নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ছটের আগে বিহার-ঝাড়খণ্ডগামী ট্রেনে মাত্রাতিরিক্ত যাত্রীর চাপ। সংরক্ষিত কামরাতেও তিল ধারণের জায়গা নেই। ট্রেনের পাদানি থেকে বাথরুম, ঠাসাঠাসি করে চলছে যাতায়াত। যাত্রীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হলেও ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন আরপিএফ থেকে টিকিট পরীক্ষকরা। আসানসোল স্টেশনে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার সাক্ষী হচ্ছেন যাত্রীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ৫০ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালাচ্ছে পূর্ব রেল। চাহিদার তুলনায় তাও পর্যাপ্ত নয়। স্পেশাল ট্রেনে বাড়তি ভাড়া নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। আসানসোল থেকে পাটনায় স্লিপার ক্লাসে যেতে হলে স্পেশাল ট্রেনে গুণতে হচ্ছে বাড়তি ১৬০ টাকা। ছটের আগে বাড়ি পৌঁছতে অনেকে সাধারণ কামরার টিকিট কেটেই উঠে পড়ছেন সংরক্ষিত কামরায়।
Advertisement
শনিবার রাতে অবাঙালি সম্প্রদায়ের যাত্রীদের ব্যাপক ভিড় হয় আসানসোল স্টেশনে। সবার লক্ষ্য নিজেদের এলাকায় গিয়ে ছট উৎসব পালন করা। রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে আসানসোল স্টেশনে ঢুকল যথাক্রমে গঙ্গাসাগর এক্সেপ্রেস, অমৃতসর মেল ও বিভূতি এক্সপ্রেস। বিহার অভিমুখে যাওয়া তিনটি ট্রেনে উঠতেই মানুষের হুড়োহুড়ি লেগে যায়। কিন্তু যাত্রীরা উঠবেন কী করে, হাওড়ার দিক থেকে আসা ট্রেনের কামরা তো ‘হাউসফুল’। ট্রেনের সিঁড়িগুলিতেও বসে আছেন যাত্রীরা। ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে আসানসোল স্টেশনজুড়ে রেলের চূড়ান্ত তৎপরতা দেখা যায়। আরপিএফ, টিকিট পরীক্ষক প্রচুর সংখ্যায় উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের লক্ষ্য এই ব্যাপক ভিড়ে কোনও পদপিষ্ট বা ট্রেন থেকে পড়ে দুর্ঘটনা না ঘটে যায়। ট্রেন আসার আগে আরপিএফ কর্মীরা প্লাটফর্মে দড়ি ধরে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করছেন। হ্যান্ড মাইক হাতে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা দিচ্ছেন। হুইসেল বাজিয়ে ভিড় খালি করার চেষ্টা করছেন। ট্রেনের গেট থেকে কামরার করিডরজুড়ে মানুষ বসে পড়েছেন। তাঁদের ধমক দিয়ে তুলে আসানসোলের যাত্রীদের ট্রেনে তুলে দিতে সচেষ্ট আরপিএফ ও টিকিট চেকাররা। কিন্তু এত সংকীর্ণ জায়গায় কতজন যাত্রীই বা যেতে পারবেন।
আর এই বাড়তি ভিড়ই অন্যান্য যাত্রীদের করুণ অবস্থা করে ছেড়েছে। আসানসোল স্টেশনে গিয়ে দেখা গিয়েছে, বিহার অভিমুখে যাওয়া ট্রেনগুলির সংরক্ষিত কামরাগুলিতে একএকটি সিট তিন-চারজন দখল করে রয়েছে। যিনি সঠিক ভাড়া দিয়ে সিট বুক করে যাচ্ছেন ভিড়ের চাপে তাঁর সিট দখল হয়ে গিয়েছে। এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় রেলের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন যাত্রীরা। কেন রেল সংরক্ষিত কামরায় অসংরক্ষিত টিকিট নিয়ে ওঠা মানুষজনকে উঠতে দিচ্ছেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্লাটফর্মে দায়িত্বপ্রাপ্ত টিকিট পরীক্ষক ও আরপিএফ আধিকারিকদের যুক্তি, এই ভিড়ে কে সংরক্ষিত টিকিট নিয়ে উঠছে কে অসংরক্ষিত টিকিট নিয়ে চাপছে তা খতিয়ে দেখা অসম্ভব।
অন্যদিকে স্পেশাল ট্রেনের বাড়তি ভাড়া নিয়েও মানুষে ক্ষোভ রয়েছে। যাত্রীদের মধ্যে বহু মানুষই নিম্নবিত্ত। স্পেশাল ট্রেনগুলিতে আসানসোল থেকে পাটনা পর্যন্ত স্লিপার কোচে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ৩৮৫ টাকা। সাধারণ এক্সেপ্রেস ট্রেনের স্লিপার কোচে যেখানে ভাড়া ২২৫ টাকা।
পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, ভিড়ের কথা মাথায় রেখে আরও স্পেশাল ট্রেন চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সঙ্গে অসংরক্ষিত কামরাজুড়ে দেওয়া হচ্ছে।
আর এই বাড়তি ভিড়ই অন্যান্য যাত্রীদের করুণ অবস্থা করে ছেড়েছে। আসানসোল স্টেশনে গিয়ে দেখা গিয়েছে, বিহার অভিমুখে যাওয়া ট্রেনগুলির সংরক্ষিত কামরাগুলিতে একএকটি সিট তিন-চারজন দখল করে রয়েছে। যিনি সঠিক ভাড়া দিয়ে সিট বুক করে যাচ্ছেন ভিড়ের চাপে তাঁর সিট দখল হয়ে গিয়েছে। এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় রেলের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন যাত্রীরা। কেন রেল সংরক্ষিত কামরায় অসংরক্ষিত টিকিট নিয়ে ওঠা মানুষজনকে উঠতে দিচ্ছেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্লাটফর্মে দায়িত্বপ্রাপ্ত টিকিট পরীক্ষক ও আরপিএফ আধিকারিকদের যুক্তি, এই ভিড়ে কে সংরক্ষিত টিকিট নিয়ে উঠছে কে অসংরক্ষিত টিকিট নিয়ে চাপছে তা খতিয়ে দেখা অসম্ভব।
অন্যদিকে স্পেশাল ট্রেনের বাড়তি ভাড়া নিয়েও মানুষে ক্ষোভ রয়েছে। যাত্রীদের মধ্যে বহু মানুষই নিম্নবিত্ত। স্পেশাল ট্রেনগুলিতে আসানসোল থেকে পাটনা পর্যন্ত স্লিপার কোচে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ৩৮৫ টাকা। সাধারণ এক্সেপ্রেস ট্রেনের স্লিপার কোচে যেখানে ভাড়া ২২৫ টাকা।
পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, ভিড়ের কথা মাথায় রেখে আরও স্পেশাল ট্রেন চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সঙ্গে অসংরক্ষিত কামরাজুড়ে দেওয়া হচ্ছে।



