সংবাদদাতা, ঘাটাল: চন্দ্রকোণা-১ ব্লকের হলাঘাটে তৈরি সেতুর গুণগত মান ‘ঠিকঠাকই’ রয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে সেতু পরিদর্শন শেষে এমনই মন্তব্য করলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নির্মল ঘোষ। তিনি বলেন, গুণগত মান নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর আমি এবং এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার হলাঘাটের সেতু পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। ওখানে সেতুর কাজে কোনও আপস করা হয়নি। নিয়ম মেনেই সেতু তৈরি হচ্ছে। আসলে এলাকার বাসিন্দারা ভুলভাবে পরিচালিত হয়ে অভিযোগ তুলেছিলেন। বিষয়টি তাঁদের বোঝানো হয়েছে।চন্দ্রকোণা-১ ব্লকের বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা বহুদিন ধরে নদী পেরোনোর জন্য বাঁশের সাঁকোর উপর নির্ভর করতেন। বাম আমল থেকে সেতু তৈরির দাবি উঠলেও তা পূরণ হয়নি। অবশেষে তৃণমূল আমলে রাজ্য সরকার কয়েক কোটি টাকায় সেতু তৈরি শুরু করে। সেতুর কাজ শুরু হলেও পরে অ্যাপ্রোচ রোডের জন্য জমি পাওয়া নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা পরিষদের উদ্যোগে সেই সমস্যার সমাধান করা হয়। ২০২৩ সালের ১৮ নভেম্বর থেকে হলাঘাটে শিলাবতী নদীর উপর কংক্রিটের সেতু তৈরি জোরকদমে চলতে থাকে।এই সেতুর দৈর্ঘ্য ৯৯ মিটার ৮৪ সেন্টিমিটার। চওড়ায় প্রায় আট মিটার। শুধু সেতুটি তৈরির জন্য ১৪ কোটি ১২ লক্ষ ৬৭ হাজার ৪৩টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। অ্যাপ্রোচ রোডের জমি কেনার জন্য প্রায় ১ কোটি ৭৫লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে নির্মলবাবু জানান। ২০২৬ সালের ৬ মে’র মধ্যে সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু চলতি মাসের প্রথমদিকে নিয়ম না মেনে কাজ, ঢালাইয়ের পর লোহার রড বেরিয়ে থাকা-এমন অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা সেতুর সামনে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার হচ্ছে। ফলে সেতু কতদিন স্থায়ী হবে-তা নিয়ে তাঁরা সন্দেহ প্রকাশ করেন।



