নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: বারবার অনুরোধ করেও রাধেশ্যাম মিত্রর (৮০) চিকিৎসা করতে আসেননি ডাক্তার। উল্টে প্রতিবারই রোগীর পরিবারের সদস্যদের দুর্ব্যবহার করে তাড়িয়ে দেন তিনি। শেষপর্যন্ত চিকিৎসার গাফিলতিতেই মৃত্যু হয় রাধেশ্যামবাবুর, বলে অভিযোগ পরিবারের সদস্যদের। শুক্রবার রাতে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালের এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। চিকিৎসার গাফিলতির পাশাপাশি ডাক্তারের দুর্ব্যবহার নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, রোগীকে দীর্ঘদিন নাকি বিনা চিকিৎসায় রেখেছিলেন পরিবারের সদস্যরা।
Advertisement
হাসপাতালে সুপার জয়ন্ত সরকার বলেন, ‘একটা অভিযোগ জমা পড়েছে। ডাক্তারবাবু রোগীকে দেখেছিলেন। বিভিন্ন পরামর্শও দিয়েছিলেন। চিকিৎসাও শুরু হয়েছিল। কিন্তু এরই মধ্যে রোগী মারা যান। আমরা গোটা ঘটনার তদন্তে করছি।’
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রাধশ্যামবাবু কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার সুবর্ণবিহার এলাকার বাসিন্দা। গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ রোগীকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তখন রোগীর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা ছিল। হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে তাঁকে ভর্তি করানো হয়। তার আগে প্রাথমিক চিকিৎসা হয়েছিল। রোগীকে বেডে দেওয়া হয়। তারপরেই চিকিৎসা শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালেরর চিকিৎসক কোনও ওষুধ দেননি রোগীকে। তবে রোগীর পরিবারকে ইনজেকশনের সিরিঞ্জ কিনে নিতে বলা হয়। তারপর রোগীকে অক্সিজেন দেওয়া শুরু হয়। তারপর এক চিকিৎসক আসেন। পরিবারের অভিযোগ, দূর থেকেই রোগীকে দেখে চলে যান। রোগীর ব্যাপারে পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেননি ডাক্তার।
রোগীর পাশের ঘরেই ডাক্তার বসেছিলেন। পরিবারের সদস্যরা ডাক্তারের কাছে গিয়ে অনুরোধ করেন চিকিৎসা করার জন্য। কিন্তু ডাক্তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ। ডাক্তার রোগীর পরিবারকে বলেন, ‘আপনি বেশি বললে হাসপাতাল থেকে বের করে দেব।’ রোগীর অবস্থার অবনতি হতে থাকলে দ্বিতীয়বার ফের রোগীর আত্মীস্বজন ডাক্তারকে অনুরোধ করেন। অভিযোগ, ডাক্তার তখন হুমকির সুরে বলেন, ‘আপনি ঘর থেকে বেরিয়ে যান।’ নিরুপায় হয়ে ফের একবার ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করতে যান পরিবারের সদস্যরা। ডাক্তারকে অনুরোধ করলে প্রতুত্তরে তিনি বলেন, ‘ওরকম দু’-একটা রোগী মারা গেলে আমাদের কিছু করার নেই।’ পরিবারের দাবি, ততক্ষণে রাধেশ্যামবাবু মারা গিয়েছেন। তখন ঘড়িতে আটটা বাজে। শেষপর্যন্ত ডাক্তার আসেন। সিস্টারকে ইনজেকশন দিতে বলেন। রোগীর পরিবারের সদস্যরা, ডাক্তারের দেরি করে আসা নিয়ে প্রতিবাদ জানান। বেগতিক বুঝে ডাক্তার নাকি হাসপাতালে ছেড়ে পালিয়ে যান।
রোগীর ছেলে অপু মিত্র বলেন, ডাক্তারবাবুকে ‘অনেকবার অনুরোধ করেছিলাম। যাতে উনি চিকিৎসা করেন। কিন্তু উনি আসেননি। প্রথমে দিকে কোনওরকমে দূর থেকে দেখে চলে যান। দু’-একটা রোগী মারা গেলে আমাদের কিছু করার নেই, এরকম কথাও উনি আমাদের বলেছেন। আমি এই অভিযোগ করেছি।’
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রাধশ্যামবাবু কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার সুবর্ণবিহার এলাকার বাসিন্দা। গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ রোগীকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তখন রোগীর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা ছিল। হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে তাঁকে ভর্তি করানো হয়। তার আগে প্রাথমিক চিকিৎসা হয়েছিল। রোগীকে বেডে দেওয়া হয়। তারপরেই চিকিৎসা শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালেরর চিকিৎসক কোনও ওষুধ দেননি রোগীকে। তবে রোগীর পরিবারকে ইনজেকশনের সিরিঞ্জ কিনে নিতে বলা হয়। তারপর রোগীকে অক্সিজেন দেওয়া শুরু হয়। তারপর এক চিকিৎসক আসেন। পরিবারের অভিযোগ, দূর থেকেই রোগীকে দেখে চলে যান। রোগীর ব্যাপারে পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেননি ডাক্তার।
রোগীর পাশের ঘরেই ডাক্তার বসেছিলেন। পরিবারের সদস্যরা ডাক্তারের কাছে গিয়ে অনুরোধ করেন চিকিৎসা করার জন্য। কিন্তু ডাক্তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ। ডাক্তার রোগীর পরিবারকে বলেন, ‘আপনি বেশি বললে হাসপাতাল থেকে বের করে দেব।’ রোগীর অবস্থার অবনতি হতে থাকলে দ্বিতীয়বার ফের রোগীর আত্মীস্বজন ডাক্তারকে অনুরোধ করেন। অভিযোগ, ডাক্তার তখন হুমকির সুরে বলেন, ‘আপনি ঘর থেকে বেরিয়ে যান।’ নিরুপায় হয়ে ফের একবার ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করতে যান পরিবারের সদস্যরা। ডাক্তারকে অনুরোধ করলে প্রতুত্তরে তিনি বলেন, ‘ওরকম দু’-একটা রোগী মারা গেলে আমাদের কিছু করার নেই।’ পরিবারের দাবি, ততক্ষণে রাধেশ্যামবাবু মারা গিয়েছেন। তখন ঘড়িতে আটটা বাজে। শেষপর্যন্ত ডাক্তার আসেন। সিস্টারকে ইনজেকশন দিতে বলেন। রোগীর পরিবারের সদস্যরা, ডাক্তারের দেরি করে আসা নিয়ে প্রতিবাদ জানান। বেগতিক বুঝে ডাক্তার নাকি হাসপাতালে ছেড়ে পালিয়ে যান।
রোগীর ছেলে অপু মিত্র বলেন, ডাক্তারবাবুকে ‘অনেকবার অনুরোধ করেছিলাম। যাতে উনি চিকিৎসা করেন। কিন্তু উনি আসেননি। প্রথমে দিকে কোনওরকমে দূর থেকে দেখে চলে যান। দু’-একটা রোগী মারা গেলে আমাদের কিছু করার নেই, এরকম কথাও উনি আমাদের বলেছেন। আমি এই অভিযোগ করেছি।’



