সংবাদদাতা, কালনা: এক স্কুলছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় কালনা মহকুমা হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ উঠল। ওই ছাত্রীর বাড়ি কালনা থানার গ্রামকালনা এলাকায়। সে শনিবার স্কুলেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। প্রথমে কালনা হাসপাতালে চিকিৎসা চললেও তার অবস্থার অবনতি হতে থাকে। এরপর মেডিক্যালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কালনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে। রবিবার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যালে পাঠানো হয়।
Advertisement
হাসপাতালের সুপার চন্দ্রশেখর মাইতি বলেন, ওই ছাত্রীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। নিময় মেনে চিকিৎসা শুরু হয়। অবস্থার অবনতি হলে বর্ধমানে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। সেই রিপোর্ট এলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। হাসপাতালের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে।
ওই ছাত্রী কালনা থানার ধাত্রীগ্রাম গার্লস উচ্চবিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত। শনিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ স্কুল ছুটির সময় সে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। সে জানায়, তার মাথায় প্রচণ্ড যন্ত্রণা করছে। মেয়েটি বমি করতে থাকলে পরিস্থিতি বুঝে স্কুল কর্তৃপক্ষ তার বাড়িতে খবর দেয়। ছাত্রীর বাবা এসে মেয়েকে কালনা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কিছুক্ষণ চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে বেলা ৩টে নাগাদ তাকে বর্ধমান মেডিক্যালে স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানায়। এরপরই মৃতের পরিবার ও আত্মীয়রা কালনা হাসপাতালে দেহ ফিরিয়ে এনে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তোলে। তাঁদের অভিযোগ, সাপে ছোবল দিয়েছে, এমন কিছু ডাক্তারদের বলা হয়নি। তা সত্ত্বেও হাসপাতালে সাপে ছোবলের চিকিৎসা করা হয়।
স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা চিত্রা মুখোপাধ্যায় বলেন, শনিবার ছুটির সময় মেয়েটি মাথায় যন্ত্রণা ও বমি নিয়ে অসুস্থ হয়। স্কুল চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। সাপে ছোবল মেরেছে, এমন কিছু আমাদের জানানো হয়নি। মৃতার বাবা বলেন, চিকিৎসক আমাদের জিজ্ঞাসা না করেই ওকে সাপে ছোবলের ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা শুরু করেন। আমরা কখনোই বলিনি, ওকে সাপে ছোবল দিয়েছে। তা সত্ত্বেও কেন সাপে ছোবলের ওষুধ দেওয়া হল-বুঝতে পারছি না। মেয়ের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ও হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতির তদন্ত চাই।
ওই ছাত্রী কালনা থানার ধাত্রীগ্রাম গার্লস উচ্চবিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত। শনিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ স্কুল ছুটির সময় সে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। সে জানায়, তার মাথায় প্রচণ্ড যন্ত্রণা করছে। মেয়েটি বমি করতে থাকলে পরিস্থিতি বুঝে স্কুল কর্তৃপক্ষ তার বাড়িতে খবর দেয়। ছাত্রীর বাবা এসে মেয়েকে কালনা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কিছুক্ষণ চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে বেলা ৩টে নাগাদ তাকে বর্ধমান মেডিক্যালে স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানায়। এরপরই মৃতের পরিবার ও আত্মীয়রা কালনা হাসপাতালে দেহ ফিরিয়ে এনে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তোলে। তাঁদের অভিযোগ, সাপে ছোবল দিয়েছে, এমন কিছু ডাক্তারদের বলা হয়নি। তা সত্ত্বেও হাসপাতালে সাপে ছোবলের চিকিৎসা করা হয়।
স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা চিত্রা মুখোপাধ্যায় বলেন, শনিবার ছুটির সময় মেয়েটি মাথায় যন্ত্রণা ও বমি নিয়ে অসুস্থ হয়। স্কুল চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। সাপে ছোবল মেরেছে, এমন কিছু আমাদের জানানো হয়নি। মৃতার বাবা বলেন, চিকিৎসক আমাদের জিজ্ঞাসা না করেই ওকে সাপে ছোবলের ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা শুরু করেন। আমরা কখনোই বলিনি, ওকে সাপে ছোবল দিয়েছে। তা সত্ত্বেও কেন সাপে ছোবলের ওষুধ দেওয়া হল-বুঝতে পারছি না। মেয়ের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ও হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতির তদন্ত চাই।



