সংবাদদাতা, পতিরাম: চেক জালিয়াতির মাধ্যমে হারানো অর্থ অবশেষে ফিরে পেল বালুরঘাট পুরসভা। খোয়া যাওয়া ওই সাড়ে ১৪ লক্ষ টাকা বালুরঘাট পুরসভাকে ফেরাল ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। পুরসভার চেক জালিয়াতি কাণ্ডে গত নভেম্বর মাসে হইচই পড়ে গিয়েছিল। সেসময় পুরসভা ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে ওই টাকা ফেরত দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। পরে এনিয়ে মামলা হয়। তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ার আগেই ওই টাকা পুরসভার অ্যাকাউন্টে ফিরিয়ে দিল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ওই মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিস। পুরসভার কাছে আসল চেক গচ্ছিত থাকা সত্ত্বেও কলকাতার একটি ব্রাঞ্চ থেকে ওই টাকা তুলে নেয় প্রতারকরা।
Advertisement
বুধবার টাকা ফেরত পেয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র। তিনি বলেন, পুরসভার কাছে ওই চেকগুলি সুরক্ষিতভাবে রাখা হয়েছিল। এরপরও ওই চেক জালিয়াতি করে ওই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৪ লক্ষ ৪০ হাজার ৬৮ টাকা তুলে নিয়েছিল প্রতারকরা। এনিয়ে আমরা পুলিসের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছি। পুলিস এনিয়ে তদন্ত করছে। আমরা ব্যাঙ্ককেও টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চিঠি করেছিলাম। মঙ্গলবার রাতেই অ্যাকাউন্টে টাকা ফেরত দিয়েছে।
এবিষয়ে বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, এই মামলায় পুরসভা টাকা ফেরত পেয়েছে। এটা একটা বড় প্রাপ্তি। আমরা এই মামলায় প্রথমে ভুয়ো চেকে টাকা তোলার জন্য দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছিলাম। পরে আরও একজনকে ধরা হয়। এর সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে।
বালুরঘাটের ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ম্যানেজার বলেন, পুরো বিষয়টি অন্য একটি ব্রাঞ্চ থেকে হয়েছে। বিষয়টি আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই দেখছে। গত ১২ ও ১৩ নভেম্বর বালুরঘাট পুরসভার তিনটি চেক থেকে টাকা তোলা হয়। সব মিলিয়ে মোট ১৪ লক্ষ ৪০ হাজার ৬৮ টাকা পুরসভার ওই অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব হয়ে যায়। ১৩ নভেম্বর রাতেই বালুরঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়।
এবিষয়ে বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, এই মামলায় পুরসভা টাকা ফেরত পেয়েছে। এটা একটা বড় প্রাপ্তি। আমরা এই মামলায় প্রথমে ভুয়ো চেকে টাকা তোলার জন্য দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছিলাম। পরে আরও একজনকে ধরা হয়। এর সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে।
বালুরঘাটের ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ম্যানেজার বলেন, পুরো বিষয়টি অন্য একটি ব্রাঞ্চ থেকে হয়েছে। বিষয়টি আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই দেখছে। গত ১২ ও ১৩ নভেম্বর বালুরঘাট পুরসভার তিনটি চেক থেকে টাকা তোলা হয়। সব মিলিয়ে মোট ১৪ লক্ষ ৪০ হাজার ৬৮ টাকা পুরসভার ওই অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব হয়ে যায়। ১৩ নভেম্বর রাতেই বালুরঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়।



