সংবাদদাতা, দিনহাটা: চাকরির নামে টাকা তুলেছেন গ্রেটার নেতা বংশীবদন বর্মন! শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনই অভিযোগ তুললেন দিনহাটার তৃণমূল নেতারা। সম্প্রতি তৃণমূল কর্মীদের সতর্ক করা নিয়ে উদয়ন গুহর মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন বংশীবাবু। তারপরই ময়দানে নামলেন উদয়ন অনুগামীরা।
Advertisement
অভিযোগ, রাজ্য সরকারের পদে থেকেও রাজ্যের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে সোচ্চার হন বংশীবাবু। নিজেকে রাজবংশী সমাজের নেতা দাবি করলেও রাজবংশী সমাজের জন্য তিনি কিছু করেননি বলেও দাবি করেন তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূলের যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বংশীবাবু। এদিন দিনহাটা সুভাষ ভবনে দিনহাটা-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দীপক ভট্টাচার্য বলেন, রাজবংশী ভাষায় স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ করতে গিয়ে যুবকদের কাছ থেকে টাকা তুলেছেন বংশীবদন। শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হয়েছে। রাজ্য সরকারের একাধিক পদে থেকেও রাজ্যের মন্ত্রীর সমালোচনা করেছেন। তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে মন্ত্রী উদয়ন গুহের মন্তব্যের সমালোচনা করার উনি কেউ নন। মন্ত্রীর বিরুদ্ধে সমালোচনা করায় তাকে ধিক্কার জানাই। দিনহাটা-১ (বি) তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনন্তকুমার রায় বলেন, নিজেকে রাজবংশী সমাজের নেতা হিসেবে দাবি করেন বংশীবদন বর্মন। কিন্তু রাজবংশী সমাজের উন্নয়নের জন্য তিনি কিছুই করেননি। রাজ্য সরকারের দেওয়া একাধিক পদে থেকে নিজের আখের গুছিয়েছেন। শিক্ষক নিয়োগের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি করেছেন।
এদিকে তৃণমূল নেতদের এই অভিযোগের জবাবে গ্রেটার নেতা তথা রাজবংশী ভাষা অ্যাকাডেমির চেয়ারম্যান বংশীবদন বর্মন বলেন, যারা দুর্নীতিগ্রস্ত তারাই অন্যকে সমগোত্রের ভাবেন। রাজবংশী যুবকরা নিজেরাই জমি দিয়ে রাজবংশী ভাষায় স্কুল তৈরি করেছেন। সরকার সেই স্কুলকে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের চাকরি দিয়েছে। ওই স্কুলের চাকরি পেতে ঘুষের প্রয়োজন হয়নি। যারা বলছেন দুর্নীতি হয়েছে, আসলে তারাই দুর্নীতিগ্রস্ত। সেই কারণে অন্যকে দুর্নীতিগ্রস্ত ভাবছেন। ওই তৃণমূল নেতাদের তোলা সমস্ত অভিযোগই ভিত্তিহীন।
এদিকে তৃণমূল নেতদের এই অভিযোগের জবাবে গ্রেটার নেতা তথা রাজবংশী ভাষা অ্যাকাডেমির চেয়ারম্যান বংশীবদন বর্মন বলেন, যারা দুর্নীতিগ্রস্ত তারাই অন্যকে সমগোত্রের ভাবেন। রাজবংশী যুবকরা নিজেরাই জমি দিয়ে রাজবংশী ভাষায় স্কুল তৈরি করেছেন। সরকার সেই স্কুলকে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের চাকরি দিয়েছে। ওই স্কুলের চাকরি পেতে ঘুষের প্রয়োজন হয়নি। যারা বলছেন দুর্নীতি হয়েছে, আসলে তারাই দুর্নীতিগ্রস্ত। সেই কারণে অন্যকে দুর্নীতিগ্রস্ত ভাবছেন। ওই তৃণমূল নেতাদের তোলা সমস্ত অভিযোগই ভিত্তিহীন।



