সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা-২ ব্লকের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব অব্যাহত। রুইডাঙার গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান এখনও তাঁর চেম্বারেই বসতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে তিনি গ্রামপঞ্চায়েত অফিসে ট্যাক্স কালেক্টরের চেম্বারে বসে কাজকর্ম চালাচ্ছেন।
Advertisement
সম্প্রতি রুইডাঙার প্রধান অশ্বিনী দেবসিংহ বিজেপির সমস্ত দলীয় পদ থেকে পদত্যাগের কথা জানিয়েছিলেন। অভিযোগ, গ্রামপঞ্চায়েত অফিসে তাঁর চেম্বারে দিনের পর দিন তালা লাগানো থাকলেও এনিয়ে দল পদক্ষেপ নেয়নি। এই অভিমানে তিনি দলের সমস্ত পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।
রুইডাঙা গ্রামপঞ্চায়েত দলবদলের পরে তৃণমূলের ১২ ও বিজেপির ১১ জন পঞ্চায়েত সদস্য রয়েছে। প্রধান বিজেপির অশ্বিনী দেবসিংহ। গত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে বিজেপির দখলে থাকা একের পর এক গ্রামপঞ্চায়েতে প্রধানের কার্যালয়ে তালা লাগিয়েছিল তৃণমূল। চাপে পড়ে কয়েকজন প্রধান দলবদলও করে। কিন্তু রুইডাঙার প্রধান অশ্বিনী দেবসিংহ দলবদল করেনি। তার চেম্বারে তালা লাগানোর প্রতিবাদে তিনি ধর্নায়ও বসেছিলেন। প্রশাসন তালা খুলে দিলেও পরবর্তীতে আবার তালা লাগানো হয়। বর্তমানেও তালা লাগানো রয়েছে।
এব্যাপারে অশ্বিনী দেবসিংহ বলেন, আমি অনেকবার নিজে চেষ্টা চালিয়েছি তালা খোলার জন্য। প্রশাসনকে জানানো হলে পুলিস এসে তালা খুলে দিয়েছে। কয়েক ঘণ্টা পর আবার তালা লাগানো হয়েছে। আমি আমার দল বিজেপির নেতৃত্বকে জানিয়েছি। কিন্তু দলীয় নেতৃত্ব পদক্ষেপ নেয়নি। আমি সমস্ত দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দিতে চেয়ে জেলা নেতৃত্বকে জানিয়েছি। যদিও অশ্বিনী দেবসিংহের অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক তথা মাথাভাঙা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবলু বর্মন বলেন, রুইডাঙা গ্রামপঞ্চায়েতে এমনিতে বিজেপি সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছে। শুনেছি প্রধান এখন বিজেপিতেও নেই। ওনার উচিত নৈতিকতা বজায় রাখতে পদত্যাগ করা। নিজের পদ আকড়ে ধরে আমাদের বদনাম করছে।
বিজেপি বিধায়ক সুশীল বর্মন বলেন, আমরা আমাদের প্রধানের পাশেই রয়েছি। তৃণমূল লাগাতার সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনকে জানিয়েও কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
রুইডাঙা গ্রামপঞ্চায়েত দলবদলের পরে তৃণমূলের ১২ ও বিজেপির ১১ জন পঞ্চায়েত সদস্য রয়েছে। প্রধান বিজেপির অশ্বিনী দেবসিংহ। গত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে বিজেপির দখলে থাকা একের পর এক গ্রামপঞ্চায়েতে প্রধানের কার্যালয়ে তালা লাগিয়েছিল তৃণমূল। চাপে পড়ে কয়েকজন প্রধান দলবদলও করে। কিন্তু রুইডাঙার প্রধান অশ্বিনী দেবসিংহ দলবদল করেনি। তার চেম্বারে তালা লাগানোর প্রতিবাদে তিনি ধর্নায়ও বসেছিলেন। প্রশাসন তালা খুলে দিলেও পরবর্তীতে আবার তালা লাগানো হয়। বর্তমানেও তালা লাগানো রয়েছে।
এব্যাপারে অশ্বিনী দেবসিংহ বলেন, আমি অনেকবার নিজে চেষ্টা চালিয়েছি তালা খোলার জন্য। প্রশাসনকে জানানো হলে পুলিস এসে তালা খুলে দিয়েছে। কয়েক ঘণ্টা পর আবার তালা লাগানো হয়েছে। আমি আমার দল বিজেপির নেতৃত্বকে জানিয়েছি। কিন্তু দলীয় নেতৃত্ব পদক্ষেপ নেয়নি। আমি সমস্ত দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দিতে চেয়ে জেলা নেতৃত্বকে জানিয়েছি। যদিও অশ্বিনী দেবসিংহের অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক তথা মাথাভাঙা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবলু বর্মন বলেন, রুইডাঙা গ্রামপঞ্চায়েতে এমনিতে বিজেপি সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছে। শুনেছি প্রধান এখন বিজেপিতেও নেই। ওনার উচিত নৈতিকতা বজায় রাখতে পদত্যাগ করা। নিজের পদ আকড়ে ধরে আমাদের বদনাম করছে।
বিজেপি বিধায়ক সুশীল বর্মন বলেন, আমরা আমাদের প্রধানের পাশেই রয়েছি। তৃণমূল লাগাতার সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনকে জানিয়েও কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।



