নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: নিজেদের এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে সেচদপ্তরের ক্যানেলের উপর বেআইনিভাবে সাঁকো তৈরির অনুমতি দিল চণ্ডীপুরের বৃন্দাবনপুর-২ পঞ্চায়েত। সেই অনুমতি নিয়ে এক ব্যবসায়ী ক্যানেলের উপর কংক্রিটের পিলার তুলে সাঁকো বানানোর কাজ শুরু করতেই নোটিস পাঠাল সেচদপ্তর। নির্মাণকাজ বন্ধ করার পাশাপাশি ১৫দিনের মধ্যে সমস্ত সামগ্রী সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা না হলে আইনি পদক্ষেপ নেবে সেচদপ্তর। ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত বৃন্দাবনপুর-২ পঞ্চায়েতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কোন শর্তে পঞ্চায়েত এভাবে সেচদপ্তরের জায়গায় বেআইনি নির্মাণ গড়তে লিখিত অনুমতি দিল তা প্রকাশ্যে আনার দাবি তুলেছেন এলাকার বাসিন্দারা।
Advertisement
চণ্ডীপুর বাজার সহ বিস্তীর্ণ এলাকার নিকাশি নির্ভর করে মগরাজপুর খালের উপর। একসময় মগরাজপুর খালে জোয়ার ভাটা হতো। হলদি নদীর জোয়ারের জল মগরাজপুরে খালে বইত। অথচ, এখন সেই খাল কচুরিপানায় ভর্তি। দীর্ঘদিন পরিষ্কার না হওয়ায় ওই খাল মজে গিয়েছে। এরফলে ফি-বছর বর্ষায় চণ্ডীপুর বৃন্দাবনপুর-১ ও ২ পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়। সেই মগরাজপুর খালের উপর যথেচ্ছভাবে সাঁকো তৈরি হচ্ছে। ১১৬বি জাতীয় সড়ক থেকে পারাপারের জন্য যত্রতত্র সাঁকো তৈরি হচ্ছে। অদ্ভুতভাবে বিজেপি পরিচালিত বৃন্দাবনপুর-১ পঞ্চায়েত ও তৃণমূল পরিচালিত বৃন্দাবনপুর-২ পঞ্চায়েত ওই খালের উপর সাঁকো তৈরির জন্য ডাক্তার, ব্যবসায়ী এবং প্রোমোটারদের লিখিত অনুমতি দিচ্ছে।
বৃন্দাবনপুর-২ পঞ্চায়েতের প্রধান সম্প্রতি সোহন সাউ নামে কয়ালচকের এক ব্যবসায়ীকে মগরাজপুর ক্যানেলের উপর কংক্রিটের সাঁকো তৈরির লিখিত অনুমতি দিয়েছে। সেই অনুমতিপত্র নিয়ে একেবারে জাতীয় সড়কের গা ঘেঁষে কংক্রিটের পিলার তুলে সাঁকো তৈরির কাজ শুরু করেছেন ওই ব্যবসায়ী। বিষয়টি জানাজানি হতেই এনএইচ কর্তৃপক্ষ নোটিস দিয়েছে। একইসঙ্গে সেচদপ্তরের ইটামগরা সাব ডিভিশন অফিসের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার ওই ব্যবসায়ীকে নোটিস দিয়েছেন। নির্মাণকাজ বন্ধ করার পাশাপাশি ১৫দিনের মধ্যে যাবতীয় সরঞ্জাম সরানোর নির্দেশ দিয়েছে সেচদপ্তর। এই নির্দেশ না মানলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছে সেচদপ্তর।
চণ্ডীপুরের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুপ্রভাত পাত্র বলেন, চণ্ডীপুর বাজার সহ আশপাশের এলাকার নিকাশি নির্ভর করে মগরাজপুর খালের উপর। সেই খালের উপর গ্রাম পঞ্চায়েত যেভাবে বেআইনিভাবে কংক্রিটের সাঁকো তৈরির অনুমতি দিচ্ছে তার রহস্য সামনে আনা উচিত। পঞ্চায়েত কোন অধিকারে সেচদপ্তরের জায়গায় নির্মাণ করতে লিখিত অনুমতি দিচ্ছে? গোটা ঘটনার তদন্তের জন্য বিডিওকে চিঠি দেব।বৃন্দাবনপুর-২ পঞ্চায়েত প্রধান অশোক প্রামাণিক বলেন, ওই এলাকায় খালের উপর একটি কংক্রিটের সাঁকোর দাবি ছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা এনিয়ে দাবি তুলেছিলেন। কয়ালচকের বাসিন্দা সোহন সাউ সেই সাঁকো তৈরি নিয়ে আগ্রহ দেখানোয় আমরা পঞ্চায়েতে রেজ্যুলিউশন করে তাঁকে অনুমতি দিই। তবে, সেচদপ্তরের জায়গায় এভাবে অনুমতি দেওয়া যায় না বলে আমাদের জানা ছিল না। সেচদপ্তর থেকে তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জেনেছি। সোহন সাউ বলেন, পঞ্চায়েত থেকে অনুমতি নিয়ে সাঁকো তৈরির কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু, কাজ শুরু করতেই সেচদপ্তর নোটিস পাঠিয়েছে। ১৫দিনের মধ্যে কাজ বন্ধ করে সরঞ্জাম সরানোর নির্দেশ দিয়েছে।
বৃন্দাবনপুর-২ পঞ্চায়েতের প্রধান সম্প্রতি সোহন সাউ নামে কয়ালচকের এক ব্যবসায়ীকে মগরাজপুর ক্যানেলের উপর কংক্রিটের সাঁকো তৈরির লিখিত অনুমতি দিয়েছে। সেই অনুমতিপত্র নিয়ে একেবারে জাতীয় সড়কের গা ঘেঁষে কংক্রিটের পিলার তুলে সাঁকো তৈরির কাজ শুরু করেছেন ওই ব্যবসায়ী। বিষয়টি জানাজানি হতেই এনএইচ কর্তৃপক্ষ নোটিস দিয়েছে। একইসঙ্গে সেচদপ্তরের ইটামগরা সাব ডিভিশন অফিসের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার ওই ব্যবসায়ীকে নোটিস দিয়েছেন। নির্মাণকাজ বন্ধ করার পাশাপাশি ১৫দিনের মধ্যে যাবতীয় সরঞ্জাম সরানোর নির্দেশ দিয়েছে সেচদপ্তর। এই নির্দেশ না মানলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছে সেচদপ্তর।
চণ্ডীপুরের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুপ্রভাত পাত্র বলেন, চণ্ডীপুর বাজার সহ আশপাশের এলাকার নিকাশি নির্ভর করে মগরাজপুর খালের উপর। সেই খালের উপর গ্রাম পঞ্চায়েত যেভাবে বেআইনিভাবে কংক্রিটের সাঁকো তৈরির অনুমতি দিচ্ছে তার রহস্য সামনে আনা উচিত। পঞ্চায়েত কোন অধিকারে সেচদপ্তরের জায়গায় নির্মাণ করতে লিখিত অনুমতি দিচ্ছে? গোটা ঘটনার তদন্তের জন্য বিডিওকে চিঠি দেব।বৃন্দাবনপুর-২ পঞ্চায়েত প্রধান অশোক প্রামাণিক বলেন, ওই এলাকায় খালের উপর একটি কংক্রিটের সাঁকোর দাবি ছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা এনিয়ে দাবি তুলেছিলেন। কয়ালচকের বাসিন্দা সোহন সাউ সেই সাঁকো তৈরি নিয়ে আগ্রহ দেখানোয় আমরা পঞ্চায়েতে রেজ্যুলিউশন করে তাঁকে অনুমতি দিই। তবে, সেচদপ্তরের জায়গায় এভাবে অনুমতি দেওয়া যায় না বলে আমাদের জানা ছিল না। সেচদপ্তর থেকে তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জেনেছি। সোহন সাউ বলেন, পঞ্চায়েত থেকে অনুমতি নিয়ে সাঁকো তৈরির কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু, কাজ শুরু করতেই সেচদপ্তর নোটিস পাঠিয়েছে। ১৫দিনের মধ্যে কাজ বন্ধ করে সরঞ্জাম সরানোর নির্দেশ দিয়েছে।



