নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো শিখছিলেন এক যুবক। তাঁর সঙ্গীরাও ছিলেন মদ্যপ। তাঁরা নানাভাবে উৎসাহিত করছিলেন। বুধবার ভোরে ওই অবস্থায় গাড়ি চালানোর সময় তেমাথার কাছে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় চন্দননগরের এক প্রবীণ বাসিন্দার। ঘাতক গাড়ির আরোহীদের গ্রেপ্তারের পর সেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কার্যকারণ প্রকাশ্যে এসেছে। চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিস ওই ঘটনায় গাড়ির চালক সহ পাঁচজনকে শুক্রবার গ্রেপ্তার করেছে।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে ধৃতরা সকলেই তরুণ। তাঁদের বাড়ি বারাসতে। তাঁরা হলেন গাড়ির মালিক সনু রুইদাস, চালক সুভাষচন্দ্র ঘোষ, সওয়ারি সুরজিৎ দাস, বিশ্বজিৎ দাস ও গৌতম কুর্মি। ঘটনার আগের রাতে তাঁরা চন্দননগরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন। ভোররাতে মদ্যপ অবস্থায় চারচাকা চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় সাইকেল নিয়ে মানকুণ্ডু স্টেশনে যাচ্ছিলেন ৭৫ বছরের মধুসূদন বঙ্গ। গাড়িটি প্রথমে মধুসূদনবাবুকে ধাক্কা দেয়। তারপর হিঁচড়ে কিছুটা নিয়ে যায়। সেই সময় চাকায় পিষে যান ওই বৃদ্ধ। বৃদ্ধকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলেই পালিয়ে যায় ওই গাড়ি। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও তাঁকে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি। গোটা কাণ্ড ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ধাক্কা দেওয়ার পর চালক গাড়ি থামিয়ে দিলে বৃদ্ধ হয়তো বেঁচে যেতেন। এনিয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করেছিলেন মৃতের স্ত্রী। তদন্তে নেমে পুলিস সিসি ক্যামেরার ছবি দেখে শুক্রবার ভোর রাতে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।
চন্দননগরের পুলিস কমিশনার অমিত জাভালগি বলেন, দুর্ঘটনার সময় যাঁর হাতে স্টিয়ারিং ছিল, তাঁর লাইসেন্স নেই। আমরা অনেক তথ্য পেয়েছি। সেদিনের ঘটনা সবটাই আমাদের কাছে পরিষ্কার। সকলের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো শেখার ইচ্ছা হয়েছিল ওই দলের এক সদস্যের। তিনি চালকের আসনে বসে এলোমেলোভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তাতেই জীবনহানি হয় মধুসূদনবাবুর।
চন্দননগরের পুলিস কমিশনার অমিত জাভালগি বলেন, দুর্ঘটনার সময় যাঁর হাতে স্টিয়ারিং ছিল, তাঁর লাইসেন্স নেই। আমরা অনেক তথ্য পেয়েছি। সেদিনের ঘটনা সবটাই আমাদের কাছে পরিষ্কার। সকলের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো শেখার ইচ্ছা হয়েছিল ওই দলের এক সদস্যের। তিনি চালকের আসনে বসে এলোমেলোভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তাতেই জীবনহানি হয় মধুসূদনবাবুর।



