সংবাদদাতা, ঘাটাল: চন্দ্রকোণা-২ ব্লকের ভগবন্তপুর পঞ্চায়েতের কেশাডাল গ্রামে নদীভাঙন পরিদর্শন করলেন বিডিও এবং জনপ্রতিনিধিরা। শনিবার তাঁরা সেখানকার বাঁধ পরিদর্শনের পর ভাঙন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। অবিলম্বে বাঁধ সংস্কারের জন্য সেচদপ্তরের সঙ্গে আলোচনার আশ্বাসও দেন। বিডিও উৎপল পাইক বলেন, সত্যিই বাঁধে ক্রমশ ভাঙনের ফলে রাস্তা নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।
Advertisement
কেশাডাল গ্রামের মাঝ দিয়ে শিলাবতী নদী বয়ে গিয়েছে। সেই নদী দিনের পর দিন বাঁধ ভেঙে এগিয়ে আসতে থাকায় এলাকার লোকজন আতঙ্কিত। ভাঙনের জেরে বাঁধের রাস্তার অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। স্থানীয়রা বারবার সমস্যা মেটাতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন।
এদিন বিডিও ছাড়াও ভগবন্তপুর-২ পঞ্চায়েতের প্রধান দয়াল লোহার, উপপ্রধান মনাজুর মোল্লা বাঁধ পরিদর্শন করেন। স্থানীয়রা তাঁদের কাছে বাঁধ সংস্কারের জন্য কাতর অনুরোধ করেন। রাস্তা হারানোর ফলে ওই এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। প্রশাসন বহু বছর ধরে কোটি টাকা ব্যয়ে কাঠের পিলার দিয়ে বাঁধ মেরামতের চেষ্টা করছে। স্থানীয় বাসিন্দা সরোজ বারিক, চিত্তরঞ্জন মাজি, দিলীপ মাইতি জানান, নদীর যে আগ্রাসী রূপ, তাতে ওভাবে বাঁধ সংস্কার করে ভাঙন রোখা সম্ভব হবে না। কংক্রিটের সাহায্যে স্থায়ী বাঁধ তৈরি করলে সমস্যা মিটবে। প্রশাসন সুপরিকল্পিতভাবে ভাঙন রোখার কাজ শুরু না করলে প্রায় ২০০ ঘরবাড়ি নদীগর্ভে চলে যাবে।
এদিন বিডিও ছাড়াও ভগবন্তপুর-২ পঞ্চায়েতের প্রধান দয়াল লোহার, উপপ্রধান মনাজুর মোল্লা বাঁধ পরিদর্শন করেন। স্থানীয়রা তাঁদের কাছে বাঁধ সংস্কারের জন্য কাতর অনুরোধ করেন। রাস্তা হারানোর ফলে ওই এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। প্রশাসন বহু বছর ধরে কোটি টাকা ব্যয়ে কাঠের পিলার দিয়ে বাঁধ মেরামতের চেষ্টা করছে। স্থানীয় বাসিন্দা সরোজ বারিক, চিত্তরঞ্জন মাজি, দিলীপ মাইতি জানান, নদীর যে আগ্রাসী রূপ, তাতে ওভাবে বাঁধ সংস্কার করে ভাঙন রোখা সম্ভব হবে না। কংক্রিটের সাহায্যে স্থায়ী বাঁধ তৈরি করলে সমস্যা মিটবে। প্রশাসন সুপরিকল্পিতভাবে ভাঙন রোখার কাজ শুরু না করলে প্রায় ২০০ ঘরবাড়ি নদীগর্ভে চলে যাবে।



