নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: চলতি মাসেই জলপাইগুড়ি জেলায় ৫০ শতাংশ বাড়িতে পৌঁছে দিতে হবে পরিস্রুত পানীয় জল। শুক্রবার জলপাইগুড়িতে দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে এমনই নির্দেশ দিলেন রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী পুলক রায়। যেসমস্ত জায়গায় পানীয় জলের উৎস নিয়ে সমস্যা হচ্ছে, সেখানে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা করতে বলেছেন তিনি। একই সঙ্গে সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যত্রতত্র যেসমস্ত জলের প্ল্যান্ট চলছে, সেগুলির বিরুদ্ধে রাজ্য দ্রুত পদক্ষেপ করবে বলে এদিন জানিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, নিয়ম নীতি না মেনে যদি যেখানে সেখানে জলের প্ল্যান্ট হয়, ব্যবস্থা তো নিতেই হবে।
Advertisement
দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলার পিএইচই’র আধিকারিকদের নিয়ে এদিন পর্যালোচনা বৈঠক করেন পুলকবাবু। কোথায় কী কাজ হয়েছে তা নিয়ে রিপোর্ট তলবের পাশাপাশি যেসমস্ত কাজে গতি কম, সেখানে দ্রুত কাজ শেষের নির্দেশ দেন। মানুষের বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার কাজে কোনওভাবেই দীর্ঘসূত্রিতা বরদাস্ত করা হবে না। পরে মন্ত্রী বলেন, জলপাইগুড়ি জেলায় ৪ লক্ষ ৩৬ হাজার ১৮৮টি বাড়ির মধ্যে ২ লক্ষ ৮ হাজার ৮০৩টি বাড়িতে ইতিমধ্যেই পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যা শতাংশের হিসেবে ৪৭.৮৭। চলতি মাসের মধ্যে ৫০ শতাংশ বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দার্জিলিং জেলায় ৩ লক্ষ ৪১ হাজার ৪৫২টি বাড়ির মধ্যে ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৩১০টি বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে গিয়েছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, পাহাড় ও চা বাগান এলাকার সর্বত্র যাতে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে যায়, সেব্যাপারে আমরা বদ্ধপরিকর। ২০২০ সালে কাজ শুরু হয়েছিল। গোটা রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৯৩ লক্ষ পরিবারে (৫৩ শতাংশ) আমরা জল পৌঁছে দিতে পেরেছি। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রাজ্যের প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়াই আমাদের টার্গেট। সেইমতো জোরকদমে কাজ চালাতে বলা হয়েছে।
জমি সমস্যার কারণে অনেক জায়গায় পাইপ লাইন পাতা যাচ্ছে না বলে মাঝেমধ্যে অভিযোগ ওঠে। কোথাও আবার জমিজটে রিজার্ভার তৈরির কাজ থমকে রয়েছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য, মানুষের বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়ার কাজে টাকা কিংবা জমি কিছুই সমস্যা হবে না।
জেলা পরিষদ যদি কোনও রাস্তা সংস্কার করতে না পারে, সেগুলি পূর্তদপ্তরকে দেওয়া হলে মুখ্যমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে সেসব রাস্তা পিডব্লুডি তৈরি করে দেবে বলেও এদিন জানান পুলকবাবু। তিনি বলেন, পূর্তদপ্তরের যেসমস্ত সেতু রয়েছে, সেগুলির তিন মাস অন্তর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে বলা হয়েছে।
দার্জিলিং জেলায় ৩ লক্ষ ৪১ হাজার ৪৫২টি বাড়ির মধ্যে ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৩১০টি বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে গিয়েছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, পাহাড় ও চা বাগান এলাকার সর্বত্র যাতে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে যায়, সেব্যাপারে আমরা বদ্ধপরিকর। ২০২০ সালে কাজ শুরু হয়েছিল। গোটা রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৯৩ লক্ষ পরিবারে (৫৩ শতাংশ) আমরা জল পৌঁছে দিতে পেরেছি। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রাজ্যের প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়াই আমাদের টার্গেট। সেইমতো জোরকদমে কাজ চালাতে বলা হয়েছে।
জমি সমস্যার কারণে অনেক জায়গায় পাইপ লাইন পাতা যাচ্ছে না বলে মাঝেমধ্যে অভিযোগ ওঠে। কোথাও আবার জমিজটে রিজার্ভার তৈরির কাজ থমকে রয়েছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য, মানুষের বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়ার কাজে টাকা কিংবা জমি কিছুই সমস্যা হবে না।
জেলা পরিষদ যদি কোনও রাস্তা সংস্কার করতে না পারে, সেগুলি পূর্তদপ্তরকে দেওয়া হলে মুখ্যমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে সেসব রাস্তা পিডব্লুডি তৈরি করে দেবে বলেও এদিন জানান পুলকবাবু। তিনি বলেন, পূর্তদপ্তরের যেসমস্ত সেতু রয়েছে, সেগুলির তিন মাস অন্তর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে বলা হয়েছে।
জলপাইগুড়িতে বৈঠকে মন্ত্রী পুলক রায়। - নিজস্ব চিত্র।



