Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

চকের পাড়া বারোয়ারির প্রতিমা দেখতে ভিড় করেন হাজার হাজার মানুষ

চকের পাড়া বারোয়ারির প্রতিমা দেখতে ভিড় করেন হাজার হাজার মানুষ
  • ৮ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: কৃষ্ণনগরের প্রাচীন পুজোগুলোর অন্যতম চকের পাড়া বারোয়ারীর ‘আদি মা’। চকের পাড়া বারোয়ারির পুজোর সূচনা হয় রাজবাড়ির জগদ্ধাত্রী পুজোর পর পরই। এবছর চকের পাড়া বারোয়ারির পুজো ২৬৭ বছরে পড়েছে। দেবী এখানে ‘আদি মা’ নামে পরিচিত। চকের পাড়া বারোয়ারির দেবী মূর্তি দেখলে মনে ভক্তি জাগে। আদি মাকে বুলানের সাজে সজ্জিত করা হয়। মুকুট ও জরি, পুঁথি, বুলান দিয়ে অদ্ভুত ভাবে করা হয়। যা দেখতে বহুদূর থেকে মানুষ আসেন। এই মূর্তি ও সাজের জন্য চকের পাড়া বারোয়ারি বিভিন্ন সংগঠন সংস্থা থেকে পুরস্কার পায়। দেবী জাগ্রত হওয়ায় ভক্তরা মানত করেন। মনস্কামনা পূর্ণ হলে পুজো দেন।
Advertisement
এবার চকের পাড়া বারোয়ারির থিম ‘আদি মার স্বর্গরাজ্য’। এই থিম নিয়ে শহরজুড়ে চর্চা চলছে। এই থিম করতে বেশ কিছুদিন ধরে টানা পরিশ্রম করে চলেছেন শ্রমিকদের সঙ্গে পুজো কর্তারাও। এবার চকের পাড়া বারোয়ারির মণ্ডপ সাজানো হচ্ছে বাঁশ কাপড়, ফোম, কাঠের বাটাম, বাঁশের কাঠি, দড়ি, চাটাই দিয়ে। গোটা মণ্ডপে রয়েছে সাদা রঙের ঘুমন্ত মানুষের মুখমণ্ডল। অগণিত পাখি, গাছ-গাছালি। অদ্ভুত মায়াজাল তৈরি করা হয়েছে। এই থিমের মাধ্যমে স্বপ্নের স্বর্গরাজ্যকে তুলে আনা হয়েছে। যেখানে সমস্ত কিছুই সাদা। সাদা রং শান্তির প্রতীক। চকের পাড়ার বারোয়ারির প্রতিমা দেখতে হাজার হাজার মানুষ আসেন। রাজবাড়ির কাছেই রয়েছে চকের পাড়া বারোয়ারি। জানা যায়, সেই সময় চকের পাড়ার ঘোষরা রাজবাড়ির লেঠেল ছিল। চকের পাড়ার পুরনো বাসিন্দা উজ্জ্বল ঘোষ বলেন, ‹রাজবাড়ির পুজো শুরুর পর এখানকার ঘোষরা মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রর কাছে জগদ্ধাত্রী আরাধনা করার অনুমতি চেয়েছিলেন। মহারাজা অনুমতি দিলে পুজো শুরু হয়। সেই পুজো এবার ২৬৭ বছরে পড়েছে। পুজো শাক্তমতে হয়। দেবীকে পোলাও, খিচুড়ি, পাঁচ ভাজা, তরকারি, চাটনি, বিভিন্ন রকমের মিষ্টি দিয়ে ভোগ দেওয়া হয়।› তিনি আরও বলেন, ‹এই পাড়ার মহিলারা পিতলের বড় বড় হাঁড়িতে করে দেবীকে ভোগ নিবেদন করেন। পুজো কমিটির কর্তা গৌতম মোদক বলেন, এবার পুজো মণ্ডপের থিম আদি মার স্বর্গরাজ্য দেখে দর্শনার্থীরা খুশি হবেন।
সম্পর্কিত সংবাদ