নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: বাঁকুড়া স্টেশনে চলমান সিঁড়ি থেকে আদ্রা ডিভিশনের বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেনের স্টপেজের দাবি নিয়ে আজ, বৃহস্পতিবার রেলের বৈঠকে যোগ দেবেন সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী। এদিন কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে ওই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বাঁকুড়ার পাশাপাশি পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকা অরূপবাবুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। ফলে আদ্রা ডিভিশনের অন্তর্গত বাঁকুড়ার পাশাপাশি রঘুনাথপুর এলাকায় রেল যোগাযোগের উন্নতির জন্য সাংসদের তরফে একগুচ্ছ প্রস্তাব কর্তৃপক্ষের সামনে রাখা হবে। তারজন্য আগে থেকেই অরূপবাবু ১৪ দফা দাবি লিপিবদ্ধ করেছেন। সাংসদ বলেন, আমার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলায় বহু রেল স্টেশন রয়েছে। বহু স্টেশনে পরিকাঠামোগত খামতি রয়েছে। পানীয় জল, শৌচালয়ের ব্যবস্থা সর্বত্র এখনও সেভাবে করা যায়নি। পাশাপাশি বয়স্ক ও দিব্যাঙ্গদের চলাচলের জন্যও পরিকাঠামো গড়ে তোলা যায়নি। ফলে বাঁকুড়া সহ একাধিক স্টেশনে চলমান সিঁড়ি, লিফ্ট ও র্যাম্পযুক্ত ফুট ওভারব্রিজের দাবি রেলের কাছে জানাব।
Advertisement
তিনি আরও বলেন, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার সিংহভাগ মানুষ লোকাল ট্রেনে যাতায়াত করেন। ট্রেনগুলিতে ভালো ভিড় হয়। ফলে মহিলারাও বাদুড়ঝোলা হয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হন। অথচ রেল কর্তৃপক্ষ জঙ্গলমহলে মাত্র আট কামরার লোকাল ট্রেন চালাচ্ছে। বিষয়টি আমি কলকাতার বৈঠকে উত্থাপন করব। অবিলম্বে ১০/১২ কামরার মেমু ট্রেন দেওয়ার জন্য রেলের আধিকারিকদের বলব। আসানসোল-আদ্রা, বিষ্ণুপুর-আদ্রা, পুরুলিয়া-আদ্রা রুটে বেশ কিছু ট্রেন সময়ে চলাচল করছে না। তাছাড়া বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে একাধিক ট্রেনের স্টপেজের দাবিও রয়েছে। এই বিষয়গুলি নিয়েও আধিকারিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করব।
রেলের এক আধিকারিক বলেন, বৃহস্পতিবার কলকাতার একটি হোটেলে আদ্রা ও খড়্গপুর ডিভিশনের জন্য বৈঠক ডাকা হয়েছে। ওই বৈঠকে সংশ্লিষ্ট ডিভিশন এলাকার লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাঁদের এলাকার রেল সংক্রান্ত সমস্যা, প্রস্তাব নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। তারজন্য আমরা আগে থেকেই সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে এব্যাপারে এজেন্ডা সম্বলিত চিঠি নিয়েছি। সেগুলি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা ডিভিশনের মধ্যে বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার রেলপথগুলি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গলমহলের ওই দুই জেলার রেল স্টেশনগুলি নানা দিক থেকে বঞ্চিত রয়েছে। অন্যান্য শাখায় স্টেশনগুলি ঝাঁ চকচকে হলেও জঙ্গলমহলের স্টেশনে প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা বৃদ্ধি পর্যন্ত সেভাবে হয়নি। ফলে লোকাল ট্রেনে উঠতেও যাত্রীদের বেগ পেতে হয়। অথচ করোনার লকডাউনের পর থেকে প্যাসেঞ্জার স্পেশালের নাম করে লোকাল ট্রেনের ভাড়া রেল একধাক্কায় অনেকটাই বৃদ্ধি করে। তারফলে সাধারণ মানুষকে বেশি টাকা খরচ করে ট্রেনে চড়তে হয়। বারবার দাবি জানিয়েও বহু সমস্যা সম্পর্কে রেল এখনও উদাসীন রয়েছে বলে ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ। জনপ্রতিনিধিরা বিষয়গুলি নিয়ে রেলের ডিআরএম, জেনারেল ম্যানেজার পদমর্যাদার আধিকারিকদের সামনে সরব হলে সমস্যার সমাধান হতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন।
আদ্রার ডিআরএম সুমিত নারুলা অবশ্য এনিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে সময়ে সময়ে যাত্রীদের দাবিদাওয়া ও পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় বলে ওই ডিভিশনের এক আধিকারিক দাবি করেছেন।
রেলের এক আধিকারিক বলেন, বৃহস্পতিবার কলকাতার একটি হোটেলে আদ্রা ও খড়্গপুর ডিভিশনের জন্য বৈঠক ডাকা হয়েছে। ওই বৈঠকে সংশ্লিষ্ট ডিভিশন এলাকার লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাঁদের এলাকার রেল সংক্রান্ত সমস্যা, প্রস্তাব নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। তারজন্য আমরা আগে থেকেই সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে এব্যাপারে এজেন্ডা সম্বলিত চিঠি নিয়েছি। সেগুলি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা ডিভিশনের মধ্যে বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার রেলপথগুলি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গলমহলের ওই দুই জেলার রেল স্টেশনগুলি নানা দিক থেকে বঞ্চিত রয়েছে। অন্যান্য শাখায় স্টেশনগুলি ঝাঁ চকচকে হলেও জঙ্গলমহলের স্টেশনে প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা বৃদ্ধি পর্যন্ত সেভাবে হয়নি। ফলে লোকাল ট্রেনে উঠতেও যাত্রীদের বেগ পেতে হয়। অথচ করোনার লকডাউনের পর থেকে প্যাসেঞ্জার স্পেশালের নাম করে লোকাল ট্রেনের ভাড়া রেল একধাক্কায় অনেকটাই বৃদ্ধি করে। তারফলে সাধারণ মানুষকে বেশি টাকা খরচ করে ট্রেনে চড়তে হয়। বারবার দাবি জানিয়েও বহু সমস্যা সম্পর্কে রেল এখনও উদাসীন রয়েছে বলে ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ। জনপ্রতিনিধিরা বিষয়গুলি নিয়ে রেলের ডিআরএম, জেনারেল ম্যানেজার পদমর্যাদার আধিকারিকদের সামনে সরব হলে সমস্যার সমাধান হতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন।
আদ্রার ডিআরএম সুমিত নারুলা অবশ্য এনিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে সময়ে সময়ে যাত্রীদের দাবিদাওয়া ও পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় বলে ওই ডিভিশনের এক আধিকারিক দাবি করেছেন।



