সংবাদদাতা, বোলপুর: বোলপুর কলেজের ৭৫বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে এসে শনিবার ইউজিসিকে একহাত নিলেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। তিনি বলেন, বাংলার ছাত্রছাত্রীরা বিকৃত ইতিহাস পড়ছে। এভাবে দেশটাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে ইউজিসি। অনুষ্ঠানে বিশ্বভারতীকে খোঁচা দিলেন প্রাক্তন উপাচার্য সুশান্ত দত্তগুপ্ত। তিনি বলেন, বোলপুর কলেজকে দেখে বিশ্বভারতীর শেখা উচিত কীভাবে নিয়োগ পূরণ করতে হয়। ৭৫বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সেজে উঠেছে কলেজ। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। এদিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জলসম্পদ ও সেচমন্ত্রী মানসবাবু, সুশান্তবাবু ছাড়াও এসআরডিএর চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডল, মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, কলেজের অধ্যক্ষ নুরশাদ আলি উপস্থিত ছিলেন।
Advertisement
এই মুহূর্তে কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত বিশ্বভারতীর বেহাল অবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ প্রচুর পদ ফাঁকা। তা নিয়ে খোঁচা দিয়ে সুশান্তবাবু বলেন, বোলপুর কলেজে অধ্যাপকদের ৪৮টি পদই পূরণ হয়ে গিয়েছে। এই কলেজকে দেখে বিশ্বভারতীর শেখা উচিত। পঠনপাঠন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আসুক, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে শিক্ষকের ‘আই কনটাক্ট’ না হলে পড়ানোটা ঠিক করে হয় কি না আমার সন্দেহ আছে। বর্তমানে পড়াশোনার প্রতি পড়ুয়াদের যে অনীহা তৈরি হয়েছে তারজন্য কোভিড কিছুটা হলেও দায়ী।
সেচমন্ত্রী বলেন, ইতিহাসকে অবহেলা করে কোনও সভ্যতা বাঁচতে পারে না। একটা দেশ তখনই ধ্বংস হয়ে যায়, যখন তার সংস্কৃতি ও সভ্যতার মৃত্যু ঘটে। কেন বাংলার ছাত্রছাত্রীরা বিকৃত ইতিহাস পড়বে? ইতিহাসকে সঠিকভাবে পুনরায় লেখা দরকার। দেশটাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে ইউজিসি। ফরমান জারি করে মুখ্যমন্ত্রী, ক্যাবিনেট, রাজ্যের শিক্ষাদপ্তরের হাত থেকে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষমতা কেড়ে নিতে চাইছে। উত্তরপ্রদেশ, বিহারের লোকরা পশ্চিমবঙ্গের উপাচার্য ঠিক করবে? তা আবার হয় নাকি!
সেচমন্ত্রী বলেন, ইতিহাসকে অবহেলা করে কোনও সভ্যতা বাঁচতে পারে না। একটা দেশ তখনই ধ্বংস হয়ে যায়, যখন তার সংস্কৃতি ও সভ্যতার মৃত্যু ঘটে। কেন বাংলার ছাত্রছাত্রীরা বিকৃত ইতিহাস পড়বে? ইতিহাসকে সঠিকভাবে পুনরায় লেখা দরকার। দেশটাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে ইউজিসি। ফরমান জারি করে মুখ্যমন্ত্রী, ক্যাবিনেট, রাজ্যের শিক্ষাদপ্তরের হাত থেকে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষমতা কেড়ে নিতে চাইছে। উত্তরপ্রদেশ, বিহারের লোকরা পশ্চিমবঙ্গের উপাচার্য ঠিক করবে? তা আবার হয় নাকি!



