Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভবানীপুরে ইনডোর সেন্টার চান মুখ্যমন্ত্রী, জমির খোঁজে পুরসভা

ভবানীপুরে খেলাধুলোর জন্য আধুনিক ইনডোর সেন্টার বানাতে চান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশ পেয়ে ময়দানে নেমে পড়েছে কলকাতা পুরসভা। চলছে জমির খোঁজ। এক-দু’দিনের মধ্যেই পুরসভার কর্তারা জমি দেখতে যাবেন বলে খবর।

ভবানীপুরে ইনডোর সেন্টার চান মুখ্যমন্ত্রী, জমির খোঁজে পুরসভা
  • ২ জুন, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভবানীপুরে খেলাধুলোর জন্য আধুনিক ইনডোর সেন্টার বানাতে চান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশ পেয়ে ময়দানে নেমে পড়েছে কলকাতা পুরসভা। চলছে জমির খোঁজ। এক-দু’দিনের মধ্যেই পুরসভার কর্তারা জমি দেখতে যাবেন বলে খবর। 

Advertisement

গত সপ্তাহে নিজের বিধানসভা অঞ্চল ভবানীপুরে প্রশাসনিক বৈঠক ডেকেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে এলাকার সমস্ত কাউন্সিলার উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন পুর-কমিশনার স্মিতা পান্ডে সহ অন্যান্য বিভাগীয় প্রধান। আলিপুরে কলকাতা পুরসভার ৯ নম্বর বরো অফিসে সেই বৈঠক হয়। বরো স্তরের আধিকারিকরাও ছিলেন সেখানে। সেই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী নিজের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সূত্রের খবর, নিজের বিধানসভা অঞ্চল ভবানীপুরে খেলাধুলার জন্য একটি ইনডোর সেন্টার তৈরির পরিকল্পনার কথা জানান শুভেন্দু। জমির খোঁজ করতে বলেন অফিসারদের। সেখানে মূলত বাস্কেট বল এবং ব্যাডমিন্টন জাতীয় খেলাধুলোর সুযোগ থাকবে। স্টেডিয়ামের মতো বড়ো না হলেও মাঝারি মাপের ইনডোর গেমিং সেন্টার। দর্শকাসন থাকবে। থাকবে বাথরুম, চেঞ্জিং রুম সহ আধুনিক সমস্ত পরিষেবা। পুরসভা সূত্রে খবর, আলিপুর অঞ্চলে সরকারি ফাঁকা জমি রয়েছে। আলিপুর জেল মিউজিয়ামের পাশে প্রায় ১৫ কাঠা একটি জমি এক্ষেত্রে পুরকর্তাদের প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছে। আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, ওই জমিটি অনেক দিন ধরেই খালি পড়ে রয়েছে। পূর্তদপ্তরের জায়গা। জমিটি দেখতে যাওয়া হবে। তারপর সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে। জায়গাটি পছন্দ হলে জমি হস্তান্তর সহ পরবর্তী যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। তবে ওই জমি পছন্দ না হলে তখন আবার বিকল্প চিন্তা ভাবনা করতে হবে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, বর্তমানে শহরে জমির অভাব রয়েছে। মাঠ কমে গিয়েছে। পার্কে বাচ্চা ছাড়া বড়োদের সেভাবে খেলাধুলোর সুযোগ নেই। ভবানীপুর অঞ্চলে এই ধরনের সরকারি ইনডোর গেমিং সেন্টার নেই। ভোট প্রচারে বেরিয়ে ভবানীপুরের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে অঞ্চলের অভাব-অভিযোগ শুনেছেন শুভেন্দু। কোথায় কী প্রয়োজন, কোথায় কী সমস্যা, তা খতিয়ে দেখেছেন। সেই অনুসারেই এই পরিকল্পনা বলে জানা গিয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ