সংবাদদাতা, ঘাটাল: চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালের আউটডোরে শৌচাগার চালুর দাবিতে রোগীর আত্মীয়রা সরব হয়েছেন। ওই হাসপাতালের বর্হিবিভাগে একটি আধুনিক শৌচাগার তৈরি হয়ে পড়ে আছে। কোনও অজানা কারণে সেটি চালু হয়নি।
Advertisement
ওই হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার পার্থসারথী শিট বলেন, এখানে পুরসভার উদ্যোগে একটি শৌচাগার তৈরি হয়েছে। সেটা হাসপাতালকে হস্তান্তর করলেই সমস্যা মিটে যাবে। চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালে ৬০টি শয্যা রয়েছে। বর্হিবিভাগে প্রচুর রোগী হয়। প্রতিদিন চন্দ্রকোণা শহর ছাড়াও চন্দ্রকোণা-২ এবং গড়বেতা ব্লকের পাঁচশোর বেশি মানুষ এই হাসপাতালে পরিষেবা নেন। চন্দ্রকোণা শহরের বাসিন্দা তনয় সাউ, বান্দিপুরের বাসিন্দা মিলন মণ্ডলরা জানান, বহির্বিভাগে শৌচাগার চালু না হওয়ায় রোগীর আত্মীয়দের অনেকে যেখানে সেখানে প্রস্রাব করছেন। এতে হাসপাতালের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
কয়েক বছর আগে মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্পে লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে হাসপাতাল চত্বরে শৌচাগারটি তৈরি হয়েছিল। সেখানে পুরুষ ও মহিলাদের আলাদা শৌচাগার, স্নানের ব্যবস্থা, মহিলাদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহের ব্যবস্থাও রয়েছে। কিন্তু নির্মাণকাজ শেষ হলেও শৌচাগারটি এখনও চালু হয়নি।
রোগীর আত্মীয় সামসুর মল্লিক বলেন, আমরা এখানে রোগী নিয়ে এলে শৌচাগারের অভাবে সমস্যায় পড়ি। তৈরি হয়ে গেলেও শৌচাগারটি কেন চালু করা হচ্ছে না-তা বুঝতে পারছি না।চন্দ্রকোণা পুরসভার চেয়ারম্যান প্রতিমা পাত্র বলেন, রোগীর আত্মীয় ও সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে আধুনিক শৌচাগার তৈরি হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তাড়াতাড়ি শৌচাগারটি চালু করা হবে।
কয়েক বছর আগে মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্পে লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে হাসপাতাল চত্বরে শৌচাগারটি তৈরি হয়েছিল। সেখানে পুরুষ ও মহিলাদের আলাদা শৌচাগার, স্নানের ব্যবস্থা, মহিলাদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহের ব্যবস্থাও রয়েছে। কিন্তু নির্মাণকাজ শেষ হলেও শৌচাগারটি এখনও চালু হয়নি।
রোগীর আত্মীয় সামসুর মল্লিক বলেন, আমরা এখানে রোগী নিয়ে এলে শৌচাগারের অভাবে সমস্যায় পড়ি। তৈরি হয়ে গেলেও শৌচাগারটি কেন চালু করা হচ্ছে না-তা বুঝতে পারছি না।চন্দ্রকোণা পুরসভার চেয়ারম্যান প্রতিমা পাত্র বলেন, রোগীর আত্মীয় ও সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে আধুনিক শৌচাগার তৈরি হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তাড়াতাড়ি শৌচাগারটি চালু করা হবে।



