নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: প্রেমিকাকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে আদালতের নির্দেশে প্রেমিক সহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হল। গত ৩০ মে তমলুক থানার কুলবেড়্যা গ্রামে ভাড়াবাড়িতে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ ওই ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন। তাঁর বাবা তমলুকের কাকগেছিয়ার একটি হাইস্কুলের শিক্ষক। বাঁকুড়ায় হিড়বাঁধ থানা এলাকায় আদি বাড়ি। কর্মসূত্রে তমলুক থানার কুলবেড়্যায় থাকেন। ভাড়াবাড়ির মালিকের এক আত্মীয়ের সঙ্গে ওই ছাত্রীর প্রেম হয়। ছাত্রীর পরিবারের লোকজন এই সম্পর্ক মেনে নেননি। এসটি সম্প্রদায়ভুক্ত ওই ছাত্রীকে দূরবর্তী কলেজে ভর্তি করার জন্য ফর্ম তুলেছিলেন তাঁর বাবা। তা জানতে পেরে অভিযুক্ত যুবক ধারাবাহিক ব্ল্যাকমেল শুরু করে বলে অভিযোগ। শেষমেশ ওই ছাত্রী আত্মঘাতী হন। ঘটনার সাত মাস পর আদালতের নির্দেশে ১৮ ডিসেম্বর তমলুক থানার পুলিস মামলা রুজু করেছে। আত্মহত্যার প্ররোচনার পাশাপাশি এসসি, এসটি অত্যাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা হয়েছে। ঘটনার তদন্তকারী অফিসার হয়েছেন তমলুকের এসডিপিও।
Advertisement
জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রী উচ্চ মাধ্যমিকে বিজ্ঞান শাখায় ভালো ফলাফল করেছেন। এবছর নিট পরীক্ষায়ও বসেছিলেন। বাড়ির লোকজন তাঁকে কলকাতা কিংবা মেদিনীপুর কলেজে ভর্তির তোড়জোর শুরু করেছিলেন। এনিয়ে ওই ছাত্রীকে তাঁর প্রেমিক ব্ল্যাকমেল করে বলে অভিযোগ। জাতপাত তুলেও গালিগালাজ করে, যার জেরে অবসাদে ওই মেধাবী ছাত্রী আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ। ওই ঘটনায় প্রেমিক ছাড়াও ভাড়াবাড়ির গৃহকর্ত্রী ও তার ছেলেকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবক নিমতৌড়িতে একটি হোটেল চালায়। তার মাসির বাড়িতেই ভাড়ায় ছিল ওই শিক্ষক পরিবার। মাসির বাড়িতে আসা যাওয়ার সুবাদে ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেম হয়। দুজনের সম্পর্কে ভাড়াবাড়ির মালকিন এবং তার ছেলের মদত দিত বলে অভিযোগ। তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ভুক্ত ওই ছাত্রীর বাড়ির লোকজন তাঁর উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। দূরবর্তী কলেজে ভর্তি হলে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে অভিযুক্ত প্রেমিক তাঁকে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করে। ঘটনার আগের দিন প্রকাশ্য রাস্তায় দাঁড় করিয়ে জাতপাত তুলে গালিগালাজ করা হয় বলে পরিবারের দাবি। সেই রাতেই ছাত্রী অত্মঘাতী হন।
ছাত্রীর বাবা বলেন, কুলবেড়্যার এক যুবক আমার মেয়েকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে সহবাস করে। তারপর নানাভাবে ব্ল্যাকমেল করে। শেষপর্যন্ত আমার মেয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। মেয়ের এই পরিণতির জন্য দায়ী ওই যুবক এবং ভাড়াবাড়ির মালকিন ও তার ছেলে। আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবক নিমতৌড়িতে একটি হোটেল চালায়। তার মাসির বাড়িতেই ভাড়ায় ছিল ওই শিক্ষক পরিবার। মাসির বাড়িতে আসা যাওয়ার সুবাদে ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেম হয়। দুজনের সম্পর্কে ভাড়াবাড়ির মালকিন এবং তার ছেলের মদত দিত বলে অভিযোগ। তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ভুক্ত ওই ছাত্রীর বাড়ির লোকজন তাঁর উচ্চশিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। দূরবর্তী কলেজে ভর্তি হলে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে অভিযুক্ত প্রেমিক তাঁকে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করে। ঘটনার আগের দিন প্রকাশ্য রাস্তায় দাঁড় করিয়ে জাতপাত তুলে গালিগালাজ করা হয় বলে পরিবারের দাবি। সেই রাতেই ছাত্রী অত্মঘাতী হন।
ছাত্রীর বাবা বলেন, কুলবেড়্যার এক যুবক আমার মেয়েকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে সহবাস করে। তারপর নানাভাবে ব্ল্যাকমেল করে। শেষপর্যন্ত আমার মেয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। মেয়ের এই পরিণতির জন্য দায়ী ওই যুবক এবং ভাড়াবাড়ির মালকিন ও তার ছেলে। আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।



