সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: চলতি অর্থবর্ষে এখনও পর্যন্ত পুরুলিয়া জেলায় স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে প্রায় ৪২ কোটি টাকারও বেশি চিকিৎসা পরিষেবা পেয়েছেন বাসিন্দারা। পুরুলিয়া জেলা ছাড়াও রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তে নামীদামি নার্সিংহোমে গিয়েও স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসা করিয়েছেন বাসিন্দারা। তবে জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি টাকার পরিষেবা পেয়েছেন কাশীপুর ব্লকের বাসিন্দারা। পুরুলিয়া জেলা প্রশাসনের স্বাস্থ্যসাথী বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়া জেলাতে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড রয়েছে সাত লক্ষ ৬৯ হাজার ৮৬৯ জনের। চলতি অর্থবর্ষে এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন প্রায় ৩১ হাজার ৯০৪ জন বাসিন্দা। এই প্রকল্পে জেলার বাসিন্দাদের জন্য চলতি অর্থবর্ষে এখনও পর্যন্ত মোট প্রায় ৪২ কোটি ৭৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা খরচ করেছে রাজ্য সরকার।
Advertisement
আরও জানা গিয়েছে, গোটা জেলার মধ্যে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে সবচেয়ে বেশি টাকার সুবিধা পেয়েছেন কাশীপুর ব্লকের বাসিন্দারা। শুধুমাত্র ওই ব্লকের বাসিন্দাদের জন্যই রাজ্য সরকার চলতি অর্থবর্ষে এই প্রকল্পে প্রায় ৩.৪ কোটি টাকা খরচ করেছে। অন্যদিকে সবচেয়ে কম খরচ হয়েছে ঝালদা পুরসভা এলাকার বাসিন্দাদের জন্য। প্রায় ৪৪ লক্ষ টাকা। তবে ওই পুরসভা এলাকায় জনসংখ্যা এবং স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সংখ্যাও অনেকটাই কম। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়া জেলাতে মোট ২৫টি বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের পরিষেবা দেওয়ার অনুমোদন রয়েছে। যদি ওই বেসরকারি নার্সিংহোমগুলির মধ্যে প্রায় ১০টি নার্সিংহোমে বর্তমানে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না। ওই বেসরকারি নার্সিংহোমগুলির কেউ লাইসেন্স রিনিউ করেনি, কেউ আবার স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের পরিষেবা দিতে চান না। কারও আবার নার্সিংহোম বন্ধ হয়ে রয়েছে।
তবে জেলা জুড়ে ৯টি প্রাইভেট নার্সিংহোম থেকে বাসিন্দারা প্রতিনিয়ত এই প্রকল্পের পরিষেবা পেয়ে থাকেন। আরও প্রায় পাঁচটি বেসরকারি নার্সিংহোমে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে চিকিৎসার অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য সরকার। যদিও ওই নার্সিং হোমগুলিতে এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্পের পরিষেবা শুরু হয়নি। তবে খুব তাড়াতাড়ি ওই বেসরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলি থেকেও স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে পরিষেবা পাওয়া যাবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের এক আধিকারিক জানান, পুরুলিয়া জেলা ছাড়াও এই জেলার বহু বাসিন্দা কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের বড় নার্সিংহোমগুলিতেও খুব সহজেই স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন। তবে ভিন রাজ্যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ার জন্য জেলা থেকে আর অনুমোদন পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে রাজ্যের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়।
তবে জেলা জুড়ে ৯টি প্রাইভেট নার্সিংহোম থেকে বাসিন্দারা প্রতিনিয়ত এই প্রকল্পের পরিষেবা পেয়ে থাকেন। আরও প্রায় পাঁচটি বেসরকারি নার্সিংহোমে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে চিকিৎসার অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য সরকার। যদিও ওই নার্সিং হোমগুলিতে এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্পের পরিষেবা শুরু হয়নি। তবে খুব তাড়াতাড়ি ওই বেসরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলি থেকেও স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে পরিষেবা পাওয়া যাবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের এক আধিকারিক জানান, পুরুলিয়া জেলা ছাড়াও এই জেলার বহু বাসিন্দা কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের বড় নার্সিংহোমগুলিতেও খুব সহজেই স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন। তবে ভিন রাজ্যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ার জন্য জেলা থেকে আর অনুমোদন পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে রাজ্যের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়।



