সংবাদদাতা, তেহট্ট: তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক প্রাথমিক শিক্ষককে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিলেন বিচারক। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন তেহট্টের স্পেশাল পকসো আদালতের বিচারক সঞ্জয়রঞ্জন পাল। মঙ্গলবার তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন বিচারক। আদালত সুত্রে জানা গিয়েছে, সাজাপ্রাপ্ত শিক্ষকের নাম রজতজ্যোতি বিশ্বাস।
Advertisement
সরকারি পক্ষের আইনজীবী বিদ্যুৎকুমার বিশ্বাস বলেন , ২০১৯ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রাথমিক স্কুলের ছাদে ঘটনাটি ঘটে। অন্যান্য দিনের মতো সেদিনও স্কুলে গিয়েছিল তেহট্ট থানার বেতাই এলাকার ওই ছাত্রী। স্কুলে ঠিক টিফিনের আগে শিশুটিকে ছাদে নিয়ে যায় ওই শিক্ষক। সেখানে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। এ কথা বাড়িতে বললে তাকে স্কুলের ছাদ থেকে ফেলে মেরে দেওয়ার হুমকি দেয় ওই শিক্ষক। মেয়ে অসুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফিরলে বাবা মা কী হয়েছে জানতে চায়। শিশুটি সমস্ত ঘটনা খুলে বলে। সেদিনই বিষয়টি জানাজানি হয়। স্কুলে বিক্ষোভ দেখায় পরিবারের লোকজন ও এলাকার বাসিন্দারা।
গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসায় শিশুটি সুস্থ হলে ৬ ডিসেম্বর তেহট্ট থানায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ওইদিনই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিস । সেদিন থেকে ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত ওই শিক্ষক সংশোধানাগারে ছিল। তারপর জামিনে ছাড়া পেয়েছিল। ১৫ জনের সাক্ষ্য প্রমাণ ও শিশুটির বয়ানের ভিত্তিতে বিচারক শিক্ষককে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন। তিনি বলেন, ওই শিক্ষক যতদিন সংশোধানাগারে ছিল এই সাজা থেকে তা বাদ যাবে। জরিমানার ৫০ হাজার টাকা ওই শিশুকে দিতে হবে। আসামী পক্ষের আইনজীবী বলেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব।
গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসায় শিশুটি সুস্থ হলে ৬ ডিসেম্বর তেহট্ট থানায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ওইদিনই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিস । সেদিন থেকে ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত ওই শিক্ষক সংশোধানাগারে ছিল। তারপর জামিনে ছাড়া পেয়েছিল। ১৫ জনের সাক্ষ্য প্রমাণ ও শিশুটির বয়ানের ভিত্তিতে বিচারক শিক্ষককে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন। তিনি বলেন, ওই শিক্ষক যতদিন সংশোধানাগারে ছিল এই সাজা থেকে তা বাদ যাবে। জরিমানার ৫০ হাজার টাকা ওই শিশুকে দিতে হবে। আসামী পক্ষের আইনজীবী বলেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব।



