নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: কোথায় ইলিশের সেই স্বর্গীয় স্বাদ! হাহাকার করছেন ফরাক্কার আম বাঙালি। ফরাক্কা থেকে প্রতিদিন কয়েক কুইন্টাল ইলিশ ধরা হলেও তার স্বাদ যেন ছোট চারা পোনার মতো। দাম কমের কারণে সেই ইলিশের দিকে ঝুঁকছেন অনেকেই। তবে ইলিশ খাওয়ার পর রীতিমতো হতাশ হচ্ছেন তাঁরা। বিস্বাদ সেই ইলিশ একবার খাওয়ার পর আর কেউ ফিরেও তাকাচ্ছেন না। কিন্তু জলের রুপোলি শস্য স্বাদহীন কেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
Advertisement
মৎস্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাবারের উপর নির্ভর করে ইলিশের গ্রোথ ও স্বাদ। ইলিশের প্রধান খাদ্য জলের ডায়াটম ও প্ল্যাঙ্কটন। বর্তমানে জলের দূষণের জন্য এই ধরনের ডায়াটম ও প্ল্যাঙ্কটনের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। হয়তো মাছ পরিমাণ মতো খাবার না পাওয়ায় তার দেহে ফ্যাটের পরিমাণ কমছে। তাই ফরাক্কার ইলিশের স্বাদও কমেছে। তাই বাইরে এই মাছের কদর একেবারেই নেই।
ফরাক্কার এক ফিশারিজ এক্সটেনশন অফিসার (এফইও) বলেন, মাছের শরীরে প্রোটিন ও ফ্যাটের পরিমাণের উপরে নির্ভর করে তার স্বাদ। আর মাছের দৈনন্দিন খাবারের উপর নির্ভর করে তার শরীরে কতটা প্রোটিন ও ফ্যাট থাকবে। পাশাপাশি ইলিশের স্বাদের পিছনে কারণ হিসেবে কাজ করে জলের স্রোত। দক্ষিণবঙ্গের সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় যে সমস্ত ইলিশ পাওয়া যায়, তা সমুদ্রের গভীর জলে স্রোতের বিপরীত মুখে সাঁতার কেটে আসায়, তার স্বাদ বেশি হয়। কিন্তু ফরাক্কায় যে মাছ পাওয়া যাচ্ছে, তা সমুদ্র থেকে উঠে নদীর অনেকটা ভিতরে চলে আসছে। এখানকার মাছগুলি অনেকটা রুই, কাতলা মাছের মতো খেতে লাগবে। ডায়মন্ডহারবার, দীঘা কিংবা খেজুরিতে যে ইলিশ পাওয়া যায়, তার স্বাদ এবং ফরাক্কার মাছের স্বাদ এক হবে না। কারণ, নোনা জলের মধ্যে যে ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে, সেগুলির জন্য ইলিশের মতো ‘মেরিন ফিশ’-এর স্বাদ বেড়ে যায়। আর ফরাক্কায় যে ইলিশ ধরা পড়ছে তা পুরোপুরি মিষ্টি জলের মাছ। মাছের শরীরে ফ্যাটের পরিমাণ কমে গেলে স্বাদ কমে যায়। এখানকার ইলিশের শরীরে ফ্যাট অনেক কম।
ফরাক্কার স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা বলেন, এখানকার ইলিশ মাছ দেখতে সুন্দর, কিন্তু সুস্বাদু নয়। অনেক ক্রেতা একবার কেনার পর, আর কিনতে চাইছেন না। তাই মাছের দাম অনেকটাই কম। এখন ৩০০ টাকা দামেও ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। যদিও সেই ইলিশ সাইজে অনেকটাই ছোট।
ফরাক্কার এক ফিশারিজ এক্সটেনশন অফিসার (এফইও) বলেন, মাছের শরীরে প্রোটিন ও ফ্যাটের পরিমাণের উপরে নির্ভর করে তার স্বাদ। আর মাছের দৈনন্দিন খাবারের উপর নির্ভর করে তার শরীরে কতটা প্রোটিন ও ফ্যাট থাকবে। পাশাপাশি ইলিশের স্বাদের পিছনে কারণ হিসেবে কাজ করে জলের স্রোত। দক্ষিণবঙ্গের সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় যে সমস্ত ইলিশ পাওয়া যায়, তা সমুদ্রের গভীর জলে স্রোতের বিপরীত মুখে সাঁতার কেটে আসায়, তার স্বাদ বেশি হয়। কিন্তু ফরাক্কায় যে মাছ পাওয়া যাচ্ছে, তা সমুদ্র থেকে উঠে নদীর অনেকটা ভিতরে চলে আসছে। এখানকার মাছগুলি অনেকটা রুই, কাতলা মাছের মতো খেতে লাগবে। ডায়মন্ডহারবার, দীঘা কিংবা খেজুরিতে যে ইলিশ পাওয়া যায়, তার স্বাদ এবং ফরাক্কার মাছের স্বাদ এক হবে না। কারণ, নোনা জলের মধ্যে যে ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে, সেগুলির জন্য ইলিশের মতো ‘মেরিন ফিশ’-এর স্বাদ বেড়ে যায়। আর ফরাক্কায় যে ইলিশ ধরা পড়ছে তা পুরোপুরি মিষ্টি জলের মাছ। মাছের শরীরে ফ্যাটের পরিমাণ কমে গেলে স্বাদ কমে যায়। এখানকার ইলিশের শরীরে ফ্যাট অনেক কম।
ফরাক্কার স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা বলেন, এখানকার ইলিশ মাছ দেখতে সুন্দর, কিন্তু সুস্বাদু নয়। অনেক ক্রেতা একবার কেনার পর, আর কিনতে চাইছেন না। তাই মাছের দাম অনেকটাই কম। এখন ৩০০ টাকা দামেও ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। যদিও সেই ইলিশ সাইজে অনেকটাই ছোট।



