Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ছটপুজোয় অর্ঘ্য দিতে পানাগড় ও বুদবুদে বাঁশের ডালার চাহিদা তুঙ্গে

ছটপুজোয় অর্ঘ্য দিতে পানাগড় ও বুদবুদে বাঁশের ডালার চাহিদা তুঙ্গে
  • ৭ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, মানকর: ছটপুজোয় সূর্যদেবকে অর্ঘ্য দেওয়া হয় শুধুমাত্র বাঁশের ডালাতে। তাই ছট এলেই বাড়ে ডালার চাহিদা। এবারও পানাগড় ও বুদবুদের ডালা ব্যবসায়ীরা জানালেন গত বছরের তুলনায় বিক্রি অনেকটাই বেড়েছে। মুখে হাসি ফুটেছে ব্যবসায়ীদের। 
Advertisement
পানাগড়ে ডালা ৮০ টাকা থেকে শুরু। বুদবুদে নূন্যতম মূল্য ৭৫ টাকা। বুদবুদের ব্যবসায়ী অর্পণ বাদ্যকর বলেন, ছটপুজোয় ডালার চাহিদা বাড়ে। বছরের অন্যান্য সময় এই ডালা সেভাবে বিক্রি হয় না। ব্যবসায়ীরা জানান, সূর্য দেবতাকে অর্ঘ্য দেওয়া হয় কেবলমাত্র বাঁশের ডালাতেই। বর্তমানে ব্যবসায়ীরা ঝাড়খণ্ড লাগোয়া বিভিন্ন গ্রাম থেকে ডালা নিয়ে আসছেন। তবে অনেকে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে স্থানীয়দের তৈরি ডালা এনে বিক্রি করছেন। বুদবুদের ব্যবসায়ী মানিক বাদ্যকর বলেন, সারা বছর অন্যান্য ঝুড়ি বিক্রি হয়। তবে এই সময় ডালার বিক্রি বাড়ে। ছটের জন্য ব্যবহৃত ডালার আকার ও মান অনুসারে দামের পরিবর্তন হচ্ছে। এদিন বাজার ঘুরে দেখা গেল ডালা ১০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। তবে ভালো মানের ডালার দাম ১৬০ টাকা। ঝুড়ির দাম ১৫০ টাকা। ভালো মানের ঝুড়ির দাম প্রায় ৩০০ টাকা। ক্রেতারা জানাচ্ছেন গতবারের থেকে দাম ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। পানাগড়ের এক ব্যবসায়ী জানান, ঝাড়খণ্ড থেকে ডালা আনার পরিবহণ খরচ অনেকটাই বেড়েছে। দুর্গাপুর বা স্থানীয় এলাকায় অনেকে ডালা তৈরি করলেও ঝাড়খণ্ডের ডালা আকারে বড় ও কিছুটা মোটা হয়।
বুদবুদ বাজারে ডালা কিনতে এসেছিলেন রেখা যাদব। তিনি বলেন, ডালার দাম প্রতিবছর বাড়ছে। আকারে ডালা বড় না হলে অসুবিধা হয়। গোটা নারকেল ও বিভিন্ন ফল দিতে হয় ডালাতে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেবতার অর্ঘ্য যেহেতু প্লাস্টিক ডালায় দেওয়া যায় না, তাই ছট পুজোয় বাঁশের ডালার চাহিদা আছে। 
এদিকে ছটপুজো নিয়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে রয়েছে। ছটপুজো কমিটির পাশাপাশি পুলিস প্রশাসনও সতর্ক থাকছে। বুদবুদের সিন্ডিকেট মোড়ে আদিত্য ভাস্কর ছটঘাট পরিষ্কার করা হয়েছে। ঘাটে আসার রাস্তা, বাজার পরিচ্ছন্ন রাখা হচ্ছে। ব্লিচিং পাউডার দিয়ে ঘাট পরিষ্কার করা হয়েছে। হিন্দীভাষী জনকল্যাণ সমিতির পক্ষে বিনোদ শর্মা বলেন, পুণ্যার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সেজন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। গতবার ছ’হাজারেরও বেশি মানুষের ভিড় হয়েছিল। এই ঘাট ছাড়াও বুদবুদে সাধুনগরে আর একটি ঘাট রয়েছে। বুদবুদ থানার পক্ষ থেকে জানা যায়, পুলিস সমস্ত ছটঘাটে উপস্থিত থাকবে।
সম্পর্কিত সংবাদ