সংবাদদাতা, কালিয়াচক: ছাত্রের মাকে অশালীন মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন সহকারী শিক্ষক। চকবাহাদুরপুর প্রাইমারি স্কুলে এই ঘটনা ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় সোমবার। দীর্ঘক্ষণ ঘরেই আটকে রাখা হয়েছিল অভিযুক্ত শিক্ষককে। ঘটনাটি বৈষ্ণবনগর থানা এলাকার কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চকবাহাদুরপুরের।
Advertisement
অভিযোগ,চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রের মা সোমবার দুপুরে ওই প্রাইমারি স্কুলে গিয়েছিলেন ফর্ম ফিল আপ করার জন্য। ক্লাস টিচার না থাকায় সহশিক্ষকের কাছে যান তিনি। ফর্মটি ফিল আপ করে দেওয়ার কথা বলতেই ওই শিক্ষক সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন ছাত্রের মাকে। মহিলা তখন বলেন, আর তো কেউ নেই, আপনি যদি করে দেন। অভিযোগ, তখনই মহিলাকে অশালীন মন্তব্য করেন ওই শিক্ষক। বাইরে এসে ছাত্রের মা বিষয়টি জানাতেই তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে স্কুল চত্বরে। প্রায় শতাধিক গ্রামবাসী ও অভিভাবক শিক্ষককে ঘরে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। বৈষ্ণবনগর থানার পুলিস গেলের তাঁদের সঙ্গেও বচসায় জড়িয়ে পড়েন বাসিন্দারা। তখন পুলিস লাঠিচার্জ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ছাত্রের মায়ের কথায়, ছেলে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হবে। আমি সেরকম পড়াশোনা জানি না বলে স্কুলের শিক্ষকের কাছে ফর্ম ফিল আপের জন্য গিয়েছিলাম। প্রথমে রাজি হননি। আরেকবার অনুরোধ করলে তিনি গালি দেন। বিষয়টি বাসিন্দাদের জানালে তাঁরা স্কুলে গিয়ে শিক্ষকের আচরণের প্রতিবাদ করেন। তাঁকে আটকেও রাখা হয়েছিল।
স্থানীয় বাপ্পা মণ্ডলের দাবি,অভিযুক্ত শিক্ষক বরাবর অনেকের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। কখনও তিনি অভিভাবকদের সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলেন না। দিনের পর দিন সাধারণ মানুষ অনেক সহ্য করেছেন। তাঁরা এদিনের ঘটনার পর আর ধৈর্য্য ধরতে পারেননি বলে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।
ওই শিক্ষক অভিযোগ প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে, প্রধান শিক্ষক সুজিত লালার মন্তব্য, হয়তো ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তারপরেও বিষয়টি খতিয়ে দেখছি আমরা। পুলিস জানিয়েছে, এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ছাত্রের মায়ের কথায়, ছেলে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হবে। আমি সেরকম পড়াশোনা জানি না বলে স্কুলের শিক্ষকের কাছে ফর্ম ফিল আপের জন্য গিয়েছিলাম। প্রথমে রাজি হননি। আরেকবার অনুরোধ করলে তিনি গালি দেন। বিষয়টি বাসিন্দাদের জানালে তাঁরা স্কুলে গিয়ে শিক্ষকের আচরণের প্রতিবাদ করেন। তাঁকে আটকেও রাখা হয়েছিল।
স্থানীয় বাপ্পা মণ্ডলের দাবি,অভিযুক্ত শিক্ষক বরাবর অনেকের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। কখনও তিনি অভিভাবকদের সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলেন না। দিনের পর দিন সাধারণ মানুষ অনেক সহ্য করেছেন। তাঁরা এদিনের ঘটনার পর আর ধৈর্য্য ধরতে পারেননি বলে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।
ওই শিক্ষক অভিযোগ প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে, প্রধান শিক্ষক সুজিত লালার মন্তব্য, হয়তো ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তারপরেও বিষয়টি খতিয়ে দেখছি আমরা। পুলিস জানিয়েছে, এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।



