সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ছটপুজোয় বাঁশের তৈরি কুলো, ঝুড়ি বা ডালার চাহিদার গ্রাফ নামছে ধীরে ধীরে। সেই বাজারে থাবা বসাচ্ছে পিতলের তৈরি সামগ্রী। বাঁশের তৈরি জিনিসের চাহিদা কমায় চাপ বাড়ছে শিল্পীদের।
Advertisement
অন্যবারের মতো ইসলামপুর বাজারে বাঁশের কুলো ও ঝুড়ি বিক্রি করার জন্য গ্রামাঞ্চল থেকে এসে অনেকেই দোকান সাজিয়ে বসেছিলেন। কিন্তু সেই সামগ্রী কিনতে ক্রেতাদের আগ্রহ অনেকটাই কমেছে বলে জানালেন বিক্রেতারা। রিংকুয়া থেকে ঝুড়ি ও কুলো বিক্রি করার জন্য এসেছেন প্রাণেশ্বরী রায়। তাঁর কথাতেও ব্যবসা নিয়ে উদ্বেগের ছাপ। বললেন, প্রতি বছর ছটপুজোকে কেন্দ্র করে প্রায় এক মাস আগে থেকে ঝুড়ি ও কুলো তৈরি করি। এবার তেমন চাহিদা নেই। ফলে সেভাবে লাভ হবে না আমাদের।
আরেক বিক্রেতা বিরা রায়ের কথায়, বাঁশ কিনে ঝুড়ি ও কুলো তৈরি করতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। সেই তুলনায় দাম পাই না। এবার বিক্রি কমতে থাকলে আমাদের সংসার চালানো মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে।
বাঁশের তৈরি সামগ্রীর বিক্রি কমার পিছনে পিতলের জিনিসপত্রের দিকে ঝোঁক বাড়াকেই দায়ী করছেন শিল্পীরা। যাদের আর্থিক সঙ্গতি আছে তাঁরা পিতলের সামগ্রীই পছন্দ করছেন। ফলে বাঁশের তৈরি জিনিসের বাজার মন্দা।
ছোট, বড় বিভিন্ন আকারের বাঁশের কুলো ও ঝুড়ির দাম পড়ছে ১০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে। অন্যদিকে, পিতলের সামগ্রীর কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকার মঝ্যে ঘোরাফেরা করছে। একটু বেশি খরচ করে পিতলের জিনিসপত্র কিনতে পারলে সেটি অনেক দিন ব্যবহার করা যায়। অন্যদিকে, বাঁশের সামগ্রীর দাম কম হলেও প্রত্যেক বছর নতুন করে কিনতে হয়।
শহরে পিতলের সামগ্রীর ব্যবসায়ী দিল নওয়াজ আহমেদ বলেন, পুজোর কিছুদিন আগেই পিতলের দাম কেজি প্রতি প্রায় ১০০ টাকা বেড়েছে। তবুও ছট উপলক্ষে ডালা, কুলো বিক্রি অনেকটাই বেশি এবার।
আরেক বিক্রেতা বিরা রায়ের কথায়, বাঁশ কিনে ঝুড়ি ও কুলো তৈরি করতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। সেই তুলনায় দাম পাই না। এবার বিক্রি কমতে থাকলে আমাদের সংসার চালানো মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে।
বাঁশের তৈরি সামগ্রীর বিক্রি কমার পিছনে পিতলের জিনিসপত্রের দিকে ঝোঁক বাড়াকেই দায়ী করছেন শিল্পীরা। যাদের আর্থিক সঙ্গতি আছে তাঁরা পিতলের সামগ্রীই পছন্দ করছেন। ফলে বাঁশের তৈরি জিনিসের বাজার মন্দা।
ছোট, বড় বিভিন্ন আকারের বাঁশের কুলো ও ঝুড়ির দাম পড়ছে ১০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে। অন্যদিকে, পিতলের সামগ্রীর কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকার মঝ্যে ঘোরাফেরা করছে। একটু বেশি খরচ করে পিতলের জিনিসপত্র কিনতে পারলে সেটি অনেক দিন ব্যবহার করা যায়। অন্যদিকে, বাঁশের সামগ্রীর দাম কম হলেও প্রত্যেক বছর নতুন করে কিনতে হয়।
শহরে পিতলের সামগ্রীর ব্যবসায়ী দিল নওয়াজ আহমেদ বলেন, পুজোর কিছুদিন আগেই পিতলের দাম কেজি প্রতি প্রায় ১০০ টাকা বেড়েছে। তবুও ছট উপলক্ষে ডালা, কুলো বিক্রি অনেকটাই বেশি এবার।



