নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: দুর্গাপুজো নিয়ে হুগলি জেলা প্রশাসনের তৎপরতা শুরু হয়েছে। প্রতিটি ব্লক ও পুর এলাকায় কোন কোন পুজো মণ্ডপ মুখ্যমন্ত্রী উদ্বোধন করতে পারেন, তা চিহ্নিত করে তালিকা পাঠাতে বলেছে জেলা প্রশাসন। পুজো মণ্ডপে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সোমবার থেকে পুলিশও সোমবার থেকে পরিদর্শনে নামছে।
প্রতিবছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা সহ জেলার নানা পুজোর উদ্বোধন করেন। ওই সমস্ত পুজো মণ্ডপে স্থানীয় পুলিশ, প্রশাসনের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকেন। এবারও তার অন্যথা হবে না। কলকাতা থেকেই ভার্চুয়ালি আরামবাগ মহকুমার একাধিক পুজো মণ্ডপ উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেজন্য তালিকা চেয়েছে হুগলি জেলা প্রশাসন।
এক আধিকারিক বলেন, জেলায় ধাপে ধাপে পুজো মণ্ডপের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। বিভিন্ন দিনে উদ্বোধন কর্মসূচি থাকে। গতবছর যে সমস্ত পুজো মণ্ডপের উদ্বোধন হয়েছে, সেগুলির পুজো প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হবে। তারপর মুখ্যমন্ত্রী যে সমস্ত মণ্ডপের উদ্বোধন করতে পারেন, তার তালিকা জেলাস্তরে পাঠানো হবে।
আরামবাগের এসডিপিও সুপ্রভাত চক্রবর্তী বলেন, পুজো উদ্যোক্তাদের নিয়ে প্রাথমিক বৈঠক করা হয়েছে। মণ্ডপে ঢোকা ও বেরনোর গেট ঠিকমতো তৈরি করা হয়েছে কিনা, পুরুষ, মহিলাদের আলাদা যাতায়াতের ব্যবস্থা আছে নাকি-সেসব দেখা হবে। মণ্ডপ চত্বরে ভিড় সামলানো বা অন্য নিরাপত্তার দিকও পুলিশ খতিয়ে দেখবে। সোমবার থেকেই সেই কাজ শুরু হয়েছে।
আরামবাগের মানিক সংঘের পুজো কমিটির সম্পাদক অভিষেক সরকার বলেন, গতবছর মুখ্যমন্ত্রী আমাদের পুজোর উদ্বোধন করেছিলেন। এবারও তিনি উদ্বোধন করলে স্বাগত জানাব। তবে এবার বৃষ্টির জন্য প্রস্তুতি কিছুটা ধীরগতিতে হচ্ছে। মহালয়ার মধ্যে মণ্ডপের কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। আরামবাগের সদরঘাট মিলন সংঘের সম্পাদক রূপক মুখোপাধ্যায় বলেন, গতবছর আমাদের পুজোর ১০০তম বর্ষপূর্তি হয়েছিল। ফলে ধুমধাম করে পুজো আয়োজন হয়। মুখ্যমন্ত্রী সেবছর পুজোর উদ্বোধন করেছিলেন। এবারও প্রস্তুতি চলছে। প্রশাসন মুখ্যমন্ত্রীর মাধ্যমে পুজো উদ্বোধন করাতে চাইলে তাতে সাড়া দেব।