নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: স্কুল ছাত্রীকে যৌন নিগ্রহের ঘটনায় অভিযোগ দায়েরের ৬ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রক্রিয়া সেরে চার্জশিট জমা দিয়ে দিল জলপাইগুড়ি পুলিস। এত দ্রুত চার্জশিট জমা দেওয়ার ঘটনা কার্যত নজিরবিহীন। স্কুলে নিয়ে যাওয়ার পথে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে টোটোচালক ধর্ষণ করেছে বলে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জলপাইগুড়ি মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতার পরিবার। ওই অভিযোগ দায়ের হওয়ার আট ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত টোটোচালককে গ্রেপ্তার করে পুলিস। এরপর দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়া সেরে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়ে দেওয়া হয় পুলিসের তরফে। জলপাইগুড়ি মহিলা থানার আইসি ডিকি লামু ভুটিয়া বলেন, ৮ ফেব্রুয়ারি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আমরা ১৪ ফেব্রুয়ারি আদালতের চার্জশিট জমা দিয়ে দিয়েছি। একমাসের মধ্যে যাতে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়, সেই চেষ্টা চলছে। জলপাইগুড়ি শহর লাগোয়া এলাকার বাসিন্দা ওই ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, গত ২১ ডিসেম্বর স্কুল যাওয়ার পথে অভিযুক্ত টোটোচালক ওই ছাত্রীকে মাদক মেশানো চকোলেট খেতে দেয়। সেটি খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ছাত্রী তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এরপর ওই টোটোচালক ছাত্রীকে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পরে মেয়ের স্কুল ব্যাগের ভিতর থেকে প্রেগনেন্সি কিট পান ছাত্রীর মা। এরপরই তিনি মেয়েকে চেপে ধরলে, সে গোটা ঘটনাটি বলে। এমনকী এটাও জানায়, ঘটনার কথা কাউকে না জানানোর জন্য তাকে শাসিয়েছিল ওই টোটোচালক। অভিযুক্ত টোটোচালকই মেয়েটির এক বান্ধবীকে দিয়ে ওই প্রেগনেন্সি কিট পাঠায় বলে দাবি ছাত্রীর পরিবারের।



