নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: সম্পর্কে টানাপোড়েনের জেরে ছাতনায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী এক ছাত্রী খুন হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিস ওই ছাত্রীর প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম নাশিস কিস্কু। সে ছাত্রীর প্রতিবেশী। বছর ঊনিশের নাশিস ছাত্রীটিকে খুনের কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিসের দাবি। ধৃত যুবক খুনের পর প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করে। ঘটনাস্থল থেকে দেহ টেনেহিঁচড়ে উঁচু ঘাসের আলের আড়ালে ফেলে রাখে। এমনকী রাতে দেহ মাটিতে পুঁতে ফেলার ছকও সে কষেছিল বলে তদন্তকারী আধিকারিকরা জানিয়েছেন। তবে মৃতার মা ঘটনার দিন সন্ধ্যায় খোঁজাখুঁজির সময় দেহ দেখতে পেয়ে যাওয়ায় যুবকের চেষ্টা বিফলে যায়।
Advertisement
মঙ্গলবার দুপুরে নিজের অফিসে নাশিসকে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন বাঁকুড়ার অতিরিক্ত পুলিস সুপার(সদর) সিদ্ধার্থ দোর্জি। অতিরিক্ত পুলিস সুপার বলেন, মৃত ছাত্রীর সঙ্গে সম্প্রতি ধৃত যুবকের বিবাদ চরমে পৌঁছেছিল। ফাঁকা মাঠে একা পেয়ে ছাত্রীটিকে সে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলে। পুলিসি জেরায় ভেঙে পড়ে নাশিস সব স্বীকার করেছে। সোমবার রাতে ওই যুবককে আমরা গ্রেপ্তার করি। এদিন ধৃতকে বাঁকুড়া জেলা আদালতে তুলে সাতদিন পুলিস হেফাজতে নেওয়া হয়। ধৃতকে জেরা করে খুনের ব্যাপারে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করা হবে। ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হবে কিনা, সেব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রী গতবার এলাকার একটি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক দিয়েছিল। সে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়। এবার ফের পরীক্ষায় বসার কথা ছিল। ধৃত যুবকের সঙ্গে ওই ছাত্রীর প্রায় বছর দুয়েক ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে তারা প্রায়ই নিজেদের মধ্যে মেলামেশা করত। কিন্তু প্যান্ডেল বাঁধার শ্রমিকের কাজ করা নাশিস সম্প্রতি অত্যধিক মদ্যপান করত। সেই কারণে ওই ছাত্রী তাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে। প্রেমিকার মধ্যে পরিবর্তন নাশিস মেনে নিতে পারেনি। সে সম্পর্ক চালিয়ে নিয়ে যেতে ওই ছাত্রীকে চাপ দিতে থাকে। ছাত্রীটিও সম্পর্ক থেকে বের হওয়ার ব্যাপারে নাছোড় ছিল। ফলে তার মর্মান্তিক পরিণতি হয়।
এক তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, শনিবার ছাত্রীটি বাড়ির গবাদি পশু চরাতে মাঠে গিয়েছিল। দুপুরে কাজ থেকে ফিরে নাশিস সেখানে পৌঁছে যায়। নির্জন মাঠে দু’জনের মধ্যে একপ্রস্থ ঝামেলা হয়। তারমধ্যে নাশিস ওই ছাত্রীকে মারধর শুরু করে। পেটে ও মুখে লাথি, ঘুষি খেয়ে বছর সতেরোর ওই নাবালিকা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তখন নাশিস ছাত্রীর শ্বাসরোধ করে। মৃত্যু নিশ্চিত করার পর দেহ বেশ কিছুটা টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে আলের পাশে লুকিয়ে রেখে ঘটনাস্থল থেকে ওই যুবক চম্পট দেয়। সে রাতের মধ্যে দেহ লোপাট করে দেওয়ার ছক কষেছিল। কিন্তু মৃত ছাত্রীর মা মেয়ের দেহ দেখতে পেয়ে গ্রামের বাসিন্দাদের জানান। আমরা খবর পেয়ে সন্ধ্যায় দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠাই। নাশিসের সঙ্গে মোবাইলে ওই ছাত্রীর নিয়মিত কথা হতো। খুনের আগে হঠাৎ তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে নাশিসকে আমরা আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করি। প্রথমে সবকিছু অস্বীকার করলেও টানা জেরার মুখে ভেঙে পড়ে খুনের কথা স্বীকার করে ওই যুবক।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রী গতবার এলাকার একটি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক দিয়েছিল। সে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়। এবার ফের পরীক্ষায় বসার কথা ছিল। ধৃত যুবকের সঙ্গে ওই ছাত্রীর প্রায় বছর দুয়েক ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে তারা প্রায়ই নিজেদের মধ্যে মেলামেশা করত। কিন্তু প্যান্ডেল বাঁধার শ্রমিকের কাজ করা নাশিস সম্প্রতি অত্যধিক মদ্যপান করত। সেই কারণে ওই ছাত্রী তাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে। প্রেমিকার মধ্যে পরিবর্তন নাশিস মেনে নিতে পারেনি। সে সম্পর্ক চালিয়ে নিয়ে যেতে ওই ছাত্রীকে চাপ দিতে থাকে। ছাত্রীটিও সম্পর্ক থেকে বের হওয়ার ব্যাপারে নাছোড় ছিল। ফলে তার মর্মান্তিক পরিণতি হয়।
এক তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, শনিবার ছাত্রীটি বাড়ির গবাদি পশু চরাতে মাঠে গিয়েছিল। দুপুরে কাজ থেকে ফিরে নাশিস সেখানে পৌঁছে যায়। নির্জন মাঠে দু’জনের মধ্যে একপ্রস্থ ঝামেলা হয়। তারমধ্যে নাশিস ওই ছাত্রীকে মারধর শুরু করে। পেটে ও মুখে লাথি, ঘুষি খেয়ে বছর সতেরোর ওই নাবালিকা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তখন নাশিস ছাত্রীর শ্বাসরোধ করে। মৃত্যু নিশ্চিত করার পর দেহ বেশ কিছুটা টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে আলের পাশে লুকিয়ে রেখে ঘটনাস্থল থেকে ওই যুবক চম্পট দেয়। সে রাতের মধ্যে দেহ লোপাট করে দেওয়ার ছক কষেছিল। কিন্তু মৃত ছাত্রীর মা মেয়ের দেহ দেখতে পেয়ে গ্রামের বাসিন্দাদের জানান। আমরা খবর পেয়ে সন্ধ্যায় দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠাই। নাশিসের সঙ্গে মোবাইলে ওই ছাত্রীর নিয়মিত কথা হতো। খুনের আগে হঠাৎ তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে নাশিসকে আমরা আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করি। প্রথমে সবকিছু অস্বীকার করলেও টানা জেরার মুখে ভেঙে পড়ে খুনের কথা স্বীকার করে ওই যুবক।



