ভুবনেশ্বর: কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজির হস্টেলে নেপালি ছাত্রী প্রকৃতি লামসালের আত্মহত্যাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত ক্যাম্পাস চত্বর। ছাত্রীর মৃত্যু ও তার জেরে তৈরি হওয়া আন্দোলনে বলপ্রয়োগের অভিযোগে ইতিমধ্যেই তিন ডিরেক্টর সহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। জানা গিয়েছে, ওই ক্যাম্পাসে প্রায় ৫০০ নেপালি পড়ুয়া রয়েছেন। ছাত্রীর মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারপরই তাঁদের সরাতে তৎপর হয় কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের মৌখিক ও শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কূটনৈতিক মহলেও টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। এদিন নেপালের সংসদেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে নেপালে স্থিত ভারতীয় দূতাবাসও। তারা জানিয়েছে, ওড়িশা সরকার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এক পড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি, আন্দোলনরত পড়ুয়াদের হেনস্তার অভিযোগে আটক করা হয়েছে কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীকে।
Advertisement
সরব হয়েছেন মৃত প্রকৃতি লামসালের বাবাও। দোষীর কড়া শাস্তির দাবি জানানোর পাশাপাশি কর্তৃপক্ষের এহেন পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন তিনি। বলেছেন, ‘গত দুই দিন ধরে বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করা হয়েছে। এটা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’ পুলিস-প্রশাসনের বিরুদ্ধে গড়িমসির অভিযোগ তুলে তাঁর দাবি, দোষীর যেন কঠোরতম শাস্তি হয়। উল্লেখ্য, ধৃত পড়ুয়ার বিরুদ্ধে প্রকৃতিতে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।



