নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: প্রাথমিকভাবে টার্গেট ছিল প্রান্তিক অঞ্চলের পড়ুয়াদের স্বার্থে জেলার ৯৮ টি গ্রাম পঞ্চায়েতে একটি করে স্কুল বেছে নিয়ে তৈরি হবে মডেল স্কুল বা আদর্শ বিদ্যালয়। সরকারি এই উদ্যোগের পোশাকি নাম ‘ওয়ান জিপি, ওয়ান মডেল স্কুল’। কিন্তু অভিনব উদ্যোগটি প্রচারে আসতেই বিভিন্ন মহলের উৎসাহে জেলায় আরও ২৮ টি স্কুলকে ওই তালিকায় যুক্ত করা হচ্ছে। সবমিলিয়ে ১২৬ টি মডেল স্কুল তৈরি করছে জেলা প্রশাসন। সেগুলিতে থাকবে স্মার্ট ক্লাসের সুবিধা। প্রজেক্টর, ইন্টারনেট টিভিও রাখা হবে। এর ফলে ই-লার্নিংয়ের সুযোগ পাবে পড়ুয়ারা। চলতি বছরের মধ্যেই মডেল স্কুলগুলির কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। তার জন্য তালিকাভুক্ত স্কুলগুলিতে কাজও চলছে জোরকদমে। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, রাজ্যের মধ্যে উত্তর দিনাজপুর জেলা সাক্ষরতার হারে অনেকটা পিছনে। সেই হার মাত্র ৬০.১৩ শতাংশ। সেজন্য জেলায় স্কুলছুট কমাতে ও পড়ুয়াদের স্কুলের প্রতি আকর্ষণ ফেরানোর লক্ষ্যে অভিনব উদ্যোগ প্রশাসনের। বিল্ডিং অ্যাজ লার্নিং এইড (বালা) মডেলের উপর ভিত্তি করেই আপাতত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনা বলেন, প্রান্তিক অঞ্চলের পড়ুয়ারা যাতে এগিয়ে আসতে পারে, সেজন্য প্রথমে লক্ষ্য ছিল প্রতি বছর ৯৮ টি স্কুলকে মডেল হিসেবে রূপান্তর করা হবে। পরের বছর থেকে আরও ৯৮ টি করে স্কুলকে এই আদর্শ বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কিছু স্কুল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানা মাত্রই এই তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানিয়েছিল। তার ভিত্তিতে প্রশাসন জেলায় এ বছর ১২৬ টি স্কুলকে মডেল স্কুলের রূপ দেবে। তার কাজ চলছে জোরকদমে।



