নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: সোমবার সকাল থেকেই মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনে এআইডিএসও’র পাঁচজন পড়ুয়া বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। ভিতরে তখন সেমেস্টারের পরীক্ষা চলছিল। বেশ কিছু পড়ুয়া পরীক্ষা শেষ করে বেরোনোর সময় আটকে পড়েন। বেশ কয়েকজন ঢুকতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। এই খবর শুনে সেখানে হাজির হন স্থানীয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারা। বিক্ষোভকারী ডিএসও’র পাঁচ ছাত্রকে তাড়া করেন তৃণমূলের ছাত্র নেতারা। এক ছাত্রকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। এই ঘটনায় সাময়িক উত্তেজনা ছড়ায় বহরমপুরের পুলিস রিজার্ভ রোডে। তবে, আগে থেকেই সেখানে হাজির ছিলেন বহরমপুর থানার পুলিস আধিকারিকরা দু’পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেন তাঁরা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের গলি থেকে বেরিয়ে মেন রাস্তার উপরে দুই সংগঠনের সমর্থকরা স্লোগান দিতে থাকেন। দু’পক্ষের মধ্যে তুমুল তর্কাতর্কিও চলে। পরে বিশাল পুলিস বাহিনী এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
Advertisement
এদিন বিকেলে এসএফআইয়ের তরফ থেকে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান হাতে গোনা কয়েকজন কর্মী। বহরমপুরের গির্জার মোড়ে অল্প সময়ের জন্য পথ অবরোধ করেন তাঁরা। সেখানে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর ছবি পোড়ানো হয়।
মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ডিএসও’র জখম ওই ছাত্রনেতা সুব্রত মণ্ডল বলেন, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তৃণমূল গুন্ডাবাহিনীর থ্রেট কালচার চলছে। এদিনও বহিরাগত গুন্ডাদের এনে আমাদের উপর হামলা চালানো হয়। পুলিস ছিল নীরব দর্শক। আমার জামা ছিঁড়ে দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়েছে।
পাল্টা তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি নাজমুল মিঁয়া (সানশাইন) বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমেস্টার পরীক্ষা চলছে। কেন ওরা চার পাঁচজন এসে গেট আটকে রাখবে। ভিতরে পরীক্ষা দিয়ে পড়ুয়ারা বের হতে পারছিলেন না। অনেকে দূর দুরন্ত থেকে এসে ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারছেন না। তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। আমরা তারই প্রতিবাদ জানাতে এসেছিলাম। ওদেরকে প্রথমে গেট ছেড়ে দিতে বলা হলে ওরা কথা শোনেনি। তারপর পুলিস গিয়ে ওদের সরিয়ে দিয়েছে। কাউকে কোনও মারধর করা হয়নি।
কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষা নির্বিঘ্নে হোক, সেটা আমরা চাই। সারা বছর তারা খাটাখাটনি করে পড়াশোনা করেছে। এটা তাদের কেরিয়ারের বড় বিষয়। সে পরীক্ষায় যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেটা আমার দাবি। আন্দোলন করার অধিকার সকলেরই রয়েছে। কিন্তু দিনক্ষণ নিয়ে সেটা আলোচনা করার দরকার ছিল। তবে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় যে ঘটনা ঘটেছে তাতে নিন্দা করার ভাষা নেই। ব্রাত্য বসুর মতো লোক কি করে এই ঘটনা ঘটাতে পারলেন, সেটাই আশ্চর্যের। তৃণমূলে যে কয়েকজন ভদ্রলোক এদিক-ওদিক ছিটিয়ে রয়েছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম ব্রাত্য বুস। তাঁর এমন কার্যকলাপ দেখে আমি শিউরে উঠছি। ওঁর এখনই মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া উচিত।
মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ডিএসও’র জখম ওই ছাত্রনেতা সুব্রত মণ্ডল বলেন, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তৃণমূল গুন্ডাবাহিনীর থ্রেট কালচার চলছে। এদিনও বহিরাগত গুন্ডাদের এনে আমাদের উপর হামলা চালানো হয়। পুলিস ছিল নীরব দর্শক। আমার জামা ছিঁড়ে দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়েছে।
পাল্টা তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি নাজমুল মিঁয়া (সানশাইন) বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমেস্টার পরীক্ষা চলছে। কেন ওরা চার পাঁচজন এসে গেট আটকে রাখবে। ভিতরে পরীক্ষা দিয়ে পড়ুয়ারা বের হতে পারছিলেন না। অনেকে দূর দুরন্ত থেকে এসে ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারছেন না। তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। আমরা তারই প্রতিবাদ জানাতে এসেছিলাম। ওদেরকে প্রথমে গেট ছেড়ে দিতে বলা হলে ওরা কথা শোনেনি। তারপর পুলিস গিয়ে ওদের সরিয়ে দিয়েছে। কাউকে কোনও মারধর করা হয়নি।
কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষা নির্বিঘ্নে হোক, সেটা আমরা চাই। সারা বছর তারা খাটাখাটনি করে পড়াশোনা করেছে। এটা তাদের কেরিয়ারের বড় বিষয়। সে পরীক্ষায় যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেটা আমার দাবি। আন্দোলন করার অধিকার সকলেরই রয়েছে। কিন্তু দিনক্ষণ নিয়ে সেটা আলোচনা করার দরকার ছিল। তবে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় যে ঘটনা ঘটেছে তাতে নিন্দা করার ভাষা নেই। ব্রাত্য বসুর মতো লোক কি করে এই ঘটনা ঘটাতে পারলেন, সেটাই আশ্চর্যের। তৃণমূলে যে কয়েকজন ভদ্রলোক এদিক-ওদিক ছিটিয়ে রয়েছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম ব্রাত্য বুস। তাঁর এমন কার্যকলাপ দেখে আমি শিউরে উঠছি। ওঁর এখনই মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া উচিত।



