Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬

প্লে-স্কুলে শিশুকে শারীরিক নিগ্রহ, গ্রেপ্তার অ্যাটেনডেন্ট

তিন বছরের খুদে। পড়াশুনোর অভ্যাস তৈরি করতে প্লে-স্কুলে পাঠিয়েছিলেন বাবা-মা। কিন্তু, বিগত কয়েকদিন ধরেই শিশুর আচরণে বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করেন তাঁরা।

প্লে-স্কুলে শিশুকে শারীরিক নিগ্রহ, গ্রেপ্তার অ্যাটেনডেন্ট
  • ৩১ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: তিন বছরের খুদে। পড়াশুনোর অভ্যাস তৈরি করতে প্লে-স্কুলে পাঠিয়েছিলেন বাবা-মা।  কিন্তু, বিগত কয়েকদিন ধরেই শিশুর আচরণে বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করেন তাঁরা। সন্তান বাথরুমে যেতে চাইছিল না। অকারণে খিটখিট করছিল। সেইসঙ্গে সারা রাত কান্নাকাটি। উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানে দেখা যায়, শিশুটির কানের মধ্যে ক্ষত রয়েছে। এছাড়া শরীরে একাধিক নিগ্রহের চিহ্নও মিলেছে। তাতেই সন্দেহ হয় বাবা-মায়ের। খোঁজ নিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, প্রিস্কুলেই নিয়মিত নিগ্রহের শিকার হচ্ছে সন্তানকে। চেয়ারে বেঁধে রাখারও চেষ্টা করছেন অ্যাটেনডেন্ট। বিষয়টি জানার পরই শুক্রবার প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর, প্রিন্সিপাল, শিক্ষক ও অ্যাটেনডেন্টের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শিশুর বাবা। তদন্তে নেমে অভিযুক্ত অ্যাটেনডেন্টকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উত্তর-পূর্ব দিল্লির মৌজপুরের এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নিগ্রহ ছাড়াও শিশুর পরিবারের তরফে আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন শিশুর বাবা। তিনি পেশায় আইনজীবী। তাঁর অভিযোগ, সন্তানের শরীরে আঘাতে চিহ্ন দেখে স্কুলে গিয়ে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখতে চাই। 

Advertisement

প্রথমে কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হয়, প্রযুক্তিগত ক্রুটির জন্য কোনো ভিডিয়ো দেখানো যাবে না। কিন্তু, স্কুলের এক আধিকারিক ফুটেজ দেখানোর জন্য দেড় হাজার টাকা ঘুষ চান। সেই অর্থ মেটানোর পর সমস্ত ভিডিয়ো দেখা হয়। তাতেই শারীরিক নিগ্রহের প্রমাণ মেলে। তাতে দেখা যায়, খুদের কান ধরে টানাটানি করছেন অ্যাটেনডেন্ট। শিশুকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেয়ারের সঙ্গে বেঁধেও রাখা হয়েছে। লাথিও মারা হচ্ছে। তারপরই শুক্রবার থানার দ্বারস্থ হয় পরিবার। পুলিশ গিয়ে স্কুল থেকে সিসিটিভির ডিভিআর বাজেয়াপ্ত করে। পরে এফআইআরও দায়ের হয়। শারীরিক পরীক্ষার জন্য জিটিবি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ওই শিশুকে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ