নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: চাকরি পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে প্রথমে নথি জোগাড়। তারপর সেই নথি দিয়ে চণ্ডীপুরে দু’টি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলে মাত্র ১৫দিনে ৩০লক্ষ টাকার লেনদেন করা হয়েছে। যাঁর নামে অ্যাকাউন্ট খুলে রহস্যজনক লেনদেন করা হয়েছে সেই সুজিতকুমার শীটও এই ঘটনায় হতবাক। নন্দীগ্রাম থানার রেয়াপাড়ায়র যুবক সুজিতবাবু ২৮নভেম্বর, বৃহস্পতিবার থানায় এফআইআর করেছেন। দু’টি ব্যাঙ্কের মধ্যে একটিতে ২৫লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে। অ্যাকাউন্ট খোলার ১৫দিনের মধ্যে বিপুল টাকা লেনদেন হওয়ায় ব্যাঙ্ক কর্মীরা সুজিতের বাড়িতে পৌঁছে যান। তাঁদের কাছে বিপুল লেনদেনের খবর শুনে সুজিতবাবু আকাশ থেকে পড়েন।
Advertisement
আইটিআই পাশ করার পর সুজিত চাকরির সন্ধান করছিলেন। তাঁর বাবা গাড়ি চালান। মাস ছয়েক আগে রেয়াপাড়ায় চায়ের দোকানে চণ্ডীপুর থানার নন্দপুর গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয়। ওই যুবক একটি কোম্পানিতে কাজ করে বলে জানায়। সুজিত একটা কাজের ব্যবস্থা করে দিতে বললে ওই যুবক তার নিজের কোম্পানিতেই কাজ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। তারজন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে বলে জানায়। পাশাপাশি সুজিতের শিক্ষাগত যোগ্যতার যাবতীয় নথি, ভোটার, আধার, প্যান এবং কয়েকটি পাসপোর্ট ছবি নেয়। ওইসব নথি দিয়ে অনলাইনে চণ্ডীপুরে দু’টি বেসরকারি ব্যাঙ্কে সুজিতের নামে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। ওই যুবক বলেন, বেতন এবং যাতায়াতের জন্য কোম্পানি অ্যাডভান্স টাকা দেবে। সেই টাকা অর্ধেক করে ভাগাভাগি হবে। ১নভেম্বর ওই যুবক রেয়াপাড়ায় সুজিতের বাড়িতে জানায়, তাঁর চাকরি পাকা এবং অ্যাকাউন্টে অ্যাডভান্স টাকাও চলে এসেছে। তারপরই সুজিতের দু’টি পাসবই, এটিএম কার্ড এবং অ্যাকাউন্টে যুক্ত থাকা মোবাইল নম্বরের সিমকার্ডটি চায়। সুজিত দিতে অস্বীকার করলে যুবক ক্ষতিপূরণ বাবাদ আট হাজার টাকা দাবি করে। তখন বাধ্য হয়ে সুজিত সমস্ত নথি তাকে দিয়ে দেন।
১৫নভেম্বর চণ্ডীপুর শাখার একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের তিনজন কর্মী সুজিতের বাড়িতে যান। তাঁরা জানান, সুজিতের অ্যাকাউন্টে মাত্র ১৫দিনে ২৫লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে। অ্যাকাউন্টে আরও ১০লক্ষ টাকা রয়েছে। ওই কথা শুনে সুজিত চমকে যান। তিনি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার আবেদন করেন। পাশাপাশি ডুপ্লিকেট সিম কার্ড তুলে এটিএম কার্ড ব্লক করে দেন। অন্য আরও একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। সেই ব্যাঙ্কে গিয়ে সুজিত জানতে পারেন, ১৫দিনে পাঁচ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে। সেই অ্যাকাউন্ট এবং এটিএম কার্ডও বন্ধ করা হয়।
সুজিত বলেন, আমাকে চাকরির টোপ দিয়ে নথিপত্র হাতিয়ে আমার নামে অ্যাকাউন্ট খুলে ভূতুড়ে লেনদেন হয়েছে। আমি বিষয়টি জানার পরই নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ করেছি। নন্দীগ্রাম থানার আইসি অনুপম মণ্ডল বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। সেইমতো তদন্ত শুরু হয়েছে।
১৫নভেম্বর চণ্ডীপুর শাখার একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের তিনজন কর্মী সুজিতের বাড়িতে যান। তাঁরা জানান, সুজিতের অ্যাকাউন্টে মাত্র ১৫দিনে ২৫লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে। অ্যাকাউন্টে আরও ১০লক্ষ টাকা রয়েছে। ওই কথা শুনে সুজিত চমকে যান। তিনি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার আবেদন করেন। পাশাপাশি ডুপ্লিকেট সিম কার্ড তুলে এটিএম কার্ড ব্লক করে দেন। অন্য আরও একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। সেই ব্যাঙ্কে গিয়ে সুজিত জানতে পারেন, ১৫দিনে পাঁচ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে। সেই অ্যাকাউন্ট এবং এটিএম কার্ডও বন্ধ করা হয়।
সুজিত বলেন, আমাকে চাকরির টোপ দিয়ে নথিপত্র হাতিয়ে আমার নামে অ্যাকাউন্ট খুলে ভূতুড়ে লেনদেন হয়েছে। আমি বিষয়টি জানার পরই নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ করেছি। নন্দীগ্রাম থানার আইসি অনুপম মণ্ডল বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। সেইমতো তদন্ত শুরু হয়েছে।



