নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: হাসপাতালের চিকিৎসকরা সপ্তাহে ৪৮ঘণ্টা ডিউটি করছে কি না, সেদিকে কড়া নজর রাখছে স্বাস্থ্যদপ্তর। কোন চিকিৎসক কতক্ষণ ডিউটি করছেন সেই রোস্টার মেডিক্যাল কলেজগুলিকে নিয়মিত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে কর্মসংস্কৃতি ফেরানোর জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মৌসুমি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নির্দেশ মেনে রোস্টার পাঠানো হয়েছে।
Advertisement
স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের কর্মরত অনেক চিকিৎসকই আগে নির্দিষ্ট সময়মতো ডিউটি করতেন না। তাঁরা ওই সময় বাইরে প্র্যাকটিস করতেন। অনেকেই বেসরকারি হাসপাতাল এবং নার্সিংহোমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। সেখানেই বেশি সময় কাটাতেন। তার ফলে সরকারি হাসপাতালে ভালো পরিষেবা পাওয়া যেত না। স্বাস্থ্যদপ্তর নজরদারি বাড়ানোয় তাঁরা বিপাকে পড়ে গিয়েছেন। তাঁরা নির্দিষ্ট সময় মতো ডিউটি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এক আধিকারিক বলেন, যেসব চিকিৎসক সরকারি নির্দেশ মানছেন না তাঁদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। প্রথমে তাঁদের সতর্ক করা হবে। তাতেও কাজ না হলে স্বাস্থ্যদপ্তর কড়া পদক্ষেপ নেবে। কোনওরকম গাফিলতি মানা হবে না বলে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে। এছাড়া ওটি করার সময় আনাস্থেটিস্ট হাজির থাকছেন কি না, সেই দিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। অতীতে অভিযোগ উঠেছে বেশ কয়েকজন আনাস্থেটিস্ট ওটিতে কিছুক্ষণ সময় দেওয়ার পর বাইরে প্র্যাকটিসে চলে যাচ্ছেন। পিজিটিদের ক্ষেত্রেও একই রকমভাবে আধিকারিকরা নজর রাখছেন। তাঁদের অনেকেই বাইরে রমরমিয়ে প্র্যাকটিস করতেন। কিন্তু তাঁরা অপারেশন করলে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ‘অ্যাপ্রুভ’ হবে না বলে জানানো হয়। তারপরও অন্য কৌশলে তাঁরা বাইরে প্র্যাকটিস করছেন বলে অভিযোগ।
স্বাস্থ্যদপ্তরের আর এক আধিকারিক বলেন, আরজি করের ঘটনার পর বেশকিছু গাইডলাইন পাঠানো হয়েছে। সবগুলিই কার্যকর করা হচ্ছে। আন্দোলনরত চিকিৎসকরা কর্তৃপক্ষর কাছে বেশকিছু দাবি রেখেছিলেন। হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় সিসি ক্যামেরা বসানোর জন্য বলা হয়েছিল। সেটা করা হয়েছে। হাসপাতালের কর্মরত মহিলাদের জন্য আলাদা শেল্টার রুম তৈরির দাবি জানানো হয়। সেটাও করা হয়। আন্দোলনকারীরা সেই সময় কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। সেটা নিয়ে তদন্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মহিলা চিকিৎসকদের নিরাপত্তা জোরাল করতেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারের পাঠানো নির্দেশগুলি সকলকে মেনে চলতে হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ডিউটির সময় নিয়ে কোনও রকম আপোষ করা যাবে না। হাসপাতালের ডিউটি ছেড়ে কেউ বাইরে প্র্যাকটিস করলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্যদপ্তরের আর এক আধিকারিক বলেন, আরজি করের ঘটনার পর বেশকিছু গাইডলাইন পাঠানো হয়েছে। সবগুলিই কার্যকর করা হচ্ছে। আন্দোলনরত চিকিৎসকরা কর্তৃপক্ষর কাছে বেশকিছু দাবি রেখেছিলেন। হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় সিসি ক্যামেরা বসানোর জন্য বলা হয়েছিল। সেটা করা হয়েছে। হাসপাতালের কর্মরত মহিলাদের জন্য আলাদা শেল্টার রুম তৈরির দাবি জানানো হয়। সেটাও করা হয়। আন্দোলনকারীরা সেই সময় কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। সেটা নিয়ে তদন্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মহিলা চিকিৎসকদের নিরাপত্তা জোরাল করতেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারের পাঠানো নির্দেশগুলি সকলকে মেনে চলতে হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ডিউটির সময় নিয়ে কোনও রকম আপোষ করা যাবে না। হাসপাতালের ডিউটি ছেড়ে কেউ বাইরে প্র্যাকটিস করলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



