্তর্বিভাগ ফের চালুর বিষয়টি ওপরমহলে জানাবো। মালতীপুরের বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সি বলেন, মানুষ যাতে সেখানে জরুরি পরিষেবা ও শয্যায় থেকে চিকিৎসা পরিষেবা পান তা নিয়ে স্বাস্থ্যভবনে আবেদন করব।
সম্পর্কিত সংবাদ