সংবাদদাতা, পতিরাম: বালুরঘাট পুরসভার চেক জালিয়াতিতে গায়েব সাড়ে ১৪ লক্ষ টাকা। ওই ঘটনায় যুক্ত রয়েছে বড় জালিয়াতি চক্র। ওই চক্র বালুরঘাটের বাইরে বসেই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অনুমান পুলিসের। তবে পুরসভা অথবা ব্যাঙ্কের কেউ বা কারা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত, এমনই সন্দেহ পুলিসের তদন্তকারী অফিসারদের। এনিয়ে পুরসভা ও ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিস। ব্যাঙ্কের কাছে টাকা তোলার তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে পুলিস। এমনকী পুরসভার চেকে সই ও সিল কীভাবে জাল হল, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী অফিসাররা। তবে পুরো ঘটনাটি নিয়ে এখনও ধন্দে রয়েছে পুলিস।
Advertisement
এবিষয়ে বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুরসভা ও ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুরসভা সূত্রে খবর, ওই সাড়ে ১৪ লক্ষ টাকা তিনটি চেকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে। তবে ওই তিনটি চেক পুরসভার কাছেই রয়েছে। তবে কীভাবে চেকের নম্বর, বারকোড, সিল ও সই জাল করা হল তা নিয়েই বাড়ছে রহস্য। তবে পরপর দু’দিনে বিপুল পরিমাণ টাকা তোলা হল, কোথা থেকে এই টাকা তোলা হল, তা জানেই না ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। পুলিসের অনুমান, বালুরঘাটের বাইরে বসেই এই টাকা তোলা হয়েছে। যে দুই ব্যক্তির নামে চেক ইস্যু হয়েছে, তাদেরও চেনে না ব্যাঙ্ক ও পুরসভা। তবে ওই ব্যক্তির পুরসভা ও ব্যাঙ্কের কর্মীর কোনওভাবে যোগ রয়েছে? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে তদন্তকারীদের মাথায়। শুধু তাই নয়, যে সরকারি ফান্ডের অ্যাকাউন্ট থেকে ওই টাকা গায়েব করা হয়েছে, পুরসভার সেই ফান্ড সেভাবে ব্যবহারই করা হয় না। এমনকী ব্যবহার হলেও এনএফটির মাধ্যমে তোলা হয়। তাই অব্যবহৃত ফান্ডের দিকেই কেন এবং কীভাবে জালিয়াতদের নজর গেল? তা নিয়েও রহস্য ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, বুধবার বালুরঘাট পুরসভা কর্তৃপক্ষের টাকা গায়েবের বিষয়টি নজরে আসে। এরপর সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি খতিয়ে দেখে রাতেই বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। পুরসভারও একই অনুমান এর সঙ্গে বড় কোনও প্রতারণা চক্র জড়িত রয়েছে। এব্যাপারে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, আসল চেক আমাদের হাতেই রয়েছে। সেই চেক জালিয়াতি করেই এই টাকা তোলা হয়েছে। আমরা ব্যাঙ্ককে চিঠি দিয়েছি। পাশাপাশি বালুরঘাট থানাতেও অভিযোগ দায়ের করেছি।
প্রসঙ্গত, বুধবার বালুরঘাট পুরসভা কর্তৃপক্ষের টাকা গায়েবের বিষয়টি নজরে আসে। এরপর সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি খতিয়ে দেখে রাতেই বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। পুরসভারও একই অনুমান এর সঙ্গে বড় কোনও প্রতারণা চক্র জড়িত রয়েছে। এব্যাপারে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, আসল চেক আমাদের হাতেই রয়েছে। সেই চেক জালিয়াতি করেই এই টাকা তোলা হয়েছে। আমরা ব্যাঙ্ককে চিঠি দিয়েছি। পাশাপাশি বালুরঘাট থানাতেও অভিযোগ দায়ের করেছি।



