সংবাদদাতা, মানকর: চলতি শিক্ষাবর্ষ শেষ হতে চলল। অথচ আউশগ্রামের জামতাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ৩২জন ছাত্রী এখনও সবুজসাথী প্রকল্পের সাইকেল পায়নি। বিষয়টি নিয়ে পড়ুয়া থেকে অভিভাবক সকলেই হতাশ। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চিন্ময় বিশ্বাস বলেন, সাইকেলের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে আবেদনপত্র জমা দিয়েছি।
Advertisement
১৯৬০ সালে নরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় আউশগ্রামের জামতাড়ায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১০ সালে বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় জামতাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ছাড়াও গুসকরার নিকটবর্তী গণপুর ও বর্ধমানের হরিজন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। জামতাড়ায় এসে তিনি ফার্ম তৈরি করেন। আদিবাসী এলাকায় যাতে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে পড়ে সেজন্য তিনি জামতাড়ায় বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। একসময় সাধারণ ও তফসিলি জাতি, উপজাতি পড়ুয়াদের জন্য হস্টেলের বন্দোবস্ত ছিল। কিন্তু সাধারণ ছাত্রদের জন্য থাকা হস্টেলটি দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ। আর করোনার পর থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছে তফসিলি জাতি ও উপজাতি পড়ুয়াদের হস্টেলটিও। বিদ্যালয়ে মোট পড়ুয়ার সংখ্যা ছশোরও বেশি। তার মধ্যে দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রী ৬০জন।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ২৫টি সাইকেল দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে ২২টি সাইকেল ছাত্রদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বাকি তিনটি তিনজন ছাত্রীকে দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন হয়ে গেলেও বকেয়া ৩২টি সাইকেল এখনো আসেনি। ফলে ওই ছাত্রীদের সাইকেল দেওয়া যাচ্ছে না। এই স্কুলের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মেহেবুব আলি বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। এর ফলে পড়ুয়ারা পড়াশোনার প্রতি উৎসাহ হারাবে। প্রায় প্রতিদিনই আমরা অভিভাবকদের তিরস্কারের সম্মুখীন হচ্ছি। অনেক চেষ্টা করেও লাভ হয়নি। ব্লক প্রশাসনের সদর্থক ভূমিকার প্রয়োজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, জামতাড়া, সুয়াতা, প্রতাপপুর এলাকা থেকে পড়ুয়ারা এখানে আসে। আর কয়েকদিন পরেই পরীক্ষা দিয়ে দশম শ্রেণির পড়ুয়ারা বেরিয়ে যাবে। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে ওই ছাত্রীরা বঞ্চিত হল। বিষয়টি নিয়ে আউশগ্রাম-২এর বিডিও চিন্ময় দাস বলেন, বিদ্যালয়ের আবেদনপত্র জেলায় পাঠানো হয়েছে। সাইকেল এলেই দিয়ে দেওয়া হবে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ২৫টি সাইকেল দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে ২২টি সাইকেল ছাত্রদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বাকি তিনটি তিনজন ছাত্রীকে দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন হয়ে গেলেও বকেয়া ৩২টি সাইকেল এখনো আসেনি। ফলে ওই ছাত্রীদের সাইকেল দেওয়া যাচ্ছে না। এই স্কুলের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মেহেবুব আলি বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। এর ফলে পড়ুয়ারা পড়াশোনার প্রতি উৎসাহ হারাবে। প্রায় প্রতিদিনই আমরা অভিভাবকদের তিরস্কারের সম্মুখীন হচ্ছি। অনেক চেষ্টা করেও লাভ হয়নি। ব্লক প্রশাসনের সদর্থক ভূমিকার প্রয়োজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, জামতাড়া, সুয়াতা, প্রতাপপুর এলাকা থেকে পড়ুয়ারা এখানে আসে। আর কয়েকদিন পরেই পরীক্ষা দিয়ে দশম শ্রেণির পড়ুয়ারা বেরিয়ে যাবে। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে ওই ছাত্রীরা বঞ্চিত হল। বিষয়টি নিয়ে আউশগ্রাম-২এর বিডিও চিন্ময় দাস বলেন, বিদ্যালয়ের আবেদনপত্র জেলায় পাঠানো হয়েছে। সাইকেল এলেই দিয়ে দেওয়া হবে।



