নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত জলপাইগুড়িতে মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর সংখ্যা ২০। সংখ্যার হিসেবে গতবছরের তুলনায় কিছুটা কম। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, গতবার নভেম্বর পর্যন্ত জলপাইগুড়িতে মাতৃত্বকালীন মৃত্যু হয়েছিল ২৮ জনের। এবার কিছুটা কমলেও ২০ জনের মৃত্যুতে চিন্তিত জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের পাশাপাশি প্রশাসন। বুধবার মাতৃত্বকালীন মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা।
Advertisement
রাজ্য সরকার অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা এবং নিখরচায় যাবতীয় চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানের ব্যবস্থা করার পরও কেন মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কাছ থেকে তা জানতে চান প্রশাসনের কর্তারা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ অসীম হালদার সহ জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের চিকিৎসকরা।
স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, চলতি বছর সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৬। তারপর আরও চারজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রতিটি ঘটনার কারণ উল্লেখ করে জেলা থেকে রাজ্যকে রিপোর্ট পাঠাতে হয়। স্বাভাবিকভাবেই নভেম্বর পর্যন্ত ২০ জন অন্তঃসত্ত্বা ও প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। একইসঙ্গে মৃত্যুর ঘটনা ঠেকাতে জেলা কী ব্যবস্থা নিয়েছে, সেটাও বৈঠকে জানতে চান কর্তারা।
বৈঠক শেষে সিএমওএইচ বলেন, মাতৃত্বকালীন মৃত্যু নিয়ে রিভিউ মিটিং ছিল। গতবারের তুলনায় এবার মৃত্যুর সংখ্যা কম। কিন্তু সংখ্যাটা আরও কীভাবে কমানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তাঁর দাবি, জেলার অনেকটা এলাকায় চা বলয়। সেখানকার মহিলাদের অনেকের মধ্যে হাইপারটেনশন, রক্তাল্পতা, ব্লাড সুগার, খানিকটা অপুষ্টি দেখা যায়। ফলে ওইসব মহিলারা যখন অন্তঃসত্ত্বা হন, তখন তাঁদের ক্ষেত্রে হাইরিস্ক প্রেগন্যান্সি হয়ে যায়। রেফারের ঘটনা ঘটে। পথে কিছুটা সময় লাগে। সবমিলিয়ে পরিস্থিতি সঙ্কটজনক হয়ে দাঁড়ায় অনেক সময়।
চিকিৎসকদের দাবি, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, লিভার, কিডনির সমস্যা কিংবা ফুসফুসে রক্ত জমাট বেঁধে গিয়ে প্রসূতিদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর ঘটনা সব থেকে বেশি ধূপগুড়িতে। সেখানে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৬। গত আর্থিক বছরে ধূপগুড়িতে মাতৃত্বকালীন মৃত্যু হয়েছিল ৮ জনের।
স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, চলতি বছর সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৬। তারপর আরও চারজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রতিটি ঘটনার কারণ উল্লেখ করে জেলা থেকে রাজ্যকে রিপোর্ট পাঠাতে হয়। স্বাভাবিকভাবেই নভেম্বর পর্যন্ত ২০ জন অন্তঃসত্ত্বা ও প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। একইসঙ্গে মৃত্যুর ঘটনা ঠেকাতে জেলা কী ব্যবস্থা নিয়েছে, সেটাও বৈঠকে জানতে চান কর্তারা।
বৈঠক শেষে সিএমওএইচ বলেন, মাতৃত্বকালীন মৃত্যু নিয়ে রিভিউ মিটিং ছিল। গতবারের তুলনায় এবার মৃত্যুর সংখ্যা কম। কিন্তু সংখ্যাটা আরও কীভাবে কমানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তাঁর দাবি, জেলার অনেকটা এলাকায় চা বলয়। সেখানকার মহিলাদের অনেকের মধ্যে হাইপারটেনশন, রক্তাল্পতা, ব্লাড সুগার, খানিকটা অপুষ্টি দেখা যায়। ফলে ওইসব মহিলারা যখন অন্তঃসত্ত্বা হন, তখন তাঁদের ক্ষেত্রে হাইরিস্ক প্রেগন্যান্সি হয়ে যায়। রেফারের ঘটনা ঘটে। পথে কিছুটা সময় লাগে। সবমিলিয়ে পরিস্থিতি সঙ্কটজনক হয়ে দাঁড়ায় অনেক সময়।
চিকিৎসকদের দাবি, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, লিভার, কিডনির সমস্যা কিংবা ফুসফুসে রক্ত জমাট বেঁধে গিয়ে প্রসূতিদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর ঘটনা সব থেকে বেশি ধূপগুড়িতে। সেখানে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৬। গত আর্থিক বছরে ধূপগুড়িতে মাতৃত্বকালীন মৃত্যু হয়েছিল ৮ জনের।



