Bartaman Logo
২২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

১৫ বছর পর কলকাতা বইমেলায় চীন

১৫ বছর পর কলকাতা বইমেলায় আসছে চীনও। শেষবার চীনকে দেখা গিয়েছিল ২০১১ সালে। এবার ফিরে এল।

১৫ বছর পর কলকাতা বইমেলায় চীন
  • ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: বারুদের গন্ধ নয়। বরং ছাপার অক্ষরে ছড়িয়ে পড়ছে নতুন বইয়ের সুগন্ধ। যুদ্ধের ময়দান থেকে বিরতি নিয়ে পাঠকের ময়দানে মুখোমুখি হচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেন। সৌজন্যে কলকাতা বইমেলা। তারা শুধু নয়। ১৫ বছর পর কলকাতা বইমেলায় আসছে চীনও। শেষবার চীনকে দেখা গিয়েছিল ২০১১ সালে। এবার ফিরে এল।

Advertisement

মেলার তালিকায় গরহাজির শুধু আমেরিকা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ এবার এল না। তবে চীন-রাশিয়ার উপস্থিতি ভারতের কূটনৈতিক ভাষ্যে নতুন ইঙ্গিত জুড়ে দিল আবার। জানা গিয়েছে, একেবারে শেষ মুহূর্তে চীন উপস্থিত থাকার বিষয়টি জানিয়েছে গিল্ডকে। ২০টি দেশ আসার কথা ছিল। চীন সংযোজিত হওয়ায় সে তালিকা কলেবরে বৃদ্ধি পেল। এবার বইমেলায় উপস্থিত ২১টি দেশ।

আগামী কাল, বৃহস্পতিবার ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার সূচনা। বিকেল চারটেয় সল্টলেকে মেলার উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মেলা চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। মঙ্গলবার দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু মেলাপ্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন। বিকেলে হয় ‘কার্টেন রেইজার’ অনুষ্ঠান। সেখানে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সভাপতি সুধাংশুশেখর দে, সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়, যুগ্ম সম্পাদক শুভঙ্কর দে সহ গিল্ডের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ত্রিদিববাবু এবং সুধাংশুবাবু বলেন, চীন আসছে। এটা আমাদের কাছে বড়ো খবর। ওরা এর আগে একাধিকবার বইমেলায় এসেছে। তবে ২০১১ সালের পর আসেনি। ২০২৬ সালে আবার আসছে। আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। এবার মোট ২১টি দেশ উপস্থিত হচ্ছে। লিটল ম্যাগাজিন, দেশ-বিদেশ মিলিয়ে স্টলের সংখ্যা হাজারেরও বেশি।

প্রসঙ্গত আমেরিকার সঙ্গে শুল্ক লড়াইয়ের মধ্যেই চীনের তিয়ানজিনে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। প্রতিবার আমেরিকাকে বইমেলায় দেখা যায়। এবার উল্লেখযোগ্য তারা আসছে না। এ বিষয়ে ত্রিদিববাবু বলেন, আমেরিকা আমাদের জানিয়েছে তারা এবার আসতে পারছে না। আমরা আশা করছি পরেরবার তাদের আবার পাব।

অন্যদিকে বইমেলায় মেট্রো, বাস, ক্যাব, অ্যাপবাইক ছাড়াও স্থানীয়স্তরের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হল অটো এবং রিকশ। বইমেলার সময় কেউ যাতে অতিরিক্ত ভাড়া না নেয় সে বিষয়ে গিল্ডের পক্ষ থেকে পুলিশকে জানানো হয়েছে। গিল্ডের সভাপতি সুধাংশুবাবু বলেন, ভাড়ার তালিকা যাতে নির্দিষ্ট করা হয়, সে ব্যাপারে আমরা বিধাননগর কমিশনারেটের কাছে অনুরোধ করেছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ