সংবাদদাতা, ঘাটাল: ফেসবুকে পরিচয় থেকে প্রেম হয়েছিল। সরস্বতী পুজো দেখার নাম করে বেরিয়ে মন্দিরে গোপনে বিয়ে সেরে সোজা প্রেমিকের বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিল নবম শ্রেণির ছাত্রী। খবর পেয়ে মঙ্গলবার ভোরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়। চন্দ্রকোণা থানার বালা গ্রামে এঘটনা ঘটেছে।
Advertisement
বালা গ্রামের এক নাবালকের সঙ্গে ঘাটালের নতুক গ্রামের ওই নাবালিকার এক বছর আগে ফেসবুকে পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় প্রেমের রূপ নেয়। অবশেষে সরস্বতী পুজোর দিন সুযোগ বুঝে দু’জনই বাড়ি থেকে বেরিয়ে মন্দিরে বিয়ে সেরে ফেলে। কিন্তু বিষয়টি বেশিক্ষণ গোপন থাকেনি। সোমবার রাতেই চন্দ্রকোণা-২ এর বিডিও উৎপল পাইকের কাছে পুরো ঘটনার খবর পৌঁছয়। প্রশাসনের তৎপরতায় মঙ্গলবার ভোরে ব্লক প্রশাসনের কর্তারা বালা গ্রামে পৌঁছে যান। প্রেমিক-প্রেমিকা দু’জনকেই উদ্ধার করে বিডিও অফিসে নিয়ে আসা হয়।
পাত্র ও পাত্রী উভয়েই নাবালক হওয়ায় প্রশাসনের তরফে তাদের পরিবারের সদস্যদের ডাকা হয়। মেয়ের পরিবার জানায়, সারা রাত ধরে বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেও তারা মেয়ের খোঁজ পায়নি। পরে প্রশাসনের থেকেই পুরো বিষয়টি জানতে পারে। বিডিও বলেন, আইন অনুযায়ী নাবালক-নাবালিকার বিয়ে বৈধ নয়। এই বিষয়টি বুঝিয়ে দু’পক্ষের অভিভাবকদের মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
পাত্র ও পাত্রী উভয়েই নাবালক হওয়ায় প্রশাসনের তরফে তাদের পরিবারের সদস্যদের ডাকা হয়। মেয়ের পরিবার জানায়, সারা রাত ধরে বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেও তারা মেয়ের খোঁজ পায়নি। পরে প্রশাসনের থেকেই পুরো বিষয়টি জানতে পারে। বিডিও বলেন, আইন অনুযায়ী নাবালক-নাবালিকার বিয়ে বৈধ নয়। এই বিষয়টি বুঝিয়ে দু’পক্ষের অভিভাবকদের মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।



