সংবাদদাতা, তেহট্ট: চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালে। রোগীর পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালের নার্সও তাঁদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন। প্রতিবাদে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ চলে। পরে তেহট্ট থানার পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রোগীর পরিবার কোনও লিখিত অভিযোগ করেনি। রোগীর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে শ্বাসকষ্ট নিয়ে তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হন চাপড়া থানার হাটরার বাসিন্দা আহম্মেদ দফাদার। তিনি হেঁটে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। শ্বাসকষ্টের জন্য তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া হয়। স্যালাইন চালানো হয়। কয়েকটা ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। তার কিছুক্ষণ পর রোগীর অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে বলে অভিযোগ। মৃতের ছেলে জনি দফাদার বলেন, বাবার অবস্থার অবনতি হচ্ছে দেখে নার্সের সঙ্গে কথা বলতে যাই। উনি কথা বলা তো দূরের কথা উল্টে আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। বাবার কাছাকাছি ছিলেন এমন একজন নার্সকে বিষয়টি জানালে তিনি না দেখে চলে যান। এরপর একজন চিকিৎসক বাবাকে আইসিইউতে নিয়ে যেতে বলেন। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর আমার বাবা মারা যায়। আমাদের অভিযোগ, চিকিৎসার গাফিলতিতেই আমার বাবা মারা গিয়েছে। সঠিক ভাবে চিকিৎসা হলে বাবা মারা যেত না। এই বিষয়ে হাসপাতালের সুপার বাপ্পাদিত্য ঢালি বলে, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



