সংবাদদাতা, পতিরাম: দীর্ঘদিন পর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় স্বনির্ভর দলের সঙ্ঘের নির্বাচন হতে চলেছে। চলতি ডিসেম্বরেই জেলার আটটি ব্লকের আটটি সঙ্ঘের নির্বাচনের দিনক্ষণ প্রকাশ করেছে জেলা সমবায় দপ্তর। প্রশাসন সূত্রে খবর, জেলার ৬৪টি পঞ্চায়েতে ৬৪টি সঙ্ঘের নির্বাচন হতে চলেছে। চলতি মাসেই আটটি সঙ্ঘের নির্বাচন হবে। আগামী বছরের মার্চের মধ্যেই বাকিগুলিতে নির্বাচন হবে। এনিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন। রাজনৈতিক দলগুলিও নিজেদের মতো করে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।
Advertisement
এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার স্বনির্ভর দলের প্রজেক্ট অফিসার সুব্রত মহন্ত বলেন, চলতি মাসেই আটটি সঙ্ঘে নির্বাচন করার নির্দেশ রয়েছে। বাকিগুলিতে মার্চের মধ্যে নির্বাচন হবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমবায় দপ্তরের নির্দেশেই নির্বাচন হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর নির্বাচন ঘিরে জেলায় প্রস্তুতি চলছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, জেলায় বহু স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে। তবে জেলার পঞ্চায়েতগুলিতে একটি করে সঙ্ঘ রয়েছে।
নির্বাচনের মাধ্যমেই ওই সঙ্ঘে নির্বাচিত মহিলা প্রতিনিধিরা আসবে। পঞ্চায়েতের প্রতিটি সংসদের উপ সঙ্ঘগুলিতে নির্বাচন হবে। সেখানেই স্বনির্ভর দল থেকে নমিনেশন দেওয়া হবে। এরপরেই নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সঙ্ঘতে যোগ দেবে। পরবর্তীতে একটি সঙ্ঘ থেকে চেয়ারপার্সন, সভাপতি ও হিসাবরক্ষক নির্বাচিত হবেন।
এদিকে নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচনে যে মহিলা সদস্য লড়াই করবেন তাঁর একজন মাত্র প্রতিনিধি ভোটদানে অংশগ্রহণ করতে পারবে। যেদিন এই ভোটদান হবে, সেদিনই ফলাফল ঘোষণা করবে প্রশাসন। প্রশাসন জানিয়েছে, ২২ ডিসেম্বর বালুরঘাটের অমৃতখণ্ড পঞ্চায়েতের একটি সমবায় সমিতিতে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়েছে। একইভাবে বংশীহারির মহাবাড়িতে ৩১ ডিসেম্বর, গঙ্গারামপুরের সুখদেবপুরে ২০ ডিসেম্বর, হরিরামপুরের সিরসিতে ১৯ ডিসেম্বর, হিলির হিলি পঞ্চায়েতে ২১ ডিসেম্বর, ওইদিনেই তপনের গোফানগরে ভোট হবে। অন্যদিকে, কুমারগঞ্জের রামকৃষ্ণপুরে ২৯ ডিসেম্বর, একইদিনে কুশমণ্ডির কিরঞ্জিতেও ভোট হবে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীরা কোনও দলীয় প্রতীকে লড়াই করবেন না। প্রশাসন থেকেই নির্দিষ্ট প্রতীক দেওয়া হবে। এদিকে, স্বনির্ভর দলের ভোট হলেও পরোক্ষভাবে তৃণমূল কংগ্রেস গোষ্ঠীগুলিকে নিজেদের দখলে আনার চেষ্টা শুরু করে দিয়েছে। এনিয়ে নানা জায়গায় মিটিংও হয়েছে। এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, সঙ্ঘের ভোট নিয়ে আমাদের তরফে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বেশিরভাগই আমাদের দখলেই রয়েছে। তবে এবারও আমাদেরই মহিলা কংগ্রেসের মহিলারা প্রতিনিধিত্ব করবে।
অন্যদিকে, বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক বাপী সরকার বলেন, কেন্দ্র থেকে এই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর জন্য প্রচুর টাকা পাঠানো হয়। কিন্তু সঠিকভাবে তা খরচ করা হয় না। মহিলাদের সঠিকভাবে কাজ দেওয়া এবং প্রশিক্ষণের জন্যও এই গোষ্ঠীগুলি কাজ করে না। তাই গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোট হলে দুর্নীতি কমবে। আরএসপি’র জেলা সাধারণ সম্পাদক সুচেতা বিশ্বাস বলেন, দীর্ঘদিন পর ভোট হচ্ছে। আমরা এনিয়ে পরিকল্পনা করছি।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, জেলায় বহু স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে। তবে জেলার পঞ্চায়েতগুলিতে একটি করে সঙ্ঘ রয়েছে।
নির্বাচনের মাধ্যমেই ওই সঙ্ঘে নির্বাচিত মহিলা প্রতিনিধিরা আসবে। পঞ্চায়েতের প্রতিটি সংসদের উপ সঙ্ঘগুলিতে নির্বাচন হবে। সেখানেই স্বনির্ভর দল থেকে নমিনেশন দেওয়া হবে। এরপরেই নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সঙ্ঘতে যোগ দেবে। পরবর্তীতে একটি সঙ্ঘ থেকে চেয়ারপার্সন, সভাপতি ও হিসাবরক্ষক নির্বাচিত হবেন।
এদিকে নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচনে যে মহিলা সদস্য লড়াই করবেন তাঁর একজন মাত্র প্রতিনিধি ভোটদানে অংশগ্রহণ করতে পারবে। যেদিন এই ভোটদান হবে, সেদিনই ফলাফল ঘোষণা করবে প্রশাসন। প্রশাসন জানিয়েছে, ২২ ডিসেম্বর বালুরঘাটের অমৃতখণ্ড পঞ্চায়েতের একটি সমবায় সমিতিতে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়েছে। একইভাবে বংশীহারির মহাবাড়িতে ৩১ ডিসেম্বর, গঙ্গারামপুরের সুখদেবপুরে ২০ ডিসেম্বর, হরিরামপুরের সিরসিতে ১৯ ডিসেম্বর, হিলির হিলি পঞ্চায়েতে ২১ ডিসেম্বর, ওইদিনেই তপনের গোফানগরে ভোট হবে। অন্যদিকে, কুমারগঞ্জের রামকৃষ্ণপুরে ২৯ ডিসেম্বর, একইদিনে কুশমণ্ডির কিরঞ্জিতেও ভোট হবে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীরা কোনও দলীয় প্রতীকে লড়াই করবেন না। প্রশাসন থেকেই নির্দিষ্ট প্রতীক দেওয়া হবে। এদিকে, স্বনির্ভর দলের ভোট হলেও পরোক্ষভাবে তৃণমূল কংগ্রেস গোষ্ঠীগুলিকে নিজেদের দখলে আনার চেষ্টা শুরু করে দিয়েছে। এনিয়ে নানা জায়গায় মিটিংও হয়েছে। এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, সঙ্ঘের ভোট নিয়ে আমাদের তরফে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বেশিরভাগই আমাদের দখলেই রয়েছে। তবে এবারও আমাদেরই মহিলা কংগ্রেসের মহিলারা প্রতিনিধিত্ব করবে।
অন্যদিকে, বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক বাপী সরকার বলেন, কেন্দ্র থেকে এই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর জন্য প্রচুর টাকা পাঠানো হয়। কিন্তু সঠিকভাবে তা খরচ করা হয় না। মহিলাদের সঠিকভাবে কাজ দেওয়া এবং প্রশিক্ষণের জন্যও এই গোষ্ঠীগুলি কাজ করে না। তাই গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোট হলে দুর্নীতি কমবে। আরএসপি’র জেলা সাধারণ সম্পাদক সুচেতা বিশ্বাস বলেন, দীর্ঘদিন পর ভোট হচ্ছে। আমরা এনিয়ে পরিকল্পনা করছি।



