সংবাদদাতা, তেহট্ট: মঙ্গলবার তেহট্ট থানার বেতাই বাজারে চীনা রসুন বিক্রির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাল রসুন ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ। বিক্ষোভের খবর পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক কুইন্ট্যাল চীনা রসুন বাজেয়াপ্ত করে। সেই চীনা রসুন নিয়ম মেনে এসেছে কি না তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিস।
Advertisement
স্থানীয় সুত্রে জনা গিয়েছে, তেহট্ট শুধু না, গোটা রাজ্যেই ছেয়ে গিয়েছে চীনা রসুন। এই রসুন চীন দেশ থেকে আসে। দেখতে দেশি রসুনের মতো হলেও এর কোয়াগুলো হয় বড় বড়। এই রসুন বাজারে আসার পরে দেশি রসুনের চাহিদা কমে গিয়েছে। দাম দেশি রসুনের চেয়ে অনেক কম হওয়ায় চীনা রসুনের চাহিদা বেশি। এই রসুন খেলে মারণ রোগ ক্যান্সার হতে পারে বলে ধারণা অনেকের।
স্থানীয় রসুন ব্যবসায়ীরা সোমবার বেতাই এলাকায় এই রসুন বিক্রি হতে দেখেন। তাঁরা এদিন সকালে বাজারে এসে এই রসুন বিক্রি করতে নিষেধ করেন। এরপর বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে পুলিস গিয়ে অবস্থা আয়ত্তে আনে।
রসুন ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, চীনা রসুন ভারত সরকার নিষিদ্ধ করেছে। এই রসুন চীনের কারখানার দূষিত জলে তৈরি হয়। ফলে এই রসুনে অনেক ক্ষতিকর জিনিস আছে। সেই সঙ্গে এই রসুন সাধারণত একটু লাল রঙের হয়। সেই লাল রং কাটিয়ে সাদা করার জন্য ক্লোরিন মেশানো হয়। যা শরীরের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক। এই রসুনের দাম অনেক কম। এরফলে দেশি রসুন বিক্রি অনেক কমে গিয়েছে। তাতে এলাকার রসুন চাষিরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। তাঁরা বলেন, আমাদের এই এলাকায় কয়েক হাজার বিঘা জমিতে চাষিরা রসুন চাষ করেন। চীনা রসুনের দাপটে সেই রসুনের বিক্রি বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
রসুন ব্যবসায়ী শঙ্কর বারুই বলেন, ২০১৪ সালে ভারত সরকার এই রসুন নিষিদ্ধ করেছে। কালোবাজারিরা বিভিন্ন ভাবে এই রসুন আমাদের দেশে আনছে। এই রসুন মানুষের শরীরে ক্ষতি করছে। তাছাড়া এই রসুনের জন্য দেশি রসুনের চাষিরা মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অবিলম্বে এই রসুন বন্ধ করার ব্যবস্থা সরকারকে করতে হবে। আমরা রসুন ব্যবসায়ী ও চাষিরা এদিন এই বিক্ষোভ দেখিয়েছি। আমরা চাই এই রসুন খেয়ে মানুষের যাতে আর ক্ষতি না হয়। পুলিস সুত্রে জানা গিয়েছে, চীনা রসুন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই রসুন ভারতে নিষিদ্ধ কি না তা খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে এই রসুন শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর কি না তাও জনার জন্য পরীক্ষা করা হবে।
স্থানীয় রসুন ব্যবসায়ীরা সোমবার বেতাই এলাকায় এই রসুন বিক্রি হতে দেখেন। তাঁরা এদিন সকালে বাজারে এসে এই রসুন বিক্রি করতে নিষেধ করেন। এরপর বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে পুলিস গিয়ে অবস্থা আয়ত্তে আনে।
রসুন ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, চীনা রসুন ভারত সরকার নিষিদ্ধ করেছে। এই রসুন চীনের কারখানার দূষিত জলে তৈরি হয়। ফলে এই রসুনে অনেক ক্ষতিকর জিনিস আছে। সেই সঙ্গে এই রসুন সাধারণত একটু লাল রঙের হয়। সেই লাল রং কাটিয়ে সাদা করার জন্য ক্লোরিন মেশানো হয়। যা শরীরের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক। এই রসুনের দাম অনেক কম। এরফলে দেশি রসুন বিক্রি অনেক কমে গিয়েছে। তাতে এলাকার রসুন চাষিরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। তাঁরা বলেন, আমাদের এই এলাকায় কয়েক হাজার বিঘা জমিতে চাষিরা রসুন চাষ করেন। চীনা রসুনের দাপটে সেই রসুনের বিক্রি বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
রসুন ব্যবসায়ী শঙ্কর বারুই বলেন, ২০১৪ সালে ভারত সরকার এই রসুন নিষিদ্ধ করেছে। কালোবাজারিরা বিভিন্ন ভাবে এই রসুন আমাদের দেশে আনছে। এই রসুন মানুষের শরীরে ক্ষতি করছে। তাছাড়া এই রসুনের জন্য দেশি রসুনের চাষিরা মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অবিলম্বে এই রসুন বন্ধ করার ব্যবস্থা সরকারকে করতে হবে। আমরা রসুন ব্যবসায়ী ও চাষিরা এদিন এই বিক্ষোভ দেখিয়েছি। আমরা চাই এই রসুন খেয়ে মানুষের যাতে আর ক্ষতি না হয়। পুলিস সুত্রে জানা গিয়েছে, চীনা রসুন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই রসুন ভারতে নিষিদ্ধ কি না তা খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে এই রসুন শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর কি না তাও জনার জন্য পরীক্ষা করা হবে।



